মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৯, ০৮:৫৯:৩৯

ঘূর্ণিঝড় 'ফণি' চট্টগ্রাম থেকে ১৬৯৫ কি:মি: দক্ষিণে

ঘূর্ণিঝড় 'ফণি' চট্টগ্রাম থেকে ১৬৯৫ কি:মি: দক্ষিণে

ডেস্ক রিপোর্টঃ-দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় 'ফণি' আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি রবিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৬৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৬২০ কিলোমিটার দক্ষিণে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৬৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৬৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। রবিবার দুপুরে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে সাতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রে ৫৪ কিলোমিটার এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমূদ্র বন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

  চট্টগ্রামে নতুন করে আরো ৩১ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

  চট্টগ্রামে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন

  চট্টগ্রামের কোরবানির বাজারে অতিরিক্ত পশু, নেই কোন সঙ্কট

  সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর কবরে সাবেক ছাত্র নেতা সহকারী এ্যটর্ণি জেনারেল এডভোকেট এস.আর সিদ্দিকী সাইফের পুষ্পস্তপক অর্পণ

  বছর জুড়ে চলবে এডিস মশার বিরুদ্ধে অভিযান- মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

  চট্টগ্রামেও ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে

  'ফেসবুকে গুজবের নিউজ শেয়ার করলে মামলা'

  লালদিয়ার চরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু

  চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আবারও হাজিদের টাকা চুরি

  চট্টগ্রাম বোর্ডে বাড়ছে জিপিএ ৫, কমেছে পাসের হার

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?