সোমবার, ১৯ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৯, ০৯:২০:৪১

নুসরাত জাহান হত্যার ‘পরিকল্পনাকারী’ রাঙ্গামাটি থেকে আটক

নুসরাত জাহান হত্যার ‘পরিকল্পনাকারী’ রাঙ্গামাটি থেকে আটক

ডেস্ক রিপোর্টঃ-ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকান্ডের অন্যতম পরিকল্পনাকারী ইফতেখার উদ্দিন রানাকে রাঙ্গামাটি থেকে আটক করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেশটিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটির চট্টগ্রাম অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ইফতেখার উদ্দিন রানা ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চরগনেশ গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। হত্যাকান্ডের পর সে রাঙ্গামাটি চলে যায়। 
পিবিআই কর্মকর্তা বলেন, প্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার (১৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে রাঙ্গামাটি শহরের টিএন্ডটি একটি আবাসিক কোয়াটার থেকে ইফতেখার উদ্দিন রানাকে আটক করা হয়। নুসরাত হত্যাকান্ডের পর তিনি রাঙ্গামাটির টিএন্ডটি এলাকায় তার ঘনিষ্ঠ এক আত্মীয়ের বাসায় আত্মগোপন করেছিলো। পিবিআই প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত করার পর তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। ইফতেখার উদ্দিন রানাকে আটকের পর ভোরে ফেনীতে নিয়ে আসা হয়েছে। রবিবার তাকে আদালতে হাজির করা হবে'।
ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত নুসরাত হত্যাকান্ডের ঘটনায় ইফতেখার উদ্দিন রানাসহ ২০ জনকে আটক করা হলো। এদের মধ্যে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে চারজন। ১৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি রুহুল আমিনকেও আটকের পর শনিবার আদালতে হাজির করেছে পিবিআই।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, তদন্তে দেখা গেছে ইফতেখার উদ্দিন হত্যাকান্ডের অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলো। হত্যাকান্ডের সময় পাহারা দেওয়ার কাজ করেছিলেন তিনি। মামলার এজাহারে তার নাম না থাকলেও তদন্তে পাওয়া গেছে তার সম্পৃক্ততা।
নুসরাত সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী ছিলেন। ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে নুসরাতের মা বাদী হয়ে গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। এরপর অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে নুসরাতের পরিবারকে হুমকি দেয়া হচ্ছিল।
উল্লেখ্য, নুসরাত সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী ছিলো। ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে নুসরাতের মা বাদী হয়ে গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। এরপর অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে নুসরাতের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিলো। গত ৬ এপ্রিল সকালে আলিম আরবি প্রথম পত্রের পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে যান নুসরাত। এসময় কৌশলে তাকে ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সেখানে তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল রাতে নুসরাত মারা যায়।

এই বিভাগের আরও খবর

  চট্টগ্রামে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন

  চট্টগ্রামের কোরবানির বাজারে অতিরিক্ত পশু, নেই কোন সঙ্কট

  সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর কবরে সাবেক ছাত্র নেতা সহকারী এ্যটর্ণি জেনারেল এডভোকেট এস.আর সিদ্দিকী সাইফের পুষ্পস্তপক অর্পণ

  বছর জুড়ে চলবে এডিস মশার বিরুদ্ধে অভিযান- মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

  চট্টগ্রামেও ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে

  'ফেসবুকে গুজবের নিউজ শেয়ার করলে মামলা'

  লালদিয়ার চরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু

  চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আবারও হাজিদের টাকা চুরি

  চট্টগ্রাম বোর্ডে বাড়ছে জিপিএ ৫, কমেছে পাসের হার

  চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে পানি, যাত্রীদের ভোগান্তি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?