মঙ্গলবার, ২১ মে ,২০১৯

Bangla Version
SHARE

শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৯, ০৯:০৫:১৭

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মিলারের চট্টগ্রাম সফরঃ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সামরিক সহযোগিতার উপর গুরুত্বারোপ

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মিলারের চট্টগ্রাম সফরঃ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সামরিক সহযোগিতার উপর গুরুত্বারোপ

চট্টগ্রামঃ-বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার গত ১৬ থেকে ১৯ এপ্রিল (শুক্রবার) পর্যন্ত চট্টগ্রাম সফর করেন। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া এবং দুদেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করা ছিল তার এসফরের উদ্দেশ্য।
চট্টগ্রামে রাষ্ট্রদূত মিলার যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি জ্বালানি কোম্পানি ‘এক্সিলারেট’ পরিদর্শন করেন। বঙ্গোপসাগরে নির্মিত ‘এক্সিলারেট’ এর ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ডরিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) চট্টগ্রামের ৬০লাখ অধিবাসী ও এর সমগ্র শিল্প এলাকার জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করছে। এফএসআরইউ প্রতিদিন ৫০কোটি কিউবিক ফুট গ্যাস রিগ্যাসিফিকেশন করতে সক্ষম। এর ফলে বাংলাদেশের নিজস্ব প্রাকৃতিক গ্যাসের ভান্ডার নির্ভরযোগ্য ভাবে ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়ছে।
রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার স্থানীয় শিল্প সম্পর্কে আরও জানতে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। এসব শিল্প বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছে। তিনি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাত করেন এবং দেশের ৯০শতাংশের বেশি বাণিজ্য পরিচালিত হওয়া বন্দরটির সেবা সমূহ ঘুরে দেখেন। তারা বন্দরের উন্নয়ন ও অন্যান্য নির্মাণ কাজে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। রাষ্ট্রদূত একটি জাহাজ ভাঙা ইয়ার্ড ও একটি স্টিল রিরোলিং মিলও পরিদর্শন করেন। তিনি শ্রমিক অধিকার ও তাদের নিরাপত্তার গুরুত্বপুনর্ব্যক্ত করেন এবং শ্রমিক ও পরিবেশের সুরক্ষাদান ও শিশু শ্রমের অবসান ঘটানোর জন্য ব্যবসায়ী নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ স্পেশাল ওয়ারফেয়ার ড্রাইভিং অ্যান্ডস্যালভেজ (এসডব্লিউএডিএস) মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক সম্পর্কের সমর্থনে বক্তব্য দেন। এমহড়ার মধ্যে ছিল মানবাধিকার, প্রাথমিক চিকিৎসা ও মিশন পরিকল্পনা বিষয়ক মডিউল। রাষ্ট্রদূত মিলার ২০০৫ সালে জাতি সংঘের শান্তি রক্ষা অপারেশনে (পিস্কিপিং অপারেশনে বাপিকেও) নিহত সীম্যান মোহাম্মদ নুুরুল ইসলামের সমাধিতে পুস্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধাজানান এবং একটি গাছের চারা রোপন করেন। তিনি জাতি সংঘের শান্তি রক্ষা অপারেশনে নিহত মোট ১৪৬ জন বাংলাদেশির প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় মিশনে প্রদত্ত সেনা সংখ্যায় বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশের অবদানের প্রশংসা করেন।
রাষ্ট্রদূত মিলার এছাড়াও চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউ) স্থাপিত ‘আমেরিকান কর্নার’ পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি দুইবারের ফুলব্রাইট ফেলোসি আইইউএরউপাচার্য ড. মাহফুজুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন। তিনি বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে অটিজম নিয়ে সচেতনতা বিষয়ক একটি অনুষ্ঠানে স্থানীয়দের সঙ্গে অংশ নেন। রাষ্ট্রদূত মিলার যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার সুযোগ সুবিধা এবং ‘আমেরিকান কর্নার’ এ প্রদত্ত এডুকেশন ইউএসএ তথ্য ও সেবাগুলো তুলে ধরেন। পরে তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন এর প্রতিষ্ঠাতা ও উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করেন এবং রোহিঙ্গা শিক্ষার্থীসহ নারীদের শিক্ষা ও নেতৃত্বের দক্ষতার উন্নয়নে অবদানের জন্য তাদের সাধুবাদ জানান।
রাষ্ট্রদূত মিলার চট্টগ্রাম ওয়ারসেমেটারি পরিদর্শন করেন। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশরয়্যাল এয়ারফোর্সের সদস্য হিসেবে লড়াইয়ের সময় নিহত আমেরিকান পাইলট উইলিয়াম বি. রাইসের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। রাষ্ট্রদূত ওই যুদ্ধে নিহত সবার আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে ‘ক্রসঅবরিমেমব্রান্স’ এ-ওপুস্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  চট্টগ্রামে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ছিনতাইকারি নিহত

  উন্নত জাতি গঠনে সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ-তথ্যমন্ত্রী

  হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবরোধ ও মানববন্ধন

  মসজিদে কাউকে সন্দেহ হলে পুলিশকে খবর দিন-জেলা প্রশাসক

  চট্টগ্রামে ভাইকে না পেয়ে বোনকে গুলি করে হত্যা

  ফুটপাত থেকে অভিজাত মল সবখানেই খাদ্যে ভেজাল

  চট্টগ্রামে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

  চট্টগ্রামে পাহাড়ে অবৈধ বসতি উচ্ছেদে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান

  ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, আটক-৪

  তিন দিন পর ফের সচল চট্টগ্রাম বন্দর

  ঘূর্ণীঝড় ‘ফণী’-৮ লাখ মানুষের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করেছে জেলা প্রশাসন

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ভোটের পর থেকে সংসদে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে আসা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দলের নির্বাচিতদের শপথ নেওয়ায় সম্মতি দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সঠিক কাজটিই করেছেন। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?