রবিবার, ১৮ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৯, ০৮:৪০:৩২

পাহাড় ধ্বসের ব্যাপারে এবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দায়ী করা হবে, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না-মো. আব্দুল মান্নান

পাহাড় ধ্বসের ব্যাপারে এবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দায়ী করা হবে, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না-মো. আব্দুল মান্নান

চট্টগ্রামঃ-চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল মান্নান বলেছেন, পাহাড় ধ্বসের ব্যাপারে এবার থেকে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। যে পাহাড়ে ধ্বস হবে সংশ্লিষ্ট পাহাড়ের সংস্থাকে দায়ী করা হবে। বর্ষাকালের আগেই যাতে অবৈধ বসবাসকারীদের সরিয়ে নেয়া যায় সে ব্যাপারে নির্দেশ দিচ্ছি। এর আগে অনেকবার পাহাড় ব্যবস্থাপনা নিয়ে সভা হলেও পরবর্তীতে দেখা যায় যাদেরকে উচ্ছেদ করা হয়েছে তারা পুনরায় জায়গা দখল করে বসতবাড়ি করে আছে।
মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর ১টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান। স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক দীপক চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
চট্টগ্রাম নগরীতে ২০০৭ সালে রেলওয়ে, ক্যান্টনমেন্ট, জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন পাহাড় মিলিয়ে ৩০টি পাহাড় নির্ধারণ করা হলেও ২০১৫ সালে ইস্পাহানি পাহাড় ও জেমস পাহাড়কে বাদ দিয়ে ২৮টি পাহাড়ের তালিকা করা হয়। বর্তমানে নগর ও নগরের বাইরে ১৭টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় রয়েছে। যার মধ্যে ১০টা বেসরকারি ৭টা সরকারি। এতে ৮৩৫টি পরিবার রয়েছে।
যেসব পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবার রয়েছে সেগুলো হলো, এ.কে খান এন্ড কোং এর পাহাড়ে ২৬টি, কৈবল্যধামস্থ বিশ্ব কলোনীর পাহাড়ে ২৮টি, হারুন খান সাহেবের পাহাড়ে ৩৩টি, লেকসিটি আবাসিক এলাকা সংলগ্ন এলাকা পাহাড়ে ২২টি, আকবরশাহ আবাসিক এলাকা সংলগ্ন পাহাড়ে ২৮টি, পরিবেশ অধিদপ্তর সংলগ্ন সিটি কর্পোরেশন পাহাড়ে ১০টি, পূর্ব ফিরোজশাহ ১নং ঝিল সংলগ্ন পাহাড়ে ২৮টি, পলিটেকনিক কলেজ সংলগ্ন পাহাড়ে ৪৩টি, মধুশাহ পাহাড়ে ৩৪টি, ফয়েসলেক আবাসিক এলাকা সংলগ্ন পাহাড়ে ৯টি, ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট সংলগ্ন পাহাড়ে ৩৩৪টি, মতিঝর্ণা ও বাটালি হিল সংলগ্ন পাহাড়ে ১৬২টি, লালখান বাজার জমিয়তুল উলুম মাদ্রাসা পাহাড়ে ১১টি, এম.আর সিদ্দিকীর পাহাড়ে ৮টি, মিয়ার পাহাড়ে ৩২টি, ভেড়া ফকিরের পাহাড়ে ১১টি এবং আমিন কলোনি সংলগ্ন ট্যাংকির পাহাড়ে ১৬টি অবৈধ পরিবার রয়েছে।
বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, উচ্ছেদে যাকে ধরা হবে তাকে তার নিজ এলাকায় পাঠিয়ে দিতে হবে। যাতে পুনরায় এখানে আসার সুযোগ না পায়। যাদের নিতান্তই কিছু নেই তাদেরকে পুনর্বাসনে আমি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের সঙ্গে আলাপ করেছি,  তিনি এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন চাইলে একটা ভবন করে তাদের পুনর্বাসন করতে পারে।
সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৫ মে'র মধ্যে সকল পাহাড়ে অবৈধ দখলদারকে সরিয়ে ফেলে খালি করতে হবে। অন্যথায় সংস্থার প্রধানকে দায়ী করা হবে। যেসব সংস্থার ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছে তারা স্ব উদ্যোগে সরিয়ে নেবে আর যাদের নেই তারা জেলা প্রশাসনের সহায়তা নেবে।
সভায়  সিটি করপোরেশনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, বিজিবির ডেপুটি রিজিওনাল কমান্ডার কর্নেল আরেফিন, চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ক্যাপ্টেন জুয়েল, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল আলম বক্তব্য দেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  চট্টগ্রামে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন

  চট্টগ্রামের কোরবানির বাজারে অতিরিক্ত পশু, নেই কোন সঙ্কট

  সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর কবরে সাবেক ছাত্র নেতা সহকারী এ্যটর্ণি জেনারেল এডভোকেট এস.আর সিদ্দিকী সাইফের পুষ্পস্তপক অর্পণ

  বছর জুড়ে চলবে এডিস মশার বিরুদ্ধে অভিযান- মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

  চট্টগ্রামেও ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে

  'ফেসবুকে গুজবের নিউজ শেয়ার করলে মামলা'

  লালদিয়ার চরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু

  চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আবারও হাজিদের টাকা চুরি

  চট্টগ্রাম বোর্ডে বাড়ছে জিপিএ ৫, কমেছে পাসের হার

  চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে পানি, যাত্রীদের ভোগান্তি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?