রবিবার, ১৯ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ০৬ আগস্ট, ২০১৮, ০১:১০:০৬

চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে শিক্ষার্থী-শ্রমিকের মধ্যে উত্তেজনা, পুলিশের হস্তক্ষেপে শান্তি

চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে শিক্ষার্থী-শ্রমিকের মধ্যে উত্তেজনা, পুলিশের হস্তক্ষেপে শান্তি

চট্টগ্রামঃ-চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শ্রমিকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (৫ আগষ্ট) বেলা ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লাঠিসোটা নিয়ে কাপ্তাই সড়কে অবস্থান নিলে এ ঘটনা ঘটে। হামলা-ভাঙচুর এড়াতে পাহাড়তলী বাজারের দোকানপাট বন্ধ করে দেয় ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চুয়েট ক্যাম্পাসের সম্মুখে কাপ্তাই সড়কে দুইপাশে কাঠের গুড়ি ফেলে সড়কে বসে পড়ে। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে লাঠি, লোহার রড দেখা যায়। শিক্ষার্থীরা পুলিশ বিরোধী শ্লোগান দিতে থাকলেও রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেপায়েত উল্লাহ তাদের শান্ত করে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার অনুরোধ করেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মাহফুজ ও কৌশিক বলেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে ঢাকায় শান্তিপূর্ণ অন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আমাদের এই আন্দোলন। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সড়কে অবস্থান নিলে দুর্বৃত্তরা আমাদের ওপর হামলার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেন তারা।
অপর দিকে পাহাড়তলী বাজারে বিভিন্ন স্থানে হাজার খানেক শ্রমিক-জনতা অবস্থান নেয়। তাদের অনেকের হাতে লাঠি দেখা যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, বিগত সময়ে বিরোধী দলের জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলনের সময় সারাদেশ অচল থাকলেও রাউজান ছিল স্বাভাবিক। নিরাপদে গাড়ি চলাচল করেছিল। এখন চুয়েট শিক্ষার্থীদের কারণে আমরা নিরাপত্তাহীতায় ভুগছি। তারা বাজারে এসে আমাদের গাড়ি এবং দোকানে হামলা করতে পারে এই আশঙ্কায় আমারা মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত রয়েছি।
এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন বলেন, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তা অবরোধ করে রাখলে মোটর শ্রমিকরা পাহাড়তলীতে অবস্থান নেন। তবে সংঘর্ষের কোন ঘটনা ঘটেনি।
রাউজান থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেপায়েত উল্লাহ বলেন, সকাল ৯ টার দিকে চুয়েট শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বাইরে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে অবস্থান নেয়। অপরদিকে শ্রমিক-জনতাও পাহাড়তলী বাজারে অবস্থান নেয়। পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে কোন প্রকার সংঘর্ষেও ঘটনা ঘটেনি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের ক্যাম্পাসের প্রবেশ করানো হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

অনগ্রসর বিবেচনায় নারী, নৃগোষ্ঠীদের জন্য জন্য সরকারি চাকরিতে যে কোটা রয়েছে, তা তুলে দেওয়ার পক্ষে মত জানিয়ে কোটা পর্যালোচনা কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেছেন, অনগ্রসররা এখন অগ্রসর হয়ে গেছে। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?