মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৭:২৯:১০

চট্টগ্রামের চার মন্ত্রীর সরকারি পিএস হলেন যাঁরা

চট্টগ্রামের চার মন্ত্রীর সরকারি পিএস হলেন যাঁরা

চট্টগ্রামঃ-টানা তৃতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে স্থান পেয়েছেন চারজন। এই চারজনসহ ৪৬ জনের জন্য প্রত্যোকের একজন করে একান্ত সচিব (পিএস) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
দ্য মিনিস্টার্স, মিনিস্টার্স অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টার্স অ্যাক্ট, ২০১৬ অনুযায়ী একান্ত সচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। উপ সচিব পদমর্যাদার এসব কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) স্বাক্ষর করা আলাদা দু’টি আদেশ বুধবার (৯ জানুয়ারি) প্রকাশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের চার মন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে (পিএস)র যারা দায়িত্ব পালন করবেন তারা হলেন, তথ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ হাছান মাহমুদের সঙ্গে জনপ্রশাসনের উপসচিব মো. আরিফ নাজমুল আহসান, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরী, শিক্ষা উপ-মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর (নওফেল) সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. শাহগীর আলম, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উ শৈ সিংয়ের সঙ্গে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব বিশ্বাস রাসেল হুসাইন।

এই বিভাগের আরও খবর

  চট্টগ্রামের এক কেন্দ্রে দুর্বৃত্তের হামলায় পুলিশসহ গুলিবিদ্ধ-২

  পৃথক ঘটনায় চট্টগ্রামে ৪ জনের মৃত্যু

  চট্টগ্রামে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের গুদামে অগ্নিকাণ্ড

  বাঘাইছড়িতে ব্রাশফায়ারের ঘটনা তদন্তে কমিটি

  চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ গ্রেফতার-১

  উপজেলা নির্বাচনে তিন পার্বত্য জেলায় সেনা মোতায়েন করা হবে-ইসি সচিব

  চট্টগ্রামে ভিওআইপি সরঞ্জামসহ গ্রেফতার-২

  হাইটেক পার্কের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন আইসিটি মন্ত্রী

  চসিকের সাথে চুক্তিঃ মেয়র নাছিরের হস্তক্ষেপে নগরীতে হচ্ছে প্রথম হাইটেক পার্ক

  সচেতনতা বৃদ্ধিতে নারী সমাবেশের উদ্যোগ নিচ্ছেন সিটি মেয়র

  আন্তর্জাতিক নারী দিবসে চট্টগ্রামে পার্বত্য দুই নারী সংগঠনের বিক্ষোভ সমাবেশ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডাকসু নির্বাচনের সঙ্গে একাদশ সংসদ নির্বাচনের তুলনা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এতে ৩০ ডিসেম্বরের ‘ভোট ডাকাতি’র পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। আপনি কি তা মনে করেন?