মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ০৯ জুন, ২০১৮, ০৫:২৯:০২

নকল সোনার বার বিক্রি চক্রের ৩ জন গ্রেফতার

নকল সোনার বার বিক্রি চক্রের ৩ জন গ্রেফতার

চট্টগ্রামঃ-নকল সোনার বার বিক্রি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন মো. টিটো, আফজাল হোসেন এবং মো. দেওয়ান। বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এ চক্রের তিনজনকে সদরঘাট থানা পুলিশ।
সদরঘাট থানার ওসি নেজাম উদ্দিন বলেন, সিরিশ কাগজ দিয়ে পিতল ঘষে সোনার বার সদৃশ করে ফেলতে পারে চক্রটি। পরে হাজারী গলির সোনার দোকানগুলো থেকে ২১ ও ২২ ক্যারেট লেখা সিল ১০০ টাকা দিয়ে কিনে এনে উক্ত নকল বারে মেরে দেয় তারা। রমজান মাসকে টার্গেট করে দেড় মাস আগে তারা চট্টগ্রামে এসে বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করছিল।
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে মোগলটুলী জাহাঙ্গীর মার্কেটের সামনে রাস্তায় নকল সোনার বারকে আসল সোনার বার উল্লেখ করে বিক্রি করছিল একটি চক্র। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সেখানে গিয়ে টিটু ও দেওয়ানকে ধরে ফেলে। এ দুইজনের কাছ থেকে একটি নকল সোনার বার, একটি সোনার আংটি, এক জোড়া সোনার কানের দুল, একটি সোনার নাকফুল জব্দ করে পুলিশ।
এরপর ওই দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পাহাড়তলী থানাধীন উত্তর কাট্টলী এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে আফজালকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেখান থেকে একটি বড় সোনার বার, দুটি ছোট নকল সোনার বার, এক জোড়া সোনার কানের দুল ও শ্রী জুয়েলার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানের আটটি মেমো উদ্ধার করে পুলিশ।

এই বিভাগের আরও খবর

  চট্টগ্রাম নগরের নির্ধারিত ৩৪১ স্থানে পশু জবাই

  চট্টগ্রামে বন্দুকযুদ্ধে ১৮ মামলার আসামি নিহত

  পানির ট্যাংকে প্রাণ গেল সহোদরসহ ৩ জনের

  চট্টগ্রামে অস্ত্রসহ চার যুবক গ্রেপ্তার

  চট্টগ্রামে তামাকজাত দ্রব্য ও ধূমপান বিরোধী অভিযান

  চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে শিক্ষার্থী-শ্রমিকের মধ্যে উত্তেজনা, পুলিশের হস্তক্ষেপে শান্তি

  চট্টগ্রামে ১৬ কেজি স্বর্ণের বারসহ গ্রেফতার-১

  পায়েল হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

  নিরাপদ সড়কের দাবিতে চট্টগ্রামেও রাস্তায় শিক্ষার্থীরা

  চট্টগ্রাম বন্দরে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার ‘তাস’ আটক

  শিল্পকলা একাডেমির কমিটিকে বরণ করলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?