সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৮:০৩:১৭

২৬ দিন পর চট্টগ্রাম ফিরছেন মহিউদ্দিন চৌধুরী

২৬ দিন পর চট্টগ্রাম ফিরছেন মহিউদ্দিন চৌধুরী

ডেস্ক রিপোর্টঃ-অসুস্থতার করণে টানা ২৬ দিন বাইরে থাকার পর চট্টগ্রাম ফিরছেন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চট্টগ্রাম সিটি মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। বিদেশ থেকে চিকিৎসা শেষে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই বর্ষীয়ান নেতার নতুন কোনো শারীরিক সমস্যা দেখা না দিলে আগামী শনিবার বা রবিবার চট্টগ্রামের বাসভবনে নিয়ে আসা হবে বলে জানান তার (মহিউদ্দিন চৌধুরী) ছেলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বলেন, আব্বুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এখন তিনি অনেকটাই সুস্থ। এক মাস বিশ্রামে থাকতে হবে। প্রতিদিনই ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে। তাই বাসায় নিয়ে যেতে সমস্যা নেই। চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করে তাকে চট্টগ্রামের বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে। তবে শুক্রবার ডায়ালাইসিসের পর ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে চূড়ান্ত দিন ঠিক করা হবে বলে জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের নিজ বাসায় সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে ১১ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর মেহেদিবাগে ম্যাক্স হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে বর্তমান সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনসহ অনেকেই দেখতে যান।
তাকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরদিন দুপুরে মহিউদ্দিনকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় নিয়ে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৬ নভেম্বর অসুস্থ মহিউদ্দিনকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুর হসপিটালে মহিউদ্দিনের এনজিওগ্রাম এবং হার্টের দুটি ব্লকে রিং বসানো হয়। সিঙ্গাপুরে ১১ দিনের চিকিৎসা শেষে ২৬ নভেম্বর রাতে মহিউদ্দিনকে নিয়ে দেশে আসেন স্বজনরা। এরপর তাকে আবারো স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী টানা তিনবার নির্বাচিত হয়ে ১৭ বছর মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১০ সালে সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে পরাজিত হন। চট্টগ্রামের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলনে এখনো মহিউদ্দিন চৌধুরীর বিষয়টি সবার মুখে মুখে। এমনটাই মনে করেন বন্দরনগরীর মানুষ। দলমত নির্বিশেষে সকলের শ্রদ্ধার মানুষ মহিউদ্দিন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

পুলিশের আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক বলেছেন, ‘দেশকে জঙ্গি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে হলে পুলিশের পাশাপাশি জনগণকে কাজ করতে হবে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন?