সোমবার, ১৬ জুলাই ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৭, ০৬:৪৯:০৪

সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী আইসিইউতে

সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী আইসিইউতে

চট্টগ্রামঃ-চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি পড়েছেন।
শনিবার (১১ নভেম্বর) রাতে নগরীর মেহেদীবাগে ম্যাক্স হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। রবিবার (১২ নভেম্বর) সকালে তাকে হাসপাতালটির নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিউ) নেওয়া হয়।
সাবেক মেয়রের একান্ত সচিব মো. ওসমান জানান, রাতে উচ্চ রক্তচাপসহ শারীরিক নানা জটিলতা বেড়ে যাওয়ায় মহিউদ্দিনকে ম্যাক্স হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা কিডনি জটিলতার কারণে তাঁকে আইসিইউতে হস্তানান্তর করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মহিউদ্দিনকে দেখতে সকালে হাসপাতালে যান চসিকের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
মহিউদ্দিন চৌধুরী বেশ কিছুদিন ধরে নানা অসুখে ভুগছেন। অসুস্থ শরীর নিয়েই শনিবার সন্ধ্যায় তিনি যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বিজয় মেলা পরিষদের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। রাতেই তাঁর অসুস্থতা গুরুতর হয়ে পড়ে।
সাবেক মেয়রের একান্ত সচিব জানান, মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী ও নগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন মালয়েশিয়ায় ছিলেন। অসুস্থতার খবর পেয়ে তিনি দেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  চট্টগ্রামে আবাসিক হোটেল থেকে ২৫ রাউন্ড গুলিসহ একজন গ্রেফতার

  চট্টগ্রামের বাশঁখালীতে চলন্ত ট্রাকে আগুন, নিহত-৩

  চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতালের ধর্মঘট স্থগিত

  সাংবাদিক কন্যা রাইফা 'হত্যাকাণ্ড': গাফেলতি অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

  সাংবাদিকদের কর্মসূচিতে সম্পাদক ও পেশাজীবীদের সংহতি

  চন্দনাইশে ব্রিজের র‌্যালিং ভেঙ্গে ট্রাক খালে

  চট্টগ্রামে ম্যানহোলে কিশোর, ২ ঘণ্টা পর উদ্ধার

  টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

  রাউজানে পানিবন্দী লাখো মানুষের পাশে ফজলে করিম চৌধুরী

  চট্টগ্রামে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু, তিন দফা দাবি সিইউজের

  চট্টগ্রামে ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?