বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
SHARE

শনিবার, ০৭ অক্টোবর, ২০১৭, ০১:২৯:৫২

চট্টগ্রামে হেফাজত কর্মীদের হাতে তিন সাংবাদিককে মারধরের শিকার

চট্টগ্রামে হেফাজত কর্মীদের হাতে তিন সাংবাদিককে মারধরের শিকার

চট্টগ্রামঃ-চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিক সংগঠনটির একদল কর্মীর মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রহৃতরা হলেন- চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদক জোবায়ের মনজুর, ক্যামেরাপার্সন সেলিম উল্ল্যাহ এবং বাংলাভিশনের ক্যামেরাপার্সন মো. সাইফুল ইসলাম।
চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান কামাল পারভেজ বলেন, বিকালে হেফাজতের সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার জন্য সংগঠনের নেতা মুফতি ইজাহারুল ইসলামের নাম মাইকে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তার নাম ঘোষণা করা হলেও তিনি বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাননি। এরপর মঞ্চের একপাশে মুফতি ইজাহারের অনুসারীদের সঙ্গে অন্য পক্ষের কথা কাটাকাটি হয়। দুই পক্ষের কথা কাটাকাটির বিষয়টি ভিডিওতে ধারণ করতে গেলে মুফতি ইজাহারের অনুসারীরা সেলিম উল্ল্যাহকে মারধর করে এবং তার ক্যামেরার সামনের অংশ ভেঙে দেয়। তাদের থামাতে গেলে রিপোর্টার জোবায়ের মনজুরকে কিলঘুষি মারা হয়। এ সময় পাশে থাকা বাংলাভিশনের ক্যামেরাপার্সন সাইফুল ইসলামকেও চড়থাপ্পড় মারে তারা। ’
এদিকে, হেফাজতের ঘটনায় তিন সাংবাদিক প্রহৃত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে টিভি ক্যামরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন।
রোহিঙ্গাদের জন্য মসজিদ বানানোর চেষ্টা করুন : আল্লামা শফী
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেছেন, রোহিঙ্গাদের জন্য মসজিদ, মাদ্রাসা যাতে তৈরি হয় সবাই সে চেষ্টা করবেন। গতকাল শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে মিয়ানমারে নারী-শিশুসহ নির্বিচারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন ও নির্বিচার গণহত্যা বন্ধের দাবিতে আয়োজিত মহাসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী, নায়েবে আমির আল্লামা মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী, আল্লামা নুর হোসেন কাসেমী, মাওলানা তাজুল ইসলাম, মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, ড. আহমদ আবদুল কাদের, মুফতি ফয়জুল্লাহ প্রমুখ।
হেফাজত আমির বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর সেদেশের সরকারি বাহিনী যে হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে তা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে মর্মান্তিক। নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব। রোহিঙ্গা ইস্যু রাজনৈতিক নয়, মানবিক। আমরা দায়িত্ববোধ থেকে আন্দোলন করছি।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ এবং ওআইসি মিয়ানমার সরকারকে এ সাম্প্রদায়িক ও জাতিগত নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান জানালেও মিয়ানমার সরকার তাতে কর্ণপাত করছে না। প্রতিবাদ বিক্ষোভ ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করা জরুরি।
মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, অং সান সু চি আন্তর্জাতিক জঙ্গি। সেখানে গণহত্যার দায়ে তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার দাবি জানাই। একই সঙ্গে সরকারকে কূটনৈতিকভাবে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ এবং তাতে ফল না এলে সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি জানাই।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

পুলিশের আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক বলেছেন, ‘দেশকে জঙ্গি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে হলে পুলিশের পাশাপাশি জনগণকে কাজ করতে হবে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন?