সোমবার, ১৯ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ০৭:৩০:২৯

‘চ্যানেল আই গানের রাজা’ খুলনার লাবিবা

‘চ্যানেল আই গানের রাজা’ খুলনার লাবিবা

বিনোদন ডেস্কঃ-সারাদেশের ৫ হাজার প্রতিযোগী টপকে প্রথমবারের মতো আয়োজিত চ্যানেল আই ‘গানের রাজা’ হলো খুলনার ফাইরুজ লাবিবা। পুরস্কার হিসেবে সে পেয়েছে ৫ লাখ টাকা।
প্রথম রানার্স-আপ হয়ে ৩ লাখ টাকা পেল নেত্রকোনার শফিকুল ইসলাম এবং দ্বিতীয় রানার্স-আপ হিসেবে ২ লাখ জিতে নিল ময়মনসিংহের সিঁথি সরকার।
‘এসিআই এক্সট্রা ফান কেক ‘চ্যানেল আই গানের রাজা’ পাওয়ার্ড বাই এসিআই পিওর স্পাইসেস’র গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। শুক্রবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সেখান বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
সংগীতের মহোৎসবে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, চ্যানেল আইয়ের বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, চ্যানেল আইয়ের পরিচালক মুকিত মজুমদার বাবু, এসিআই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আলমগীর, সাবেক সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরসহ দেশের সংগীতাঙ্গানের বিজ্ঞ অনেকেই।
গানের রিয়্যালিটি শো’র গ্র্যান্ড ফিনালে আসরের বাড়তি চমক ছিল চিত্র তারকাদের পরিবেশনা। বিজয়ীদের নাম ঘোষণার আগে জনপ্রিয় গানে পারফর্ম করেন পূর্ণিমা, রোশান, পরীমনি। কোরিওগ্রাফি করেন তানজীল আলম এবং ইভান শাহরিয়ার সোহাগ। এছাড়া প্রতিযোগীদের সঙ্গে গান পরিবেশন করেন এস আই টুটুল, তপন চৌধুরী, আগুন, ডলি সায়ন্তনি, তপু।
চূড়ান্ত পর্বে অতিথি বিচারক ছিলেন উপমহাদেশের জনপ্রিয় সংগীত তারকা কিংবদন্তী কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা। তার সঙ্গে ছিলেন নিয়মিত আসরের বিচারক ইমরান মাহমুদুল ও সোমনূর মনির কোনাল।
‘গানের রাজা’ অনুষ্ঠানটির পরিচালনা করেন তাহের শিপন। ঢাকাসহ দেশের সাতটি বিভাগে অডিশনের মাধ্যমে প্রাথমিক প্রতিযোগী নির্বাচন শুরু হয় গত বছর নভেম্বর থেকে। সবগুলো বিভাগ থেকে সেরা ৫০ জন ‘গানের রাজা’ নিয়ে ১৮ ডিসেম্বর থেকে চ্যানেল আইতে প্রচারে শুরু হয় মেগা অডিশন।
একে একে বিভিন্ন সেগমেন্ট অতিক্রম করে চূড়ান্ত পর্বের জন্য রাখা হয় ৫ প্রতিযোগীকে। তাদের মধ্য থেকে আজ মাথায় উঠলো শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট। বরাবরের মতো গ্র্যান্ড ফিনালে আয়োজনে উপস্থপনায় ছিলেন লাক্স তারকা মুমতাহিনা টয়া ও শিশু শিল্পী সাহির আমান খান।

এই বিভাগের আরও খবর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?