শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৭:৪৬:৪৪

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর আয়োজনে রাঙ্গামাটিতে তিনদিন ব্যাপী নাট্য উৎসব শুরু

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর আয়োজনে রাঙ্গামাটিতে তিনদিন ব্যাপী নাট্য উৎসব শুরু

ডেস্ক রিপোর্টঃ-ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর আয়োজনে রাঙ্গামাটিতে তিনদিনব্যাপী শুরু হয়েছে নাট্য উৎসব।
শনিবার (১৯ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট অডিটরিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নাট্য উৎসবের উদ্বোধন করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা। এ সময় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক (ভাঃ) রুনেল চাকমা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন পরিচালক সুগত চাকমা, রাঙ্গামাটি সূর নিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান সঙ্গীত শিক্ষক মনোজ বাহাদুর গুর্খা’সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নের্তবৃন্দরা।
নাট্য উৎসব উদ্বোধনকালে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেন, একটি জাতির প্রধান পরিচয় হচ্ছে তার ভাষা ও সাংস্কৃতি। তিনি বলেন, বাংলা ভাষার পাশাপাশি আমাদের পার্বত্যঞ্চলে রয়েছে বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। রয়েছে তাদের নিজস্ব ভাষা ও সাংস্কৃতি। তাদের সাংস্কৃতিকে চর্চা ও তুলে ধরার জন্য নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটসহ যারা কাজ করে যাচ্ছে তাদেরকে অনেক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নৃ-গোষ্ঠীদের উন্নয়নে সর্বদা কাজ যাচ্ছে। পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা যাতে তাদের নিজস্ব ভাষায় পড়ালেখা করতে পারে সে লক্ষে নৃ-গোষ্ঠীদের ভাষা অক্ষরে বই প্রদান করছে। শিক্ষাথীদের সঠিকভাবে পড়ানোর জন্য জেলা পরিষদ হতে শিক্ষকদের নৃ-গোষ্ঠীদের ভাষা অক্ষরের উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। যা অব্যহৃত থাকবে। তিনি পার্বত্যঞ্চলে বসবাসরত সকল ধর্ম-বর্নের মানুষের উন্নয়ন ও কল্যানে  সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
তিনদিনব্যাপী নাট্য উৎসবে শনিবার রাঙ্গামাটি জুম ফুল থিয়েটারের পরিবেশনায় চাকমা নাটক আদেই ধন, রবিবার খাগড়াছড়ি য়ামুক নাট্যগোষ্ঠীর পরিবেশনায় ত্রিপুরা নাটক কিয়ক্খা ও সোমবার শেষদিনে রাঙ্গামাটি ফু-কালাং সাংস্কৃতিক একাডেমীর পরিবেশনায় তঞ্চঙ্গ্যা নাটক গিঙিলি মঞ্চস্থ করা হবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?