মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৮, ০৮:৩৬:০৪

রোয়াংছড়িতে বৌদ্ধদের প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে পুরোদমে প্রস্তুতি

রোয়াংছড়িতে বৌদ্ধদের প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে পুরোদমে প্রস্তুতি

রোয়াংছড়িঃ-বর্ণিল আয়োজনে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা ৭৯টি বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের প্রবারণা পূর্ণিমার উদযাপনের উপলক্ষ্যে নানা শ্রেণির পেশার মানুষ নারী, পুরুষ, কিশোর, কিশোরী এবং যুব-যুবতী মিলে মিশে পুরোদমে প্রস্তুতি চলছে।
বৌদ্ধদের ধর্মের মহোৎসব হচ্ছে মাহা ওয়াগ্যোয়াই পোয়ে: বা প্রবারনা পূর্ণিমা ৫দিন ব্যাপি উদযাপিত হবে। এ উৎসবকে ঘিরে রঙবে রঙে সাজিয়ে সজিত করেছে বৌদ্ধ বিহারকে।
সূত্রে জানা গেছে, বৌদ্ধ ভিক্ষুরা আষাঢ়ী পূর্ণিমার থেকে প্রবারনা পূর্ণিমা পর্যন্ত ৩মাস ব্যাপি তপসারত বা বর্ষবাসরত থাকে। এই ৩মাসে বর্ষবাসের পর ভক্তের বৌদ্ধদের প্রধান ধর্র্মীয় উৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করে থাকে।
ঐতিহ্যবাহিক পিঠা তৈরী, ফানুস উড়ানো, বয়োজ্যেষ্ঠদের পূজা উপকরণ সংগ্রহ, ভিক্ষু সংঘদের উদ্দেশ্যে পিন্ড দান, বুদ্ধ প্রতিবিম্ব স্নান, হাজার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, কড়ইল পঙ্খীরাজ সহ সাংস্কৃতিক আয়োজনে মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রবারনা পূর্ণিমা উৎসব আগামী ২৪শে অক্টোবর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উৎসব উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মংহাইনু মারমা বলেন, প্রবারনা পূর্ণিমা লক্ষ্যে অনুুষ্ঠানে ভক্তদের আকর্ষণীয় হিসেবে এবারের তৈরী করা হচ্ছে কড়ইল পঙ্খী রাজের রথ যাত্রা। প্রবারনা উৎসবকে ঘিরে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে উৎসব উদযাপন কমিটি। বিভিন্ন সম্প্রদায় মানুষ এ উৎসবের উপভোগ করতে পারবেন।
রোয়াংছড়ি ১নং সদর ইউপি চেয়ারম্যান চহ্লামং মারমা জানান, যথাযথ ধর্মীয় উৎসব পালনে সরকার থেকে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে প্রত্যেকটি বৌদ্ধ বিহারকে ৫শত কেজি খাদ্য শস্য চাল বরাদ্দে দেয়া হবে বলে জানা গেছে। কমিটির উপদেষ্টামন্ডলী ও উপজেলা চেয়ারম্যান ক্যবামং মারমা জানায় প্রবারনা পূর্ণিমার শান্তি পূর্ণভাবে উদযাপন করতে পারে, সে দিকে লক্ষ রেখে উপজেলার পরিষদের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে। এই মহা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশ বাসিদের জন্যে মঙ্গল কামনার্থে প্রার্থনা করা হবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, গুজব সনাক্তকরণে যে সেল করা হয়েছে, তা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণ বা সোশ্যাল মিডিয়া পুলিশিং করবে না। আপনি কি এতে আশ্বস্ত?