বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৮, ০৯:২০:৪৯

তপোবন অরণ্য কুটিরে প্রবারণানুষ্ঠান উদযাপন

তপোবন অরণ্য কুটিরে প্রবারণানুষ্ঠান উদযাপন

রাঙ্গামাটিঃ-রাঙ্গামাটি জেলার বালুখালী ইউনিয়নের কাইন্দা মরিচ্যাবিল এলাকার অন্যতম রাজবন বিহারের শাখা বিহার তপোবন অরণ্য কুটিরে প্রবারণানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু হয় বিভিন্ন দানানুষ্ঠান। দূর-দূরান্ত থেকে সমবেত হয় হাজারো পুণ্যার্থীর ঢল। বুদ্ধ কি..? জয়, ধর্ম কি..? জয়, সংঘ কি ..জয় এবং সাধু সাধু সাধু ধ্বনিতে প্রবারণা অনুষ্ঠানটি উদযাপিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই ভিক্ষু সংঘকে সম্মাননা স্বারক প্রদান ও ফুলের তোরা দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পুরো অনুষ্ঠান মঞ্চ পুণ্যার্থীদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠে। পরে জয়ন্তী চাকমা ও তাপসী চাকমার উদ্বোধনী ধর্মীয় সংগীতের মাধ্যেমে শুরু হয় প্রবারণা অনুষ্ঠান। নিজ সংস্কৃতি বিকাশ ও প্রচারের তাগিদে সম্পূর্ণ চাকমা ভাষায় অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পূর্বাশা চাকমা ও স্বর্ণালী চাকমা। পঞ্চশীলে দীক্ষিত হওয়ার পর বিশেষ প্রার্থনা পাঠ করেন অনিল বিকাশ চাকমা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ৬ নং বালুখালী ইউপি চেয়ারম্যান বিজয়গিরি চাকমা,তিলক চন্দ্র চাকমা, সুধাশংকর চাকমা প্রমূখ।
দেব মানবের হিতসুখ ও মঙ্গলার্থে বুদ্ধমুর্তি দান, সংঘদান,অষ্টপরিস্কার দান, হাজার প্রদীপ দান, চীবর দান সহ নানা বিধ দান অনুষ্ঠিত হয়।
প্রবারণার তাৎপর্য, অহিংসার ফল, দান, শীল, ভাবনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক উল্লেখ পূর্বক পুণ্যার্থীদের মাঝে স্বধর্ম দেশনা প্রদান করেন রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান ও বিহার অধ্যক্ষ শ্রীমৎ প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির, সুমন মহাস্থবির ও তপোবন অরণ্য কুটিরের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ জিনপ্রিয় মহাস্থবির।
এছাড়া অনুষ্ঠানের শেষে নারী-পুরুষ দু’ভাগে ভাগ করে প্রবারণা অধিস্তান করা হয়। অতীতের সমস্ত ভুল গুলো স্বীকার পূর্বক ভিক্ষু সংঘের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কার হয়।
উল্লেখ্য, আশ্বিনী বা প্রবারণা পূর্ণিমা বৌদ্ধদের কাছে এক অবিস্মরণীয় দিন। প্রবারণা বৌদ্ধ ধর্মীয় অনুশাসনের অন্যতম এক ধর্মীয় উৎসব যাকে আত্মঅন্বেষণ ও আত্মসমর্পনের তিথি বলা যায়। আবার এই দিনে পূর্ণাঙ্গ অভিধর্ম দেশনা সমাপ্ত হওয়ায় এই দিবসকে অভিধর্ম দিবসও বলা হয়।

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিএনপির বিভিন্ন অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন বানচালের জন্য তারা এসব অজুহাত তুলছে। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?