সোমবার, ১৯ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৯, ০৯:১৩:১০

এখনি পদক্ষেপ না নিলে নদী ভাঙ্গনে হারিয়ে যাবে লামার ইয়াংছা মাদ্রাসা

এখনি পদক্ষেপ না নিলে নদী ভাঙ্গনে হারিয়ে যাবে লামার ইয়াংছা মাদ্রাসা

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামাঃ-লামার ইয়াংছা খালের স্রোতের ধাক্কায় প্রবল ভাঙ্গনে হারিয়ে যেতে বসেছে দ্বীনি প্রতিষ্ঠান “ইয়াংছা মাদ্রাসা ফয়জুল উলুম হামিউচ্ছুন্নাহ হেফজখানা ও এতিমখানা”। ১৯ বছরের পুরাতন এই ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি রক্ষায় সরকারের জরুরী পদক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসি।
মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, এখনি পদক্ষেপ না নিলে দু’পাশের ভাঙ্গনের কারণে অচিরে মাদ্রাসাটি হারিয়ে যাবে। ইতিমধ্যে মাদ্রাসাটির দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশের অধিকাংশ জায়গা নদী গর্ভে চলে গেছে। মসজিদের অজুখানা ও একাডেমি ভবন ভেঙ্গে পড়েছে। দ্রুত নদীতে গার্ডওয়াল দিয়ে খালের পানির গতি পরিবর্তন না করলে মাদ্রাসাটি রক্ষা করা যাবেনা।
সূত্রে জানা যায়, ১লা জানুয়ারী ২০০০ইং সালে লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইয়াংছা কাঁঠালছড়া এলাকায় এই দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই থেকে অত্র এলাকায় সুনামের সাথে প্রতিষ্ঠানটি মাদ্রাসা, হেফজখানা ও এতিমখানা পরিচালনার মধ্য দিয়ে ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে আসছে। স্থানীয় ও সরকারের নানা বিভাগের সহায়তায় ভালই চলে আসছিল মাদ্রাসাটি। বর্তমানে উক্ত প্রতিষ্ঠানে মাদ্রাসা শাখায় প্লে থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ২শত শিক্ষার্থী, ৬ষ্ট থেকে ৭ম শ্রেণী পর্যন্ত ৫০ জন শিক্ষার্থী, এতিমখানায় ২২জন শিশু অধ্যায়নরত রয়েছে। মাদ্রাসাটিতে সকালে পরিচালিত মোক্তবে ২ শতাধিক শিশু দ্বীনি শিক্ষা গ্রহণ করে। ১২ জন শিক্ষক ও একটি সুন্দর পরিচালনা কমিটি দ্বারা মাদ্রাসাটি পরিচালিত হয়ে আসছে।
ইয়াংছা মাদ্রাসা ফয়জুল উলুম হামিউচ্ছুন্নাহ হেফজখানা ও এতিমখানার পরিচালক মাওলানা আব্দুল মালেক বলেন, মাদ্রাসার ক্লাস অব্যাহতভাবে বৃদ্ধির কারণে আর্থিক অবস্থা ভালনা। এছাড়া শিক্ষার্থী বৃদ্ধির কারণে নতুন ভবনের কাজ চলছে। সকলের সাহায্য সহায়তা নিয়ে কোনমতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু হঠাৎ করে ইয়াংছা খালের পানির স্রোতে মাদ্রাসা ভবন ও স্থাপনা ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। নিজস্ব তহবিল না থাকায় ভাঙ্গনরোধে পদক্ষেপ নেয়া যাচ্ছেনা। আমরা পার্বত্য মন্ত্রী, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, লামা উপজেলা প্রশাসনের জরুরী সহায়তা কামনা করছি।
স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আপ্রুচিং মার্মা বলেন, অত্র মাদ্রাসাটি ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৭,৮,৯,৪ ও ১নং ওয়ার্ডের একমাত্র ধর্মীয় দ্বীনি প্রতিষ্ঠান। মাদ্রাসাটি রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।
ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান জাকের হোসেন মজুমদার বলেন, ভাঙ্গনের স্থান পরিদর্শন করেছি। অতি স্বল্প সময়ে ব্যাপকভাবে ভেঙ্গে গেছে মাদ্রাসাটি।  
বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন, লামা উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল।

এই বিভাগের আরও খবর

  বান্দরবানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকা-চট্টগ্রাম যাত্রীবাহি যানবাহনে মশার ওষুধ স্প্রে ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন অভিযান

  টানা ছুটিতে আশানুরূপ পর্যটক নেইঃ অর্থনৈতিক ভাবে বিপর্যয়ে পড়বে পর্যটন শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা

  সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লামা শাখা অফিস উদ্বোধন

  বাংলাদেশ এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি নয়-পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর

  বান্দরবানে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি

  থানচিতে বন্যাদুর্গতদের মাঝে চাউল বিতরন

  প্রতারণা মামলায় আলীকদমে স্কুল শিক্ষক গ্রেফতার

  ১৫ আগষ্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অশ্রু ভেজা ও কলঙ্কময় অধ্যায়-পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর

  লামায় উপজেলা প্রশাসন ও আ’লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত

  থানচিতে জাতীয় শোক দিবস পালন

  আলীকদমে ভাব গাম্ভির্যের সাথে জাতীয় শোক দিবস পালিত

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?