শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০১৯, ০৪:০৩:০৭

পুরো বছরের ১৮ লক্ষ ঘনফুট পাথর উত্তোলনঃ লামায় ২৫ জনের নামে পরিবেশ অধিদপ্তরের দুই মামলা

পুরো বছরের ১৮ লক্ষ ঘনফুট পাথর উত্তোলনঃ লামায় ২৫ জনের নামে পরিবেশ অধিদপ্তরের দুই মামলা

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামাঃ-বান্দরবানের লামায় নির্বিচারে পাথর উত্তোলন ও পাচারের সাথে জড়িত ২৫ জন পাথর ব্যবসায়ীকে বিবাদী করে পৃথক দুইটি  মামলা করেছে পরিবেশ অধিপ্তর বান্দরবান। মামলায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত- ২০১০) এর ধারা ৪(২), ৬(খ), (ঙ) এবং ১২ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হয়েছে।
লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা জানান, বুধবার (১৯ জুন) পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান এর পরিদর্শক নাজনীন সুলতানা নীপা বাদী হয়ে মামলা দুইটি রুজু করেন। উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বনপুর অংশের জন্য করা মামলায় ৯ জনকে ও ইয়াংছা অংশের জন্য করা মামলায় ১৬ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। এছাড়া দুই মামলায় ১২ জনকে অজ্ঞাতনামায় রাখা হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মামলা দুইটি বৃহস্পতিবার (২০ জুন) আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। লামা থানা মামলা নং ১০/৫৪ এবং ১১/৫৫, তারিখ ১৯ জুন ২০১৯ইং।
বনপুর অংশের জন্য করা মামলা ১০/৫৪ সূত্রে জানা যায়, এই মামলায় ৯ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। বিবাদীরা হল, মো. মহিউদ্দিন (৪১), জামাল উদ্দিন ফকির (৫৫), হুমায়ন কবির (৫০), ওমর হামজা (৪৮), মনু মেম্বার (৫৫), মো. এনাম (৪০), মো. ফরহাদ (৪২), মুছলে উদ্দিন (৪৮) ও গিয়াস উদ্দিন (৪৫)।  
ইয়াংছা অংশের জন্য করা মামলা ১১/৫৫ সূত্রে জানা যায়, এই মামলায় ১৬ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। বিবাদীরা হল, ইউনুস সর্দার (৬৫), মনসুর ড্রাইভার (৫০), হোসেন ড্রাইভার (৩৫), মো. হামিদ (৩০), ইলিয়াছ (৩৫), অহিদ (৩৫), মো. মোস্তফা কামাল ছোট্টু (৪০), মো. মিজান (৩৫), নাজিম উদ্দিন মাষ্টার (৪৫), মুজিবুর রহমান (৪৮), মো. মুমিন (৪০), লোকমান (৩৮), মো. ওসমান (৩৫), আনছার উদ্দিন (৩৬), রোমেশ (৩৩) ও মো. ইউসুফ (৩৩)।
নাম প্রকাশ না করা সত্ত্বে স্থানীয় অনেকে বলেন, মামলা হতে অনেক বড় বড় ব্যবসায়ীদের নাম বাদ পড়েছে। এছাড়া দুই মামলায় উল্লেখ ইয়াংছা ও বনপুর অংশে ৫ লক্ষ ঘনফুট মজুদ পাথর ব্যবসায়ীরা নিয়ে যাচ্ছে।
মামলা দুইটির বাদী নাজনীন সুলতানা নীপা বলেন, গত ১২ জুন ২০১৯ইং দিনব্যাপী লামা উপজেলা ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে লামা উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান যৌথ উদ্যোগে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করি। সরজমিনে প্রতীয়মান হয় যে, পুরো বছরে বনপুর ও ইয়াংছা এলাকায় হতে মোট ১৮ লক্ষ ঘনফুট পাথর উত্তোলন করা হয়েছে। এরমধ্যে অধিকাংশ পাথর পাচার হয়ে গেছে। বর্তমানে উল্লেখিত দুইটি অংশে ৫ লক্ষ ঘনফুট পাথর মজুদ দেখা গেছে। বিষয়গুলো এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবানের সিনিয়র কেমিস্ট এ.কে.এম ছামিউল আলম কুরসি বলেন, মামলার কার্যক্রম চলমান থাকবে। আগামীতে আরো কেউ যদি অবৈধ পাথর উত্তোলন ও পাচারের সাথে জড়িত হয় জানা গেলে তাদের বিরুদ্ধেও পরিবেশ আইনে মামলা করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

  লামায় হাতি দিয়ে বৃক্ষ উজাড়, শিকলবন্ধী ১২টি হাতি

  সকল উন্নয়ন কাজের গুনগত মান বজায় রেখে কাজ করুন-বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি

  থানচি উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আলীকদমের ডিম পাহাড় দখলের অপচেষ্টার মানববন্ধন

  লামায় ৩ শত কর্মজীবি মা পেলেন পুষ্টি উন্নয়ন ভাতা

  থানচিতে ১০টাকা কেজি চাউল বিতরন

  সেবা ও অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের কলসেন্টার ‘৩৩৩’ এর প্রচারণার লক্ষে বান্দরবানে সাংবাদিক সম্মেলন

  এ বিদ্যালয়ে ভর্তির আগে সাঁতার শিখতে হয় !

  নাইক্ষ্যংছড়ি ইউপি নির্বাচনঃ নুর মোহাম্মদের প্রত্যাহার, বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত আলী হোসেন

  এনজিওতে নিয়োগের অনিয়মের বিরুদ্ধে আলীকদমে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

  বান্দরবানে দুদকের হানা, গ্রেফতার সদর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ক্যচিং অং মার্মা

  সংঘাতের পর নাইক্ষ্যংছড়ি মাদরাসায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম, উৎকন্ঠায় অভিভাবকরা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

আওয়ামী লীগের দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকারের অনেক মন্ত্রী দুদকে হাজিরা দিচ্ছেন, আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী জেলে আছেন। তার এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?