শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১২ এপ্রিল, ২০১৮, ০৮:২২:৫৮

বান্দরবানে বর্ণাঢ্য আয়োজনে তঞ্চঙ্গ্যা ও চাকমা সম্প্রদায়ের ফুল বিষু, বিজু ও ঘিলা খেলা

বান্দরবানে বর্ণাঢ্য আয়োজনে তঞ্চঙ্গ্যা ও চাকমা সম্প্রদায়ের ফুল বিষু, বিজু ও ঘিলা খেলা

বান্দরবানঃ-পার্বত্য জেলা বান্দরবানে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ গোষ্টি সম্প্রদায়ের জনসাধারণ পুরাতন বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে শুরু করেছে নানা কর্মসুচী।
বৃহস্পতিবার (১২ এপ্রিল) সকালে বান্দরবান সাংগু নদীর তীরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টির তঞ্চঙ্গ্যা ও চাকমা সম্প্রদায় সাঙ্গু নদীর পানিতে ফুল বিসর্জন দিয়ে শুরু করে ফুল বিষু উৎসব, আর দিনব্যাপী নানা বর্ণিল অনুষ্টানের মধ্য দিয়ে চলে পুরাতন বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর আহবান।
পুরাতন গ্লানি মুছে নতুন বছরকে আগমনের শুভেচ্ছা জানাতে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে শুরু হয়েছে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্টি সম্প্রদায়ের বিভিন্ন আয়োজন। বৃহস্পতিবার সকালে বান্দরবান সাংগু নদীর তীরে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্টির চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায় পানিতে ফুল বিসর্জন দিয়ে শুরু করে ফুল বিষু উৎসবের। এসময় বিভিন্ন পাড়া ও গ্রামের তঞ্চঙ্গ্যা ও চাকমা সম্প্রদায়ের যুবক-যুবতীরা একত্রিত হয়ে পানিতে ফুল বির্সজন দিয়ে পুরাতন গ্লানি মুছে ফেলে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়। পুরোনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর এই আনন্দ এখন বইছে পুরো বান্দরবান জেলায়।
ফুল বিষু শেষ করে আদিবাসী তরুণ তরুণীরা জড়ো হয় বান্দরবান সদরের বালাঘাটা বিলকিছ বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে। এসময় তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের তরুণ তরুণীরা মেতে ওঠে ঘিলা খেলা উৎসবে। তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের বিশ্বাস আদিকালে এক প্রেমিক যুগল এই ঘিলা খেলা খেলে তাদের ভালোবাসা পরিপূর্ণ করেছিল, আর এই বিশ্বাস থেকেই তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায় প্রতিবছরই এই ঘিলা খেলায় মেতে ওঠে। ঘিলা খেলা হলো জঙ্গলি লতায় জন্মানো এক প্রকার বীজ। এই বীজ দিয়ে তঞ্চঙ্গ্যারা খেলা করে। তঞ্চঙ্গ্যারা বিশ্বাস করে, ঘিলার লতার ফুল থেকে এই বীজের জন্ম আর পৃথিবীতে যারা জন্ম গ্রহন করে তারাই এই বীজ দেখতে পায়। আর বীজের ব্যবহারে অপদেবতা সহ সকল দু:খ চলে যায় আর নিজ নিজ পরিবারে সুখ শান্তি নেমে আসে, তাই প্রতিবছর বিষুর দিনে তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায় পুরাতন বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরের আগমনে এই ঘিলা খেলার মাধ্যমে সুখ শান্তির প্রত্যাশা করে।
প্রতিবছরের মত এবারে ও বর্নাঢ্য আয়োজনে এই ঘিলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, আর জেলা ও উপজেলার ৩২ টি টিম এই ঘিলা খেলায় অংশ নিচ্ছে। ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দিপনার সাথে এই উৎসব আয়োজন করতে পারায় মহা খুশি তাই আয়োজকেরা।
নানা আনুষ্টানিকতার মধ্য দিয়ে পার্বত্য এলাকা বসবাসরত ম্রো, তঞ্চঙ্গ্যা, চাকমা, মারমা, ত্রিপুরাসহ ১১টি নৃ গোষ্টি বিভিন্ন আয়োজনে মধ্য দিয়ে বছর বিদায় আর নববর্ষ উদযাপন করবে আর ১৬ এপ্রিল এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে।

এই বিভাগের আরও খবর

  বঙ্গবন্ধু মুক্তির সংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন বলেই আজ আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি-বীর বাহাদুর এমপি

  থানচিতে ঈদুল আযাহা উপলক্ষে ভিজিএফ চাল পেল ১৬শত ৩৫ পরিবার

  বান্দরবান অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

  লামায় ড্রেন থেকে লাশ উদ্ধার; পরিবারের দাবী খুন

  নাইক্ষ্যংছড়ির মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ বন্য হাতি

  বান্দরবানে ও যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস

  লামায় উপজেলা প্রশাসন ও আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত

  থানচিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শোক দিবস পালন

  সকলের সচেতনতাই পারে সকল প্রকার দূর্ঘটনা প্রতিরোধ করতে-বীর বাহাদুর এমপি

  বান্দরবানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে স্প্রে মেশিন ও মাছের পোনা বিতরণ করলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

  লামার ইয়াংছা-বনপুর সড়কের ৯ কিলোমিটার মানুষের মরণফাঁদ !

  0

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

অনগ্রসর বিবেচনায় নারী, নৃগোষ্ঠীদের জন্য জন্য সরকারি চাকরিতে যে কোটা রয়েছে, তা তুলে দেওয়ার পক্ষে মত জানিয়ে কোটা পর্যালোচনা কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেছেন, অনগ্রসররা এখন অগ্রসর হয়ে গেছে। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?