বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৭:১০:৪৭

শিক্ষা অফিসের বদলী বাণিজ্যের কারণে ১১৮জন শিক্ষার্থীর ভাগ্য অনিশ্চিত

শিক্ষা অফিসের বদলী বাণিজ্যের কারণে ১১৮জন শিক্ষার্থীর ভাগ্য অনিশ্চিত

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামাঃ-বান্দরবানের লামায় চাম্পাতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বদলীজনিত কারণে মঙ্গলবার সকালে বিদ্যালয় মাঠে মানববন্ধন করেছে স্কুল পরিচালনা কমিটি ও এলাকাবাসি। বার্ষিক সমাপনী পরীক্ষা চলাকালিন সময়ে বদলী আদেশ করায় স্কুল ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকরা পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। এতে করে স্কুলের শিশু শ্রেণী হতে ৪র্থ শ্রেণী পর্যন্ত ১১৮ জন শিক্ষার্থী ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।  
জানা গেছে, গত ২ নভেম্বর ২০১৭ইং বান্দরবান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ের ৩৮.০১.২০০৩. ০০০.১৯.০০৯.১৭.১৮ নং স্মারকে প্রেরিত চিঠি মুলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইলিয়াছ কে দরদরী পাড়া সরকারী প্রাঃ বিদ্যালয়ে বদলী করা হয় এবং লামা উপজেলা শিক্ষা অফিসকে তা বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রদান করে। উপজেলা শিক্ষা অফিস ১১ ডিসেম্বর ২০১৭ইং সোমবার উক্ত প্রধান শিক্ষককে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ প্রদান করে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে এই বদলী আদেশের কথা জানতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়ে অভিভাবক ও এলাকাবাসি।
স্কুলের অভিভাবক জুবাইদা খানম, আব্দুর শুক্কুর, জাফর আলম ও সুন্দরী মার্মা সহ অনেকে বলেন, শিক্ষা অফিসের বদলী বাণিজ্যের কারণে আমাদের ছেলে-মেয়েরা কেন ভোগান্তিতে পড়বে ? তাদের সামান্য বিবেক থাকলে পরীক্ষার আগে স্কুলের শিক্ষককে বদলী করতেন না। আমরা প্রধান শিক্ষকের এই বদলী আদেশ প্রত্যাহারের জোর আবেদন জানাতে মানববন্ধন করেছি। আমাদের দাবি না মানলে আগামীকাল থেকে বাচ্চাদের পরীক্ষা দিতে স্কুলে পাঠাব না এবং এর যাবতীয় দায়দায়িত্ব শিক্ষা অফিসকে নিতে হবে।
স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও লামা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, চাকরীতে বদলী থাকবেই। তা বলে পরীক্ষা চলাকালিন সময়ে বদলী মেনে নেয়া যায়না। স্কুলের সকল শিক্ষকরা মহিলা, শুধু মাত্র প্রধান শিক্ষক ছিলেন পুরুষ। এই শিক্ষকটাকেও বদলী করে আরেকজন মহিলা শিক্ষককে দেয়া হয়েছে। সব মহিলা শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা অসম্ভব। এছাড়া প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইলিয়াছ স্কুলের প্রতি অনেক যতœবান ও দায়িত্ববান ছিলেন।
লামা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার যতীন্দ্র মোহন মন্ডল বলেন, জেলা শিক্ষা অফিসের আদেশ আমরা মান্য করেছি। তবে পরীক্ষার কথা ভেবে তাকে সমাপনী পরীক্ষা শেষে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য বলা হয়েছে।
এবিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (অ:দা:) রিটন কুমার বড়ুয়া বলেন, আমরা বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশক্রমে এই বদলী আদেশ প্রেরণ করেছি। চাকরীতে বদলী স্বাভাবিক বিষয়। এটাকে পুঁজি করে কেউ কোমলমতি ছেলে-মেয়েদের পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত করলে ফলাফল ভাল হবেনা। উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি স্কুল পরিচালনা কমিটির সাথে আলোচনা করে শেষ করতে বলা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

  বান্দরবানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নৌকায় ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  বান্দরবানে জমে উঠেছে আওয়ামীলীগের বীর ও বিএনপির রাজপুত্রের লড়াই

  লামায় গভীর রাতে কয়েকটি গ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপের হানা

  নানা কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে লামায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

  বিজয়ের আনন্দে থানচিতে মহান বিজয় দিবস পালন

  বান্দরবানে গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু

  নির্বাচিত হলে থানচি উপজেলা শিক্ষা ক্ষেত্রে এক রোল মডেল হিসাবে পরিনত করব-সাচিং প্রু জেরী

  বান্দরবানের ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার

  আলীকদমে পুলিশি অভিযানে ২শত পিস ইয়াবা সহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার

  লামায় ৪টি দেশীয় বন্দুকসহ ২ জন আটক

  থানচিতে প্রতিপক্ষের গুলিতে এক হেডম্যান আহত

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিএনপির বিভিন্ন অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন বানচালের জন্য তারা এসব অজুহাত তুলছে। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?