শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০৬:৪৯:৩৮

আওয়ামীলীগ সরকারই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের সাংবিধানিক ভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে-বীর বাহাদুর এমপি

আওয়ামীলীগ সরকারই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের সাংবিধানিক ভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে-বীর বাহাদুর এমপি

লিটন ভট্টচার্য্য রানা, খাগড়াছড়িঃ-আওয়ামীলীগ সরকারই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের সাংবিধানিক ভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এখন চাকমা, মারমা, ত্রিপুরাসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠী নিজেদের পরিচিত করার সুযোগ পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর ঊশেসিং এমপি।
শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে খাগড়াছড়ি টাউন হলে মারমা উন্নয়ন সংসদের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ও ত্রিবার্ষিক সাধারণ সভা ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বীর বাহাদুর ঊশেসিং এমপি আরও বলেন, কোন সম্প্রদায়ের ভাষা, সংস্কৃতি ও কৃষ্টি যেন হারিয়ে না যায় সে লক্ষ্যে গত শিক্ষা বর্ষ থেকে জাতীয় পাঠ্যক্রমে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাসহ ৫ জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষায় শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়েছে। ভবিষ্যতে এই কার্যক্রমের সম্প্রসারণ হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীরা যেন পিছিয়ে না থাকে সেজন্য বিশ^বিদ্যালয়, মেডিকেল ও প্রকৌশল কলেজ স্থাপনা করা হচ্ছে। উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ পরিচালনার জন্য স্থিতিশীল পরিবেশ প্রয়োজন জানিয়ে পাহাড়ী বাঙালীর সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে আগামী উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকার পক্ষে ভোট চান বীর বাহাদুর ঊশেসিং এমপি।
ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী পুনর্বাসন টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানে একমাত্র আওয়ামীলীগ সরকার আন্তরিক। যার প্রমাণ রেখেছে ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে। আগামীতে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় না আসলে পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানে কেউ থাকবে না বলেও জানান তিনি।
মারমা উন্নয়ন সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি চাইথোঅং মারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী পুনর্বাসন টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, এমপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়নের অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হামিদুল হক, জেলা প্রশাসক মো: শহীদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আহমার উজ্জামান, পৌর মেয়র রফিকুল আলম অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন।
অনুষ্ঠানে মারমা সম্প্রদায়ের ইতিহাস ও সংস্কৃতি উপর গবেষণামূলক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
এর আগে, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে নির্মিত বিভিন্ন উন্নয়ন খাগড়াছড়ি কেন্দ্রীয় শাহী জামে মসজিদ ২য় ৩য় তলায় টাইন্স বসানো ও মারমা উন্নয়ন কমিউনিটি সেন্টার এর উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর ঊশেসিং এমপি।
উল্লেখ্য, খাগড়াছড়ি কেন্দ্রীয় শাহে জামে মসজিদ (২য় ও ৩য়) তলা নির্মাণ কাজে ব্যয় হয়েছে ৯০ লক্ষ টাকা এবং মারমা কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ কাজের ব্যয় হয়েছে ২৩৫ লক্ষ টাকা।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিএনপির বিভিন্ন অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন বানচালের জন্য তারা এসব অজুহাত তুলছে। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?