মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৭, ০১:১২:১৫

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ইন্টারনেট

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ইন্টারনেট

ডেস্ক রিপোর্টঃ-ইন্টারনেট হচ্ছে ইন্টারনেট ওয়ার্ক এর সংক্ষিপ্ত রূপ। একটা বিশেষ গেটওয়ে বা রাউটারের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলো একে-অপরের সাথে সংযোগ করার মাধ্যমে গঠিত হয় ইন্টারনেট।
ইন্টারনেটের মাধ্যমে নানা ধরনের তথ্য বিশেষভাবে বললে নানা ধরনের ডাটা আদান প্রদান করা হয়। তবে প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে মানুষের ডাটা আদান প্রদানের প্রয়োজনীয়তা যে হারে বেড়েছে সেই তুলনায় ইন্টারনেটের গতির উন্নতি হয়নি। তাই সময় এসেছে আরো উন্নত ইন্টারনেট সেবা চালু করার। এই ধারাবাহিকতায় চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ইন্টারনেটের কথা।
সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে অপটিক্যাল ফাইবারকে কাজে লাগিয়ে এখন ইন্টারনেট ব্যবস্থা কাজ করে। কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের যে ইন্টারনেটের কথা ভাবা হচ্ছে সেখানে ডাটার আদান প্রদান হবে আলোক মাধ্যমকে ব্যবহার করে, যাতে আরো দ্রুত গতিতে ডাটার আদানপ্রদান করা সম্ভব হয়।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য সবার আগে লাগবে উন্নত প্রযুক্তির কম্পিউটার, কোয়ান্টাম কম্পিউটার। কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবস্থার যে উন্নয়ন হয়েছে তা এখনো প্রযুক্তিভিত্তিক ল্যাবরেটরিগুলোতে সীমাবদ্ধ। কিন্তু ভবিব্যত্ প্রজন্মের ইন্টানেটের জন্য ব্যবহারকারীদের কাছেই থাকতে হবে এই বিশেষ প্রযুক্তির কম্পিউটার। তবে এখন পর্যন্ত যেহেতু কোয়ান্টাম কম্পিউটারই মানুষের হাতে এসে পৌঁছায়নি সেজন্য এই প্রযুক্তির বাস্তবায়ন যে খুব একটা সহজ হবে না সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই প্রযুক্তিতে শুধু ডাটা আদান প্রদান দ্রুত হবে তা নয়, এই প্রযুক্তি আগের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদও হবে।
আলো নির্ভর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে একটা উদাহরণ তুলে ধরা হয়। বলা হয়, যদি যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী কেউ অস্ট্রেলিয়াতে কারো কাছে ডাটা পাঠাতে চায় তাহলে তাকে প্রথমে যুক্তরাজ্যর গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে আলো মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে স্যাটেলাইটে সেই ডাটা প্রেরণ করতে হবে। স্যাটেলাইটটি সেই ডাটা অন্য একটি স্যাটেলাইটে স্থানান্তর করবে। সেই স্যাটেলাইটটিও আলোক মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে সেই ডাটা অস্ট্রেলিয়ার কাঙ্ক্ষিত গ্রাহকের কোয়ান্টাম কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেবে।
কোনো কোনো বিজ্ঞানী কোয়ান্টাম ইন্টারনেটকে পুরোপুরি আলো নির্ভর করার পক্ষে। কোয়ান্টাম টেকনোলজির ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের অন্যতম একজন প্রধান কর্মকর্তা জোসেফ ফিটজম্যান বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে আলো অন্য যে কোনো কিছুর থেকে ভালো। তবে এটা করা একই সঙ্গে ব্যয়বহুল এবং কঠিন। কারণ ফোটন কণার মধ্যে সব ধরনের তথ্য সংরক্ষণ করাটা যথেষ্ট কঠিন বিষয়। আলো মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের যে ইন্টারনেট প্রযুক্তির কথা ভাবা হচ্ছে তা বাস্তবায়ন করাটা যে সহজ হবে না সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।বিবিসি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?