বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ০৮ জানুয়ারী, ২০১৯, ০২:২৮:০২

রাঙ্গামাটিতে মহাসাধক ও পার্বত্য বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু বনভন্তের শততম জন্মদিন উদযাপিত

রাঙ্গামাটিতে মহাসাধক ও পার্বত্য বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু বনভন্তের শততম জন্মদিন উদযাপিত

রাঙ্গামাটিঃ-মহাসাধক ও পার্বত্য বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারের অধ্যক্ষ প্রয়াত শ্রীমৎ সাধনানন্দ মহাস্থবির বনভন্তের শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাঙ্গামাটি রাজ বন বিহারে মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারী) ভোর থেকে নানান ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ভোরে কেক কাটা, বেলুন উড়ানো ও বনভান্তের পেটিকাবদ্ধ দেহ ধাতুতে (বিশেষ কফিন) ফুলের শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।
ভোরের দিকে রাজ বন বিহার প্রাঙ্গনে ভিক্ষু সংঘের প্রধান শ্রীমৎ প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির একশ পাউন্ডের কেক কেটে শত তম জন্মদিনের শুভ সূচনা করেন। এর আগে ফেষ্টুন ও বেলুন উড়ানো হয়। এছাড়া রাজ বন বিহারের ভিক্ষু সংঘ ও বিহার পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে বন ভান্তের পেটিকাবদ্ধ দেহ ধাতুতে (বিশেষ কফিন) ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। এসময় বিহার জুরে সাধু সাধু ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো এলাকা।
এসময় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা, রাজ বন বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি গৌতম দেওয়ান, সাধারন সম্পাদক অমিয় খীসা, বালুখালী ইউপি চেয়ারম্যান বিজয়গিরি চাকমাসহ আরো অনেকে।
পরে সাধারন মানুষের জন্য শ্রদ্ধা জানানোর উন্মুক্ত করা হয়। এতে হাজারো বৌদ্ধ নরনারী ফুল নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে বন বিহার প্রাঙ্গনে ভিড় জমান। এর পর সকাল ৯টায় বিহারের প্যাগোডা মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে শততম জন্ম দিনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে হাজারো বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
উল্লেখ্য, বনভান্তে ১৯২০ সালের ৮ জানুয়ারী রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নের মোড়ঘোনা গ্রামের জন্ম গ্রহন করেন। তিনি ২০১২ সালের ৩০ জানুয়ারী ৯৩ বৎসর বয়সে পরিনির্বাণ (দেহত্যাগ) লাভ করেন। বর্তমানে বনভান্তের মরদেহটি বিজ্ঞান ও বিনয় সম্মতভাবে পেটিকাবদ্ধ (বিশেষ কফিন) অবস্থায় রাঙ্গামাটির রাজ বন বিহারে রাখা হয়েছে। বনভান্তের জন্ম দিন উপলক্ষে সাত দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আজ ছিল ধর্মীয় অনুষ্ঠানের শেষ দিন।

এই বিভাগের আরও খবর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?