মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট ,২০১৭

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৯ জুন, ২০১৭, ১০:২৫:৫৭

ঝুঁকিতে রাঙামাটির ১৫ সরকারি ভবন

ঝুঁকিতে রাঙামাটির ১৫ সরকারি ভবন

ঢাকা : ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে রাঙামাটি শহরের সরকারি ভবনগুলো। যে কোন মুহূর্তে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ধসে পড়তে পারে। এতে করে যে কোন সময় জেলার সরকারি সকল কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। প্রাণহানিরও আশংকা রয়েছে।

 

গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলীরা বলছেন, মঙ্গলবার ভোরে পাহাড় ধসের ঘটনায় রাঙামাটির সরকারি-বেসরকারি অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকিতে পড়েছে। এ তালিকায় রয়েছে পুলিশ সুপারের বাংলো, ডিসির বাংলো, রাঙামাটি টেলিভিশন উপকেন্দ্র, বেতার ভবন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের কার্যালয়, সার্কিট হাউস ভবন, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) ভবনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভবন।

 

সরকারি স্থাপনার মতো মানুষের ঘরবাড়ি, সড়ক, দোকানপাটও ঝুঁকিতে পড়েছে। রাঙামাটি শহরের রাস্তাঘাটেও ভাঙন ধরেছে। বিভিন্ন সড়কের এক পাশে বালুর বস্তা ও লাল পতাকা দিয়ে বিপজ্জনক এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবারের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অনেকেই সেখানে আশ্রয়ও নিয়েছেন। এছাড়া শিমুলতলীস্থ জেলা পাসপোর্ট অফিসের তিনতলা ভবনও একই রকম ঝুঁকিতে রয়েছে। যে পাহাড়ে এটি রয়েছে তার পাশেই একাংশ মঙ্গলবারের দুর্যোগে খাড়াভাবে ধসে গেছে। এর মধ্যে ভেদভেদী এলাকার রাঙামাটি সার্কিট হাউজ, শিমুলতলী এলাকার রেডিও স্টেশন, একই এলাকার পাসপোর্ট অফিস বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

 

এদিকে, রাঙামাটি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মোতালেব সরকার বলেন, পাসপোর্ট ভবনটি কিছুটা ঝুঁকিতে রয়েছে। এবিষয়ে আমি প্রকল্প পরিচালককে অবগত করার পর সেটি সংস্কারের জন্য বরাদ্দও চলে এসেছে, আশা করি, বৃষ্টি কমে গেলে এর কাজ শুরু হবে।

 

বাংলাদেশ বেতার রাঙামাটি কেন্দ্রের আঞ্চলিক প্রকৌশলী ভাস্কর দেওয়ান বলেন, চতুর্দিকে পাহাড় ধসে যাওয়ায় বেতার ভবন পুরোপুরি ঝুঁকিতে রয়েছে। আমাদের তিনটি টাওয়ারও ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। বেতার ভবনের প্রবেশ মুখের সড়কও ধসের ঝুঁকিতে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবনের পাম্প হাউজটিও ধসের মাটিতে তলিয়ে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় বেতার ভবন স্থানান্তর করা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।

 

এ প্রসঙ্গে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মানজারুল মান্নান বলেন, সব স্থাপনাই তো পাহাড়ের উপর। এমনিতেই তো ঝুঁকি থাকে। কিন্তু মঙ্গলবারের ঘটনায় বেশ কয়েকটি সরকারি অফিস ও বাংলো ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। পাহাড় ধস ও অধিক বৃষ্টিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা এখনো পর্যন্ত নিরুপণ করা হয়নি উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, বিপর্যয়ের পর আমরা প্রথমেই উদ্ধার তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলাম। তা শেষ হয়েছে। এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিঠি দিয়ে বলা হয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের পরিস্থিতি জানাতে। এরপরই প্রকৃত চিত্র পাওয়া যাবে বলে মনে করেন তিনি। কমপক্ষে ১৫টি সরকারি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানান তিনি।

 

এই বিভাগের আরও খবর

  আরেকটি পনেরই আগস্ট সৃষ্টি ও আওয়ামীলীগকে নেতৃত্ব শূণ্য করতে এই গ্রেনেড হামলা

  পাহাড় ধ্বসের ৬৮দিন পর রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক যোগাযোগ পুনঃস্থাপিত

  নানিয়ারচর উপজেলায় বিএনপি সদস্য সংগ্রহ শুরু

  সততা ও নিষ্ঠার সাথে দেশ ও জাতির উন্নয়নে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে-বৃষ কেতু চাকমা

  পাহাড় ধ্বসের ৬৮ দিন পর চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কের নির্মিত বেইলি ব্রীজ খুলে দেয়া হচ্ছে

  রাঙ্গামাটি বনরূপা বাজারে বিষাক্ত জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ, অসাধু ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড

  রাঙ্গামাটি পৌরসভার সাড়ে ৫৯ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

  শোককে শক্তিতে পরিণত করে আগামী নির্বাচনে নৌকার জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে-চিংকিউ রোয়াজা

  পার্বত্যাঞ্চলে কিছু উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠি বিভেদ সৃষ্টির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত-দীপংকর তালুকদার

  পাহাড় ধব্বসে বেঁচে যাওয়া মীম ও সুমাইয়ার দায়িত্ব নিলেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক

  কমিউনিটি হেলথ সার্ভিসেস কোর্স চালুকরনের লক্ষ্যে স্মারকলিপি প্রদান

  0

  0

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

কিছু সহিংসতা ও অনিয়ম হলেও সামগ্রিকভাবে ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে—সিইসির এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?