রবিবার, ২২ অক্টোবর ,২০১৭

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৯ জুন, ২০১৭, ১০:২৫:৫৭

ঝুঁকিতে রাঙামাটির ১৫ সরকারি ভবন

ঝুঁকিতে রাঙামাটির ১৫ সরকারি ভবন

ঢাকা : ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে রাঙামাটি শহরের সরকারি ভবনগুলো। যে কোন মুহূর্তে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ধসে পড়তে পারে। এতে করে যে কোন সময় জেলার সরকারি সকল কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। প্রাণহানিরও আশংকা রয়েছে।

 

গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলীরা বলছেন, মঙ্গলবার ভোরে পাহাড় ধসের ঘটনায় রাঙামাটির সরকারি-বেসরকারি অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকিতে পড়েছে। এ তালিকায় রয়েছে পুলিশ সুপারের বাংলো, ডিসির বাংলো, রাঙামাটি টেলিভিশন উপকেন্দ্র, বেতার ভবন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের কার্যালয়, সার্কিট হাউস ভবন, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) ভবনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভবন।

 

সরকারি স্থাপনার মতো মানুষের ঘরবাড়ি, সড়ক, দোকানপাটও ঝুঁকিতে পড়েছে। রাঙামাটি শহরের রাস্তাঘাটেও ভাঙন ধরেছে। বিভিন্ন সড়কের এক পাশে বালুর বস্তা ও লাল পতাকা দিয়ে বিপজ্জনক এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবারের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অনেকেই সেখানে আশ্রয়ও নিয়েছেন। এছাড়া শিমুলতলীস্থ জেলা পাসপোর্ট অফিসের তিনতলা ভবনও একই রকম ঝুঁকিতে রয়েছে। যে পাহাড়ে এটি রয়েছে তার পাশেই একাংশ মঙ্গলবারের দুর্যোগে খাড়াভাবে ধসে গেছে। এর মধ্যে ভেদভেদী এলাকার রাঙামাটি সার্কিট হাউজ, শিমুলতলী এলাকার রেডিও স্টেশন, একই এলাকার পাসপোর্ট অফিস বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

 

এদিকে, রাঙামাটি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মোতালেব সরকার বলেন, পাসপোর্ট ভবনটি কিছুটা ঝুঁকিতে রয়েছে। এবিষয়ে আমি প্রকল্প পরিচালককে অবগত করার পর সেটি সংস্কারের জন্য বরাদ্দও চলে এসেছে, আশা করি, বৃষ্টি কমে গেলে এর কাজ শুরু হবে।

 

বাংলাদেশ বেতার রাঙামাটি কেন্দ্রের আঞ্চলিক প্রকৌশলী ভাস্কর দেওয়ান বলেন, চতুর্দিকে পাহাড় ধসে যাওয়ায় বেতার ভবন পুরোপুরি ঝুঁকিতে রয়েছে। আমাদের তিনটি টাওয়ারও ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। বেতার ভবনের প্রবেশ মুখের সড়কও ধসের ঝুঁকিতে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবনের পাম্প হাউজটিও ধসের মাটিতে তলিয়ে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় বেতার ভবন স্থানান্তর করা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।

 

এ প্রসঙ্গে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মানজারুল মান্নান বলেন, সব স্থাপনাই তো পাহাড়ের উপর। এমনিতেই তো ঝুঁকি থাকে। কিন্তু মঙ্গলবারের ঘটনায় বেশ কয়েকটি সরকারি অফিস ও বাংলো ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। পাহাড় ধস ও অধিক বৃষ্টিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা এখনো পর্যন্ত নিরুপণ করা হয়নি উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, বিপর্যয়ের পর আমরা প্রথমেই উদ্ধার তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলাম। তা শেষ হয়েছে। এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিঠি দিয়ে বলা হয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের পরিস্থিতি জানাতে। এরপরই প্রকৃত চিত্র পাওয়া যাবে বলে মনে করেন তিনি। কমপক্ষে ১৫টি সরকারি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানান তিনি।

 

এই বিভাগের আরও খবর

  রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কে যাত্রীবাহী বাসের নামে মরণ ফাঁদ

  কাপ্তাই হ্রদে পানি ধারণ ক্ষমতার সর্বোচ্চ পর্যায়,বাঁধ রক্ষায় ১৬টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে

  কমিউনিটি পুলিশিং ডে পালন নিয়ে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিং

  আদিবাসী গুর্খা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসব “ভৈল ঢেউসি” উদযাপিত

  পাহাড়ে সংঘাত বন্ধের আসার আহবান জানিয়েছেন ড. এফ দীপংকর মহাথেরো (ধুতাঙ্গ ভান্তে)

  নোংরা পরিবেশে পাউরুটি বিস্কুট রাখার দায়ে বেকারি মালিকের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

  ভবনের অভাবে লংগদু রাবেতা মডেল কলেজকে স্নাতক মানে উন্নীত করা যাচ্ছে না

  পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন কাজের তদারকী বাড়াতে চেয়ারম্যানের নির্দেশ

  জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে রাঙ্গামাটিতে জেলা এ্যাডভোকেসি সভা

  কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসনের মরহুম আবুল কাশেম স্মরণে শোকসভা

  লংগদুর দূর্গম জনপদে চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছে সেনাবাহিনী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ সম্পূর্ণ মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলেও এখন এটা বাংলাদেশের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনি কি তার এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত?