সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০৬:৪১:৪৫

চুড়ান্ত বিধিমালা প্রনয়ন হলে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির কাজ শুরু করা হবে-বিচারপতি (অবঃ) আনোয়ার উল হক

চুড়ান্ত বিধিমালা প্রনয়ন হলে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির কাজ শুরু করা হবে-বিচারপতি (অবঃ) আনোয়ার উল হক

রাঙ্গামাটিঃ-পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি বিরোধ নিস্পত্তি কমিশন আইনের কার্য বিধিমালা প্রণয়ন না করায় পাহাড়ে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কাজের গতি আসছে না বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিস্পত্তি কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি (অবঃ) আনোয়ার উল হক।
তিনি বলেন, বিধিমালা প্রণয়ন হলে ভূমি বিরোধ নিস্পত্তির কাজের গতি বাড়বে। আর বিধিমালা প্রণয়ন করতে সরকারের কাছে আঞ্চলিক পরিষদ থেকে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখনো বিধিমালাটি প্রণয়ন হয়নি। বিধিমালা প্রণীত হলে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির কাজ শুরু করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাঙ্গামাটি সার্কিট হাউজে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের পঞ্চম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কমিশন চেয়ারম্যান এইসব কথা বলেন।
এর আগে সকাল ১১টায় রাঙ্গামাটি সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মোঃ আনোয়ার-উল হক।
বৈঠকে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, রাঙ্গামাটি চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিষ্টার রাজা দেবাশীষ রায়, খাগড়াছড়ির মং সার্কেল চীফ সাচিং প্রু চৌধুরী, বান্দরবান সার্কেল চীফ উচপ্রু চৌধুরী,  ভুমি কমিশনের সচিব মোঃ আলী মনসুর ও রেজিষ্টার সাহাব উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকের কমিশন চেয়ারম্যান বিচারপতি (অবঃ) আনোয়ার-উল হক আরো বলেন, আগামী মাসেই ভূমি কমিশনের বৈঠকে বিধিমালা প্রনয়নে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে। বিধিমালা চুড়ান্ত হলেই ভূমি কমিশনের কাজ অনেকটাই এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যে মামলা গুলো রয়েছে তা নিস্পত্তির মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের ভূমি সমস্যা সমাধান করা হবে।
কমিশনের সদস্য চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায় বলেন, কমিশনের সদস্যদের মাঝে বোঝাপড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। আর কমিশনের কাজও আস্তে আস্তে এগিয়ে যাচ্ছে। ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কাজ যেন সবার কাছে গ্রহনযোগ্য পায় তার জন্য কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। বিধিমালা প্রণয়ন হলে শুনানিতে যাওয়া হবে। আশা করি কয়েক মাসের মধ্যে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কাজ দৃশ্যমান হবে।
উল্লেখ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিস্পত্তির লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে ২০০১ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিস্পত্তি কমিশন আইন করা হয়। আবার এই আইনটি ২০১৬ সালে সংশোধন করা হয়। আইন সংশোধনের পর অবঃ বিচারপতি আনোয়ার উল হককে নিয়োগ দেওয়ান হয়। তার মেয়অদ শেষ হলে তাকে আবারও চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এর আগে একাধিক চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া হলেও সদস্যদের অসন্তোষের কারণে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

এই বিভাগের আরও খবর

  রাঙ্গামাটির খাদ্য অফিসে প্রতি সিডিউল ৩শ টাকা বেশী নেয়ার অভিযোগ!

  রাঙ্গামাটি ডিসি অফিস সংলগ্ন এলাকায় প্রকাশ্যে ধুমপান করার দায়ে ৬ ব্যক্তিকে জরিমানা

  পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে গ্রীষ্মকালীন টমেটো উৎপাদন বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ

  একটি ব্রীজের অভাবে পাঁচ গ্রামের মানুষের চরম দূর্ভোগ

  রাঙ্গামাটি কলেজ গেইট এলাকার জমি বিরোধ নিয়ে প্রয়াত ডা.একে দেওয়ান পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

  রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাথে গুর্খা সম্প্রদায়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ

  রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা এলাকায় পারিবারিক কলহের জের ধরে রাজমিস্ত্রীর বিষ পানে আত্মহত্যা

  শিক্ষকদের পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে সঠিক মুল্যবোধ প্রদান করতে হবে-একে এম মামুনুর রশিদ

  দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা না হলে ১৭ সেপ্টেম্বর সড়ক অবরোধ-সংবাদ সম্মেলনে এ্যাড.দীপেন দেওয়ান

  মোটরসাইকেলের ধাক্কায় কাপ্তাই রাইখালীর ব্যবসায়ী সুসঙ্গ ভট্টাচার্য্যরে মৃত্যু

  প্রতিষ্ঠার ৩৫ বছরে এমপিও ভূক্ত না হওয়ায় হতাশ চন্দ্রঘোনা কেআরসি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?