বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০৭:৩৩:৪৫

জুরাছড়ি উন্নয়নে প্রধান বাঁধা গ্রাম্য অপ-রাজনীতি !

জুরাছড়ি উন্নয়নে প্রধান বাঁধা  গ্রাম্য অপ-রাজনীতি !

জুরাছড়িঃ-উপজেলা উন্নয়নে প্রধান বাঁধা গ্রাম্য অপ-রাজনীতি। গ্রাম পর্যায়ে কিছু কুৎসিত রাজনৈতিক কর্মীর কারণে একদিকে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটছে-অন্যদেকে আদর্শীত রাজনৈতিক দল কুলশিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) জুরাছড়ি উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে ‘‘আমরা সবাই ঐক্যর বন্ধন, জুরাছড়ি উপজেলার উন্নয়ন” স্লোগানকে সামনে রেখে সুষম উন্নয়ন ও আইন শৃংখলা স্থিতি রাখার স্বার্থে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সুশীল সমাজের সমন্বয়ে মত বিনীময় সভয় বক্তারা একথা বলেন।
ভুবন জয় সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা, ভাইস চেয়ারম্যান রিটন চাকমা, আ‘লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান প্রবর্তক চাকমা, জেএসএসের জেলা কমিটির ভূমি ও কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রনজিৎ দেওয়ান, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী দেওয়ান, ভাইস চেয়ারম্যান আল্পনা চাকমা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আ‘লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান প্রবর্তক চাকমা বলেন, কোন রাজনৈতিক দল কিংবা কর্মীদের হত্যা কিংবা আতংকে জিম্মি করে কখনো সুষম উন্নয়ন সম্ভব নয়। সুতরাং উপজেলায় শান্তি শৃংখলা অক্ষত ও উন্নয়নের আলোর ধারা বাহিকতা ফিরিয়ে আনতে পারষ্পরি সহযোগীতা প্রয়োজন। 
তিনি আরো বলেন, বিগত ২০১৭ সালে আওয়ামী লীগ নেতা অরবিন্দু চাকমার হত্যা কান্ডের মামলায় আওয়ামী লীগের কোন কর্মীর সংশ্লিষ্ট্যতা নেই। বরং দলীয় ভাবে আমরা প্রশাসনকে বারবার বলে আসছি মামলায় অন্তঃভুক্ত অধিকাংশ লোক মিথ্যে ভাবে অন্তভুক্ত করা হয়েছে। যা তারা অরবিন্দুর হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত নয়।  
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা বলেন, কিছু গ্রাম্য অপরাজনৈতিক কর্মী এলাকায় ত্রাস তৈরী করে সরকারী উন্নয়ন কাজে বাঁধা দিয়ে যাচ্ছে। ফলে পিছিয়ে পরে যাচ্ছে এলাকার উন্নয়ন। এসব কর্মীদের চিহিৃত করে এলাকার শান্তি ও উন্নয়নের স্বার্থে দলীয় ভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী।
সাংবাদিক সুমন্ত চাকমা বলেন, উপজেলায় স্থায়ী উন্নয়ন করতে হলে প্রয়োজন শান্তি, শৃংখলা। সুতরাং পারষ্পরিক সহাদ্যপূন্য পরিবেশ তৈরী করে জনসংহতি সমিতি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে বিরাজমান গুপ্ত আতংক উত্তোরণ জরুরী। 
উপজেলা চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমা বলেন, গ্রাম্য অপ-রাজনৈতিকের কারনে উন্নয়নে বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে। সুতরাং এই রাজনীতি থেকে সবাইকে বেরীয়ে আসতে হবে।
তিনি আরো বলেন, কেউ কাউতে প্রতিপক্ষ না ভেবে এলাকার শান্তি ও উন্নয়নের স্বার্থে পারষ্পরিক বিশ^াস রেখে যত বড়উ জটিল সমস্যা হোক না কেন সমাধানের সকলের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের  ভাইস চেয়ারম্যান রিটন চাকমা, জুরাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ক্যানন চাকমা, বনযোগীছড়ার ইউপি চেয়ারম্যান সন্তোষ বিকাশ চাকমা, সমাজ কর্মী মিতা চাকমা, হেডম্যান মায়া নন্দ দেওয়ান, উপজেলা আ‘লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান চারু বিকাশ চাকমা, শীল ছড়ি বাজার চৌধুরী বরুন তালুকদার, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রমথ কান্তি চাকমা, দুনীতি প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক তপন কান্তি দে, ব্যবসায়ী মোঃ কাসেম।

এই বিভাগের আরও খবর

  দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে চলছে-সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার

  কাপ্তাই থেকে উৎপাদিত পরিবেশ বান্ধব সৌর বিদ্যুৎ সারা দেশে সঞ্চলিত যাচ্ছে

  সরকার কর্মজীবি মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে-এ কে এম মামুনুর রশিদ

  প্রশাসন আইনের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে ন্যায় ও সমতা ভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহনের আহবান-এ্যাড.দীপেন দেওয়ান

  রাঙ্গামাটির খাদ্য অফিসে প্রতি সিডিউল ৩শ টাকা বেশী নেয়ার অভিযোগ!

  রাঙ্গামাটি ডিসি অফিস সংলগ্ন এলাকায় প্রকাশ্যে ধুমপান করার দায়ে ৬ ব্যক্তিকে জরিমানা

  পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে গ্রীষ্মকালীন টমেটো উৎপাদন বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ

  একটি ব্রীজের অভাবে পাঁচ গ্রামের মানুষের চরম দূর্ভোগ

  রাঙ্গামাটি কলেজ গেইট এলাকার জমি বিরোধ নিয়ে প্রয়াত ডা.একে দেওয়ান পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

  রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাথে গুর্খা সম্প্রদায়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ

  রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা এলাকায় পারিবারিক কলহের জের ধরে রাজমিস্ত্রীর বিষ পানে আত্মহত্যা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?