বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০২:৪০:৪৬

২৩ বছরেও হত্যার বিচার পায়নি নিহতের পরিবার, সুষ্ট তদন্ত, খুনীদের বিচার ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পুর্ণবাসনের দাবী

২৩ বছরেও হত্যার বিচার পায়নি নিহতের পরিবার, সুষ্ট তদন্ত, খুনীদের বিচার ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পুর্ণবাসনের দাবী

রাঙ্গামাটিঃ-আজ ৯ সেপ্টেম্বর পাকুয়াখালী ট্রাজেডি দিবস। ১৯৯৬ সালের এই দিনে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার পাকুয়াখালীর গহীন অরণ্যে তৎকালীন বিচ্ছিন্নতাবাদি সন্ত্রাসী গ্রুপ শান্তিবাহিনীর হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারায় ৩৫ নিরীহ বাঙ্গালী কাঠুরিয়া। ২৩ বছর পার হলেও বর্বর এ হত্যাকান্ডের এখনো বিচার পায়নি স্বজনরা। বর্বর এই হত্যাকান্ডের স্মরণে এখনো কেঁদে উঠে লংগদুর মানুষ।
তাই পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বাঙালিদের কাছে এই দিনটি শোকাবহল দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। তারা ৩৫ কাঠুরিয়ার বর্বরোচিত হত্যাকান্ড ভুলতে পারছে না। এই দিনে তারা শহীদ ৩৫ কাঠুরিয়ার গণকবর জিয়ারত, প্রতিবাদ সভা, মানববন্ধন, সাংবাদিক সম্মেলনসহ নানা কর্মসূচী পালন করে আসছে।
এদিকে লংগদুর ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকান্ডসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত সকল হত্যাকান্ডের সুষ্ঠ বিচার ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পুর্ণবাসসহ ৯ দফা দাবী করে সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সংবাদ সম্মেলন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলন রাঙ্গামাটি জেলা শাখা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলন রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ শাহজাহান, সহ সভাপতি মোঃ শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর কামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক, অর্থ সম্পাদক মোঃ মতিয়ার রহমান বিশ্বাস, প্রচার সম্পাদক শাহ জাহানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এসময় নেতৃবৃন্দরা বলেন, তৎকালীন লংগদুর ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকান্ডের ঘটনায় চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার সুলতান মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল এবং এই কমিটি ২০১৬ সালের ৩১ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁদের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত উক্ত তদন্ত প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখেনি। পুর্নবাসন করা হয়নি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে। ক্ষতিগ্রস্থদের ছেলে-মেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে কোন দায়িত্ব নেয়া হয়নি সরকারের পক্ষ থেকে। তারা আজ শিক্ষা-দীক্ষাহীন ভাবে অতি কষ্টের সাথে দিন যাপন করছে।
নেতৃবৃন্দরা আরো বলে, ১৯৯৭ সালে শান্তিবাহিনী সরকারের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করে অস্ত্র জমা দিলেও তারা তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে বলে আমরা বিশ্বাস করি না। কারণ পাহাড়ে অস্ত্রবাজী এবং চাঁদাবাজি রয়ে গেছে আগের মতোই। পাহাড়ে সংগঠিত বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড দেখে বুঝা যায় ধীরে ধীরে তারা অস্ত্রের মজুদ বাড়িয়ে আরো শক্তিশালী হচ্ছে।
তাই মানবাধিকার এবং অন্যায় ভিত্তিতে পার্বত্যাঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য পাকুয়াখালী গণহত্যাসহ সকল হত্যাকান্ডের তদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরুর দাবী জানান। অন্যথায় পার্বত্যাঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার আশা কোনদিনই সফল হবে না।
উল্লেখ্য, লংগদুর ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকান্ডসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত সকল হত্যাকান্ডের সুষ্ঠ বিচারের আশায় বুক বেধে আছে পাহাড়ে স্বজনহারা এই লোকজন। তারা এখনো আশা করছে একদিন এইসব খুনীদের সুষ্ঠ বিচার হবে এবং সরকারের দেয়া পূর্ণবাসনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হবে এই আশায়।

এই বিভাগের আরও খবর

  দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে চলছে-সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার

  কাপ্তাই থেকে উৎপাদিত পরিবেশ বান্ধব সৌর বিদ্যুৎ সারা দেশে সঞ্চলিত যাচ্ছে

  সরকার কর্মজীবি মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে-এ কে এম মামুনুর রশিদ

  প্রশাসন আইনের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে ন্যায় ও সমতা ভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহনের আহবান-এ্যাড.দীপেন দেওয়ান

  রাঙ্গামাটির খাদ্য অফিসে প্রতি সিডিউল ৩শ টাকা বেশী নেয়ার অভিযোগ!

  রাঙ্গামাটি ডিসি অফিস সংলগ্ন এলাকায় প্রকাশ্যে ধুমপান করার দায়ে ৬ ব্যক্তিকে জরিমানা

  পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে গ্রীষ্মকালীন টমেটো উৎপাদন বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ

  একটি ব্রীজের অভাবে পাঁচ গ্রামের মানুষের চরম দূর্ভোগ

  রাঙ্গামাটি কলেজ গেইট এলাকার জমি বিরোধ নিয়ে প্রয়াত ডা.একে দেওয়ান পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

  রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাথে গুর্খা সম্প্রদায়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ

  রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা এলাকায় পারিবারিক কলহের জের ধরে রাজমিস্ত্রীর বিষ পানে আত্মহত্যা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?