বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ০৯ আগস্ট, ২০১৯, ০৮:০৪:১৫

রাঙ্গামাটিতে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট

রাঙ্গামাটিতে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট

রাঙ্গামাটিঃ-পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটিতে শেষ সময়ে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট। কোরবানীর দিন যতই ঘনিয়ে আসছে পশুর হাটে বেচাকেনা ততই বাড়ছে। ক্রেতারা বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখে শুনে সাধ ও সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পশুটি কিনছেন। জেলা সদরের পশুর হাটগুলোতে বিভিন্ন উপজেলা থেকে আনা বাহারী রঙ ও সাইজের সমারোহ হাটে কেনা বেচা থাকায় খুশি ক্রেতা বিক্রেতা উভয়।  
রাঙ্গামাটি পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় শহরের প্রধান পশুর হাট বসেছে রাঙ্গামাটি পুরাতন কেন্দ্রীয় বাস ও ট্রাক টার্মিনালে। রাঙ্গামাটির বিভিন্ন উপজেলা থেকে পাহাড়ীরা নিয়ে আসছে তাদের পালানো বিভিন্ন সাইজের রং বেরঙের গরু ও ছাগল। হাটে বেচাকেনা ছাড়াও প্রচুর গরুর চালান বাজারজাত হয়ে যাচ্ছে রাঙ্গামাটি জেলার বাইরে। এ জেলায় খামারিরা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাদ্য দিয়ে প্রচুর গরু পালন করছেন। ফলে জেলার বাইরেও প্রচুর গরু নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। খামারি ও ব্যবসায়ীরাও লাভবান হচ্ছেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, এবার শহরের দুটি স্থানে কোরবানীর পশুর হাটে ভাল রকমের পশু বেচা-কেনা চলছে। পশুর কোন সংকট নেই। তাদের মতে জেলার মানুষের চাহিদার চেয়ে এবারের হাটে পশুর সংখ্যা বেশী। তাই গত বছরের তুলনায় এবারের পশুর দামও অনেক কম।
এদিকে, মঙ্গলবার (৬ আগষ্ট) থেকেই মুলত কোরবানীর এই পশুর হাট জমে উঠে। বিভিন্ন রঙ এবং সাইজের স্থানীয় পাহাড়ী গরুতে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে পশু বিক্রেতারা নদী পথে ইঞ্চিন চালিত বোটে করে নিয়ে এসেছে তাদের পালানো গরু ও ছাগল। আর কোরবানীর পশুর হাট থেকে সামর্থ্যের মধ্যে নিজেদের পছন্দ মত কোরবানীর পশু ক্রয় করতে পেরে খুশি ক্রেতারা। আর কাংক্ষিত মূল্যে গরু বিক্রি করতে পেরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন  বিক্রেতারাও
এদিকে, পশুর হাটে আগত কোরবানীর পশুদের স্বাস্থ্য পরিক্ষার জন্য জেলা প্রানী সম্পদ কার্যালয়ের ভেটেনারী মেডিকেল টিম কাজ করছে। নিরাপদে পশু বেচাকেনা করতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং জাল টাকা সনাক্ত করতে অত্যাধুনিক মেশিনেরও ব্যবস্থা রয়েছে কোরবানী পশুর হাটাতে।
এদিকে, রাঙ্গামাটি পাহাড়ী গরুর চাহিদা থাকায় পাশ্ববর্তী জেলা থেকে ও অনেক ক্রেতা এসে কোরবানীর পশু ক্রয় করছেন। কোরবানীর পশুর হাটে ক্রেতা বিক্রেতাদের ব্যাপক সমারোহ এবং পশু বিক্রি হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রাঙ্গামাটি পৌর ট্রাক টার্মিনালের কোরবানীর পশুর হাটের ইজারাদার মোঃ সাওয়াল উদ্দীন।
অন্যদিকে এই কোরবানির ঈদ সামনে রেখে কামাররাও ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। দা, ছুরি, বটি ও গরু জবাই করার কিরিচ তৈরিসহ সান দেয়ার কাজে ব্যস্ত কামাররা। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, জেলার রিজার্ভ বাজারের অধিকাংশ কামারেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
রিজার্ভ বাজারের এক কামার জানান, সারা বছর কাজ খুব কম থাকে। কোরবানি এলে কাজের চাপ বেড়ে যায়। ছোট ছুরি থেকে শুরু করে বড় কিরিচ, ধামায় শান দেয়ার জন্য ২০ টাকা থেকে কাজ গুণাগুণের উপর ভিত্তি করে ৮০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়। তিনি বলেন, অনেক গ্রাহক সঠিক মূল্য দেন না। বর্তমানে কয়লার দামও বেশী। দা, ছুরিতে শান দেয়ার আগে আগুনে পোড়ানের জন্য কয়লা অতি প্রয়োজনীয়। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মৌসুমী কামারের দেখা মিলছে প্রচুর।
অপরদিকে মসল্লার দোকানগুলোতে বেচাকেনা বেরেছে বলে জানান রিজার্ভ বাজারের এক মসল্লা বিক্রতা।
রাঙ্গামাটির কোরবানীর পশুর হাটের এই সুশ্যংখল পরিবেশ বজায় থাকবে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত প্রত্যাশা করেন রাঙ্গামাটিবাসী।

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

  আইনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব নয়, প্রয়োজন দূর্বার গণ আন্দোলন-মাহবুবের রহমান শামীম

  আইনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব নয়, প্রয়োজন দূর্বার গণ আন্দোলন-মাহবুবের রহমান শামীম

  উন্নতশীল দেশ গঠন ও প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকলকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে-বৃষ কেতু চাকমা

  শারদীয় দূর্গোৎসব আনন্দঘন পরিবেশে পালন করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা থাকবে প্রশাসনের-এ,কে,এম মামুনুর রশিদ

  রাঙ্গামাটি শহরের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী জেল হাজতে

  রাঙ্গামাটি পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী রাষ্ট্রীয় কাজে বিদেশ সফর, ভারপ্রাপ্ত মেয়র জামাল উদ্দিন

  মাইনীমুখ বাজারে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন লংগদু জোন কমান্ডার

  বাঘাইছড়িতে দূর্বৃত্তদের গুলিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির এমএন লারমা গ্রুপের দুই কর্মী নিহত

  দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে চলছে-সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার

  কাপ্তাই থেকে উৎপাদিত পরিবেশ বান্ধব সৌর বিদ্যুৎ সারা দেশে সঞ্চলিত যাচ্ছে

  সরকার কর্মজীবি মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে-এ কে এম মামুনুর রশিদ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?