বুধবার, ২১ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
SHARE

শুক্রবার, ০৯ আগস্ট, ২০১৯, ০৮:০৪:১৫

রাঙ্গামাটিতে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট

রাঙ্গামাটিতে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট

রাঙ্গামাটিঃ-পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটিতে শেষ সময়ে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট। কোরবানীর দিন যতই ঘনিয়ে আসছে পশুর হাটে বেচাকেনা ততই বাড়ছে। ক্রেতারা বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখে শুনে সাধ ও সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পশুটি কিনছেন। জেলা সদরের পশুর হাটগুলোতে বিভিন্ন উপজেলা থেকে আনা বাহারী রঙ ও সাইজের সমারোহ হাটে কেনা বেচা থাকায় খুশি ক্রেতা বিক্রেতা উভয়।  
রাঙ্গামাটি পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় শহরের প্রধান পশুর হাট বসেছে রাঙ্গামাটি পুরাতন কেন্দ্রীয় বাস ও ট্রাক টার্মিনালে। রাঙ্গামাটির বিভিন্ন উপজেলা থেকে পাহাড়ীরা নিয়ে আসছে তাদের পালানো বিভিন্ন সাইজের রং বেরঙের গরু ও ছাগল। হাটে বেচাকেনা ছাড়াও প্রচুর গরুর চালান বাজারজাত হয়ে যাচ্ছে রাঙ্গামাটি জেলার বাইরে। এ জেলায় খামারিরা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাদ্য দিয়ে প্রচুর গরু পালন করছেন। ফলে জেলার বাইরেও প্রচুর গরু নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। খামারি ও ব্যবসায়ীরাও লাভবান হচ্ছেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, এবার শহরের দুটি স্থানে কোরবানীর পশুর হাটে ভাল রকমের পশু বেচা-কেনা চলছে। পশুর কোন সংকট নেই। তাদের মতে জেলার মানুষের চাহিদার চেয়ে এবারের হাটে পশুর সংখ্যা বেশী। তাই গত বছরের তুলনায় এবারের পশুর দামও অনেক কম।
এদিকে, মঙ্গলবার (৬ আগষ্ট) থেকেই মুলত কোরবানীর এই পশুর হাট জমে উঠে। বিভিন্ন রঙ এবং সাইজের স্থানীয় পাহাড়ী গরুতে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে পশু বিক্রেতারা নদী পথে ইঞ্চিন চালিত বোটে করে নিয়ে এসেছে তাদের পালানো গরু ও ছাগল। আর কোরবানীর পশুর হাট থেকে সামর্থ্যের মধ্যে নিজেদের পছন্দ মত কোরবানীর পশু ক্রয় করতে পেরে খুশি ক্রেতারা। আর কাংক্ষিত মূল্যে গরু বিক্রি করতে পেরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন  বিক্রেতারাও
এদিকে, পশুর হাটে আগত কোরবানীর পশুদের স্বাস্থ্য পরিক্ষার জন্য জেলা প্রানী সম্পদ কার্যালয়ের ভেটেনারী মেডিকেল টিম কাজ করছে। নিরাপদে পশু বেচাকেনা করতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং জাল টাকা সনাক্ত করতে অত্যাধুনিক মেশিনেরও ব্যবস্থা রয়েছে কোরবানী পশুর হাটাতে।
এদিকে, রাঙ্গামাটি পাহাড়ী গরুর চাহিদা থাকায় পাশ্ববর্তী জেলা থেকে ও অনেক ক্রেতা এসে কোরবানীর পশু ক্রয় করছেন। কোরবানীর পশুর হাটে ক্রেতা বিক্রেতাদের ব্যাপক সমারোহ এবং পশু বিক্রি হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রাঙ্গামাটি পৌর ট্রাক টার্মিনালের কোরবানীর পশুর হাটের ইজারাদার মোঃ সাওয়াল উদ্দীন।
অন্যদিকে এই কোরবানির ঈদ সামনে রেখে কামাররাও ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। দা, ছুরি, বটি ও গরু জবাই করার কিরিচ তৈরিসহ সান দেয়ার কাজে ব্যস্ত কামাররা। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, জেলার রিজার্ভ বাজারের অধিকাংশ কামারেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
রিজার্ভ বাজারের এক কামার জানান, সারা বছর কাজ খুব কম থাকে। কোরবানি এলে কাজের চাপ বেড়ে যায়। ছোট ছুরি থেকে শুরু করে বড় কিরিচ, ধামায় শান দেয়ার জন্য ২০ টাকা থেকে কাজ গুণাগুণের উপর ভিত্তি করে ৮০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়। তিনি বলেন, অনেক গ্রাহক সঠিক মূল্য দেন না। বর্তমানে কয়লার দামও বেশী। দা, ছুরিতে শান দেয়ার আগে আগুনে পোড়ানের জন্য কয়লা অতি প্রয়োজনীয়। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মৌসুমী কামারের দেখা মিলছে প্রচুর।
অপরদিকে মসল্লার দোকানগুলোতে বেচাকেনা বেরেছে বলে জানান রিজার্ভ বাজারের এক মসল্লা বিক্রতা।
রাঙ্গামাটির কোরবানীর পশুর হাটের এই সুশ্যংখল পরিবেশ বজায় থাকবে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত প্রত্যাশা করেন রাঙ্গামাটিবাসী।

এই বিভাগের আরও খবর

  পর্যটকদের পদচারণায় মুখর রাঙ্গামাটি ঘাগড়া কলা বাগানে অবস্থিত ঘাগড়া ঝর্ণা

  বাঘাইছড়িতে জেএসএস দুই নেতা হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহভাজন একজন আটক

  রাজস্থলীতে সেনা সদস্য নিহতের ঘটনায় রাজস্থলী-চন্দ্রঘোনা-বান্দরবান সড়কে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযান, টহল জোড়দার

  রাজস্থলীতে সেনা টহল দলের উপর সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণঃ স্থল মাইন বিষ্ফোরণ ও গুলিবিদ্ধ হয়ে ৪ সেনা সদস্য আহত

  তিন পার্বত্য জেলা পরিষদকে শক্তিশালী করতে জনবল বৃদ্ধিসহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে-সচিব

  রাঙ্গামাটিতে মাদক বিরোধী সচেতনতামুলক ডিজিটাল কিওস্ক এলইডি ডিসপ্লের উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক

  দীর্ঘ ৫৭ বছর ধরে একটি ব্রিজের দাবি বাস্তবায়িত করেনি কেউঃ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে এলাকাবাসী

  রাঙ্গামাটিতে জেলা প্রশাসনের মাসিক আইন শৃংখলা সভা অনুষ্ঠিত

  জনগনের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারের যা করার দরকার তাই করবে-বীর বাহাদুর ঊশৈসিং

  পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নাধীন কৃষদের মিশ্র ফল চাষ পরিদর্শনে পার্বত্য সচিব মোঃ মেসবাহুল ইসলাম

  পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর চিন্তার ফলশ্রুতি-নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?