সোমবার, ১৯ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০১৯, ০৯:৩৬:৩৯

পাহাড়ী ঢলে কাপ্তাই হ্রদে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাঙ্গামাটির চার উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

পাহাড়ী ঢলে কাপ্তাই হ্রদে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাঙ্গামাটির চার উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

রাঙ্গামাটিঃ-রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ী ঢলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। সীমান্ত থেকে নেমে আসা প্রবল পাহাড়ী ঢলে রাঙ্গামাটির চারটি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় চার উপজেলায় দুই হাজার মানুষ পারিবন্দী হয়ে আছে।
কাপ্তাই হ্রদের পানি উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল ও বিলাইছড়ির নিম্নাঞ্চলের মানুষ এখনো পানিবন্ধী হয়ে আছে। নিম্নাঞ্চলের বসত বাড়ী দোকানপাট পানিতে ডুবে গেছে। বন্যায় ফসলি ক্ষেত ও সড়ক ডুবে থাকায় বাজারে শাক-সবজির সংকট তৈরী হয়েছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের কারণে আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা নারী ও শিশুরা দূর্ভোগে রয়েছে।
কর্ণফুলীর শাখা কাচালং, মাইনী ও রাইংক্ষিয়ং নদীতে প্রবল বেগে পাহাড়ী ঢল নেমে আসায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। পাহাড়ী ঢলে প্রবল স্রোতের কারনে বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল জুরাছড়িতে লঞ্চ চলাচল এখনো স্বাভাবিক হয়নি।
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল এখনো পানি নিচে। বাঘাইছড়ির তুলাবান, বারিবিন্দুঘাট, মধ্যম ডেবার পাড়া, মুসলিম ব্লক, পুরান মারিশ্যা, মাষ্টার পাড়া বটতলী এলাকার মানুষ এখনো পানিবন্দি হয়ে হয়ে আছে। এলাকাগুলোতে খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ হতে আশ্রয়কেন্দ্র খোলার পর প্রায় তিনশ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এখনো অনেকেই আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছেন।
পাহাড়ী ঢলে বিলাইছড়ি উপজেলার ৩নং ফারুয়া ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে বসত বাড়ী দোকানপাট পানিতে ঢুবে গেছে এবং জমির ফসল ফসলে ক্ষতি হয়েছে। ফারুয়া ইউনিয়নের চাইন্দ, উলুছড়ি, তক্তানালা, ওরাছড়ি, গোয়াইনছড়ি, এগুজ্যাছড়ি লত্যছড়ি গ্রামসহ ফারুয়া বাজারের কিছু অংশ প্লাবিত হয়েছে। বন্যা দূর্গত সকলে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।
উজান থেকে পাহাড়ী ঢল নেমে আসায় কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে গিয়ে বরকল উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। বরকলের ১৮টি গ্রাম, স্কুল ঘর হোস্টেল ও হাট বাজার রাস্তাঘাট ব্রীজ কালভার্ট ক্ষেত খামার রিংওয়েল ও টিউবওয়েল গুলো এখনো পানির নিচে। উপজেলায় নির্দিষ্ট কোন আশ্রয় কেন্দ্র না থাকায় গৃহ হারা লোকজন আত্মীয় স্বজনের বাড়ি, স্কুলঘর, মন্দির মসজিদ ও পাহাড়ের উঁচু স্থানে টাবু টাঙিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বলে ভূক্তভোগীরা জানিয়েছেন।
সীমান্তের পাড়ে ও নদীর পাড়ে বসবাস করা লোকজন বেশী ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে। তাদের মধ্যে- সীমান্তবর্তী আন্দার মানিক বাজার খুব্বাং বাজার, ঠেগামুখ বাজার, শ্রীনগর বাজার, কুকিছড়া বাজার, ভালুক্ক্যাছড়ি গ্রাম তাগলকবাগ গ্রাম, ছোটহরিনা বাজার জুনোপহর উচ্চ বিদ্যালয়ের হোস্টেল খুব্বাং নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ঘর, আমতলা, ভুষনছড়া বাজার ও গ্রাম, এরাবুনিয়া বাজার বড়কুড়াদিয়া সরকার পাড়া বামল্যান্ড গ্রাম কলাবুনিয়া বাজার ও গ্রাম বরকল সদরের চাইল্যাতুলি গ্রাম হাসপাতাল এলাকা বাজারের আশে পাশের বসতবাড়ি বরুনাছড়ি ও বিলছড়া এলাকা এখনো পানিতে তলিয়ে আছে।

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

  রাজস্থলীতে সেনা সদস্য নিহতের ঘটনায় রাজস্থলী-চন্দ্রঘোনা-বান্দরবান সড়কে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযান, টহল জোড়দার

  রাজস্থলীতে সেনা টহল দলের উপর সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণঃ স্থল মাইন বিষ্ফোরণ ও গুলিবিদ্ধ হয়ে ৪ সেনা সদস্য আহত

  তিন পার্বত্য জেলা পরিষদকে শক্তিশালী করতে জনবল বৃদ্ধিসহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে-সচিব

  রাঙ্গামাটিতে মাদক বিরোধী সচেতনতামুলক ডিজিটাল কিওস্ক এলইডি ডিসপ্লের উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক

  দীর্ঘ ৫৭ বছর ধরে একটি ব্রিজের দাবি বাস্তবায়িত করেনি কেউঃ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে এলাকাবাসী

  রাঙ্গামাটিতে জেলা প্রশাসনের মাসিক আইন শৃংখলা সভা অনুষ্ঠিত

  জনগনের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারের যা করার দরকার তাই করবে-বীর বাহাদুর ঊশৈসিং

  পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নাধীন কৃষদের মিশ্র ফল চাষ পরিদর্শনে পার্বত্য সচিব মোঃ মেসবাহুল ইসলাম

  পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর চিন্তার ফলশ্রুতি-নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা

  কাপ্তাই ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০টি মোটরযান এর বিরুদ্ধে মামলা

  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা নিবেদন, শোক র‌্যালী ও আলোচনা সভা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?