শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ২৪ জুন, ২০১৯, ০৮:৫৩:৩১

বরকল খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় অফিস নয় যেন গোয়াল ঘর

বরকল খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় অফিস নয় যেন গোয়াল ঘর

পুলিন বিহারী চাকমা, বরকলঃ-এটি গোয়াল ঘর নাকি সরকারি ভবন, তা চেনার উপায় নেই। কাছে গিয়ে জরাজীর্ণ ভবনের দেয়ালে ঝাপসা লেখায় ঝুলানো সাইন বোর্ড পড়লে জানা যায় এটি একটি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। এ জরাজীর্ণ  ভবনটি হচ্ছে রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস কক্ষ।
জানা যায়, এটি ১৯৬৪ সালে এ একতলা পাকা ভবনটি নির্মিত হয়। নির্মানের ৫৫বছর পরেও এ অফিস ভবনটি মেরামত কিংবা সংস্কার করা হয়নি। বর্তমানে ভবনটির দেয়াল গুলো ছত্রাকে আক্রান্ত করে কালো রঙের হয়ে গেছে। দেয়ালের রং ও প্লাষ্টার খসে পড়ছে। ভবনের ছাঁদ নানা ধরনের ঘাস গুল্ম ও ঝোঁপ জঙ্গলে পরিপুর্ন হয়ে গেছে। ভবনের চারি পাশে অসংখ্য ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। যা ভবনের ভিতরে থাকা বা অফিসের দাপ্তরিক কর্মকান্ড করা সম্ভব নয়। অফিস ভবনে দাপ্তরিক কর্মকান্ড যেমনি করার পরিবেশ নেই তেমনি থাকার ও কোন ব্যবস্থা না থাকায় চরম বিপাকে করেছে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। যার কারনে উপজেলা খাদ্য বিভাগের দুজন নৈশ প্রহরী পদের কর্মচারী কর্মস্থলে উপস্থিত থাকলেও  বাকী কর্মকর্তা কর্মচারীরা মাসে দু একবার কর্মস্থলে আসেন। বাকী দিন গুলো জেলা সদরে বসে দাপ্তরিক কর্মকান্ডের কাজ গুলো ছাড়েন। ফলে এ জন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরটির সমস্যা দেখারও কেউ নেই।
এ ব্যাপারে খাদ্য বিভাগের জরাজীর্ণ অফিস ঘরের নানা সমস্যার কথা স্বীকার করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মন্টু মনি চাকমা জানান, ১৯৬৪ সালে খাদ্য বিভাগের অফিস ভবনটি নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘ ৫৫বছরেও এ অফিস ভবনটি মেরামত সংস্কার কিংবা পূনঃ নির্মানের উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট খাদ্য বিভাগ। ফলে জরাজীর্ণ অফিস ভবনটি যেন গোয়াল ঘরে পরিণত হয়েছে। এতে অফিসে বসে যেমনি কাজ করা যাচ্ছেনা তেমনি থাকার ও ব্যবস্থা নেই। জেলা সদর থেকে উপজেলা সদরে এসে কাজ সেরে আবার বাড়িতে ফিরতে হয়। এতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের আর্থিক মানসিক ও শারিরীক ভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হতে হচ্ছে বলে তিনি জানান। এতো দীর্ঘ সময় ধরে উপজেলার এ খাদ্য বিভাগের অফিস ঘরটি সংস্কার বা পূনঃ নিমার্ণ কেন করা হয়নি জানতে চাইলে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুমাইয়া নাজনীন জানান- বরকল খাদ্য বিভাগের অফিস কক্ষটি সহ জেলার আরো কয়েকটি খাদ্য অফিসের করুন অবস্থার কথা লিখিত ভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ও প্রতিমাসে জেলার সমন্বয় মিটিংয়ে বার বার উত্থাপন করা হয়। কিন্তু বরাদ্দ না আসায় নতুন করে নির্মান করা যাচ্ছেনা। খাদ্য বিভাগের ভবন এলজিইডি গন পূর্ত বিভাগসহ অন্য কোন সরকারি দপ্তর থেকে নির্মাণ করার কোন সুযোগ নেই। শুধু মাত্র সংশ্লিষ্ট খাদ্য বিভাগের পরিদর্শন উন্নয়ন ও পরীক্ষণ প্রকল্পের আওতায় সংশ্লিষ্ট খাদ্য বিভাগের উন্নয়ন কাজ করা হয়। বর্তমানে এ প্রকল্পের আওতায় অন্য বিভাগে কাজ চলছে। চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসলে রাঙ্গামাটির উপজেলার জরাজীর্ণ ভবন গুলোর কাজ করা হবে বলে ওই কর্মকর্তা জানান।

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

  কাউখালীতে চাঁদা না দেয়ায় বটতলী সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চাঁদা চেয়ে ব্যবসায়ীদেরও চিঠি

  পাহাড়ে পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠিদের সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে নিতে মোনঘর প্রতিষ্ঠানটি একটি উজ্জ্বল বাতিঘর-সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার

  বাঘাইছড়িতে জেএসএস দুই কর্মীকে হত্যাকান্ডে সাবেক চেয়ারম্যান বড় ঋষি চাকমাকে প্রধান আসামী করে থানায় মামলা

  কাউখালীর সুগারমিল আদর্শগ্রাম সড়কের এক কিলোমিটার সড়ক যেন সড়ক নয় ফসলী জমি

  পার্বত্য অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে-একেএম মামুনুর রশিদ

  পাহাড়ি ছড়া ও ঝরনার উৎস খুঁজে বের করে পানি সংকট দুরীকরণে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে-বৃষ কেতু চাকমা

  দূর্গম এলাকায় গবাদী পশু পালনের উদ্যোগকে আরো বেশী বেগবান করতে হবে-রেমলিয়ানা পাংখোয়া

  বরকলে প্রাথমিক শিক্ষকদের ৭দফা দাবীতে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি

  রাঙ্গামাটি শহরের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী জেল হাজতে

  আইনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব নয়, প্রয়োজন দূর্বার গণ আন্দোলন-মাহবুবের রহমান শামীম

  উন্নতশীল দেশ গঠন ও প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকলকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে-বৃষ কেতু চাকমা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

আওয়ামী লীগের দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকারের অনেক মন্ত্রী দুদকে হাজিরা দিচ্ছেন, আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী জেলে আছেন। তার এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?