বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ০৮ জুন, ২০১৯, ০২:৪৪:৫৮

তিন পার্বত্য জেলায় ইউএনডিপি ২১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮৪০জন শিক্ষকের চাকুরী জাতীয়করণের দাবী

তিন পার্বত্য জেলায় ইউএনডিপি ২১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮৪০জন শিক্ষকের চাকুরী জাতীয়করণের দাবী

রাঙ্গামাটিঃ-পার্বত্য জেলা পরিষদের আওয়তায় তিন পার্বত্য জেলায় ইউএনডিপি-সিএইচটিডিএফ’র প্রকল্পের সহায়তায় স্থাপিত ২১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হলেও বিদ্যালয়গুলোর ৮৪০জন শিক্ষকগণের চাকুরী জাতীয়করণের গেজেট প্রকাশ করার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে তিন পার্বত্য জেলার কর্মরত বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকগণ।
শনিবার (৮ জুন) দুপুরে রাঙ্গামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটির সম্মেলন কক্ষে তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের ইউএনডিপি-সিএইচটিডিবি’র পরিচালিত বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমন্বয় কমিটি এই সংবাদ সম্মেলন করে।
তিন পার্বত্য জেলার ইউএনডিপি-সিএইচটিডিএফ পরিচালিত ২১০ প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমন্বয় কমিটির আহবায়ক ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার জামুছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অরুণ কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। এ সময় কমিটির সদস্য সচিব ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার আলুটিলা পুনর্বাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রশান্ত ত্রিপুরা এবং সদস্য বান্দরবান পার্বত্য জেলার রুমা উপজেলার চংলকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক উচহাই মার্মা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার রাজস্থলী উপজেলার ছাবোছড়া ভাত খাইছাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুতিল কুমার তঞ্চঙ্গ্যা ও একই উপজেলার খ্যাংদয়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শ্যামল বিশ্বাসসহ শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলন বক্তারা বলেন, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন সুবিধা সহায়তা ও মৌলিক শিক্ষাদান (সিএইচটিডিএফ) প্রকল্পের আওতায় ২০০৮ সালে ওই ২১০ প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়। এসব বিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে- রাঙ্গামাটিতে ৮১, খাগড়াছড়িতে ৪৯ ও বান্দরবানে ৮০টি। প্রকল্পের অধীন শিক্ষকদের স্বল্প বেতন-ভাতাসহ বিদ্যালয়গুলো পরিচালনা করা হয় ২০০৯ সাল থেকে ২০০১৪ সাল পর্যন্ত। এরপর প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকে বেতন-ভাতা ছাড়াই চাকরি করে আসছেন, ওইসব বিদ্যালয়ের ৮৪০ শিক্ষক। এরই মধ্যে ২০১৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ওই ২১০ বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে সরকার। কিন্তু শিক্ষকদের চাকরি নিয়ে আজ পর্যন্ত জাতীয়করণের প্রজ্ঞাপন ঘোষণা করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতা ও সদিচ্ছার কারণে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের সহায়তায় প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় স্থাপিত এসব বিদ্যালয় জাতীয়করণের জন্য শিক্ষকরা গভীর কৃতজ্ঞ। কিন্তু তাদের চাকরি জাতীয়করণের প্রজ্ঞাপন ঘোষণা না হওয়ায় আজও বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না তারা। ফলে চরম মানবেতর জীবন পার করে চাকরি করতে হচ্ছে তাদেরকে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত শিক্ষকরা বলেন, আমরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নিজ বিদ্যালয়ে পাঠদানসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছি। জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করছি। আমরা এতটা দিন নিজেদের চাকরি জাতীয়করণের অপেক্ষায় আছি। কিন্তু বিদ্যালয় জাতীয়করণের প্রায় দুই বছর অধিক সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও আমাদের চাকরি সরকারিভাবে জাতীয়করণ হয়নি। তাই বিষয়টি মানবিক বিবেচনার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের কাছে সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এই বিভাগের আরও খবর

  দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে চলছে-সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার

  কাপ্তাই থেকে উৎপাদিত পরিবেশ বান্ধব সৌর বিদ্যুৎ সারা দেশে সঞ্চলিত যাচ্ছে

  সরকার কর্মজীবি মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে-এ কে এম মামুনুর রশিদ

  প্রশাসন আইনের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে ন্যায় ও সমতা ভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহনের আহবান-এ্যাড.দীপেন দেওয়ান

  রাঙ্গামাটির খাদ্য অফিসে প্রতি সিডিউল ৩শ টাকা বেশী নেয়ার অভিযোগ!

  রাঙ্গামাটি ডিসি অফিস সংলগ্ন এলাকায় প্রকাশ্যে ধুমপান করার দায়ে ৬ ব্যক্তিকে জরিমানা

  পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে গ্রীষ্মকালীন টমেটো উৎপাদন বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ

  একটি ব্রীজের অভাবে পাঁচ গ্রামের মানুষের চরম দূর্ভোগ

  রাঙ্গামাটি কলেজ গেইট এলাকার জমি বিরোধ নিয়ে প্রয়াত ডা.একে দেওয়ান পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

  রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাথে গুর্খা সম্প্রদায়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ

  রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা এলাকায় পারিবারিক কলহের জের ধরে রাজমিস্ত্রীর বিষ পানে আত্মহত্যা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?