রবিবার, ১৮ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ২০ মে, ২০১৯, ১২:৪৩:০৮

পানির অভাবে কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৪টি জেনারেটরে উৎপাদন বন্ধ

পানির অভাবে কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৪টি জেনারেটরে উৎপাদন বন্ধ

কাজী মোশাররফ হোসেন, কাপ্তাইঃ-কাপ্তাই লেকে পানির স্তর অস্বাভাবিক হারে কমছে। পানির স্তর বর্তমানে এতটাই কমে এসেছে যে পানির অভাবে কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি জেনারেটরের মধ্যে ৪টি জেনারেটর বন্ধ রয়েছে।
যে জেনারেটরটি কোনরকমে সচল থেকে সীমিত পরিমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে যাচ্ছে সেটিও যে কোন মুহুর্তে বন্ধ হবার আশঙ্কা রয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সুত্রে জানা গেছে রুলকার্ভ (পানির পরিমাপ) অনুযায়ী কাপ্তাই লেকে বর্তমানে পানি থাকার কথা ৭৮.১৩ ফুট এম এস এল (মীন সী লেভেল)। কিন্তু লেকে এখন পানি রয়েছে ৭২ ফুট এম এস এল পানি। রুলকাভ অনুযায়ী লেকে পানি থাকলে কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি জেনারেটরের সবগুলো চালু থাকতো। এবং ৫টি জেনারেটর থেকে ২৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো। কিন্তু এখন চলছে শুধুমাত্র ১ নাম্বার জেনারেটর। এই একটি জেনারেটর থেকে সর্বোচ্চ ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হচ্ছে। উৎপাদিত বিদ্যুতের পুরোটাই জাতীয় গ্রীডে সঞ্চালন করা হচ্ছে।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী এ টি এম আব্দুজ্জাহের কাপ্তাই লেকে পানি স্বল্পতার কথা স্বীকার করে বলেন, এখন বৃষ্টি হবার কথা । কিন্তু বৃষ্টি হচ্ছেনা। বৃষ্টি না হওয়ায় লেকে পানি বিন্দু পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছেনা। বরং বিদ্যুৎ উৎপাদনের ফলে প্রতিদিন লেকের পানি কমছে। পাশাপাশি প্রচন্ড রোদ এবং সেচ কাজে ব্যবহারের ফলে প্রতিনিয়ত লেকের পানি কমছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে যে কোন মুহুর্তে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চলমান শেষ জেনারেটরটিও বন্ধ হয়ে যাবে বলে তিনি আশঙ্কা করেন। তবে যখন তখন বৃষ্টির হবার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে ব্যবস্থাপক বলেন, কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পুর্ণ পানির উপর নির্ভরশীল। লেকে পানি থাকলেই বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। পরিমাণমত পানি না থাকলে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবেনা।
বিলাইছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরোত্তম তনচংগ্যা বলেন, কাপ্তাই লেকে পানির অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন যেমন হুমকির মুখে পড়েছে তেমনি লেকে পানি না থাকায় নৌযান চলাচলে হাজার  হাজার মানুষকে চারম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। লেকে পানি না থাকায় নৌ চলাচল করতে পারছেনা। আর নৌ যান চলাচল করতে না পারায় নিত্য নৈমিত্তিক মালামাল পরিবহনও করা যাচ্ছেনা। যার ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় মালামালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই কারণে মানুষের জীবন যাত্রায়ও অচলাবস্থা দেখা যাচ্ছে।
লংগদু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকার বলেন, প্রতি বছর এই সময় কাপ্তাই লেকের পানির স্তর কমে যায়। এটা সবার কাছে অনেকটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে এ বছর পানির স্তর অনেক বেশি পরিমানে কমেছে। যে কারণে মানুষের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। আকাশে মেঘের চিহ্নও দেখা যাচ্ছেনা। সহসা বৃষ্টি হবার কোন সম্ভাবনাও নেই।
স্থানীয় সেনাবাহিনীর একটি ইউনিট জানায় লেকে পানি না থাকায় সেনাবাহিনী লেকে নিয়মিত নৌ টহল দিতে পারছেনা। এখন শুধুমাত্র বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা। বৃষ্টি আসলে এবং লেকের পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে পাহাড়ে বসবাসকারি হাজার হাজার পরিবারের ভোগান্তি কমবে।

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

  জনগনের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারের যা করার দরকার তাই করবে-বীর বাহাদুর ঊশৈসিং

  পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নাধীন কৃষদের মিশ্র ফল চাষ পরিদর্শনে পার্বত্য সচিব মোঃ মেসবাহুল ইসলাম

  পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর চিন্তার ফলশ্রুতি-নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা

  কাপ্তাই ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০টি মোটরযান এর বিরুদ্ধে মামলা

  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা নিবেদন, শোক র‌্যালী ও আলোচনা সভা

  বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে-বৃষ কেতু চাকমা

  জুরাছড়িতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধাঃ শোক র‌্যালীতে ছাত্র-ছাত্রীর ঢল

  কাপ্তাই নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে জাতীয় শোক দিবস পালন

  বাঘাইছড়িতে ডাবল মার্ডারের মামলায় জেএসএস নেতা বড় ঋষীসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে পাহাড়ে বিরাজমান হত্যার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে-নিখিল কুমার চাকমা

  রাঙ্গামাটির লংগদুতে স্বামীর দায়ের কোপে স্ত্রী নিহত, স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?