বুধবার, ১৫ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

মঙ্গলবার, ১০ জুলাই, ২০১৮, ০২:৫৩:১৭

না ফেরার দেশে চলে গেলেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য চানমনি তঞ্চঙ্গ্যা

না ফেরার দেশে চলে গেলেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য চানমনি তঞ্চঙ্গ্যা

রাঙ্গামাটিঃ-না ফেরার দেশে চলে গেলেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য চানমনি তঞ্চঙ্গ্যা। মঙ্গলবার (১০ জুলাই) ভোর ৪.১৮ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। মৃত্যুকালে তিনি ২ মেয়ে ও স্ত্রী আদর লতা তঞ্চঙ্গ্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
এদিকে তার এই মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে তার নিজবাড়ী রাজস্থলীর তঞ্চঙ্গ্যা অংজাইং পাড়ায় শোকের ছায়া নেমে আসে। তার নিজ বাড়িতে ভীড় করে অগণিত এলাকার মানুষ।
এদিকে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য চানমনি তঞ্চঙ্গ্যার অকাল মৃত্যুতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমার দেয়া এক শোক বার্তায় শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনাসহ তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন তথা তাদের ক্ষমতায়নে সরকার বদ্ধ পরিকর-নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা

  যোগদানকৃত নতুন রিজিয়ন কমান্ডারের সাথে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সৌজন্য সাক্ষাৎকার

  ৩০ লক্ষ শহীদের শ্রদ্ধার্ঘ্যে রাঙ্গামাটিতে পুলিশের উদ্যোগে সবুজায়ন কর্মসূচী

  এতিমখানা ও মোনঘর শিশু সদনে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের নগদ অর্থ বিতরণ

  বরকলের আইন-শৃঙ্খলা যাতে বিঘ্ন না ঘটে তার জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে-সাজিয়া পারভীন

  বর্ণাঢ্য আয়োজনে কাপ্তাইয়ে স্কাউটসের ডে ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

  পৌরসভার নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানী দিতে সহযোগিতা করুন-আকবর হোসেন চৌধুরী

  বৃষ্টি নেই বাতাস নেই তবুও ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিং রাঙ্গামাটিবাসীর নাভিশ্বাস

  জাতির জনকের স্বপ্ন যাতে বাস্তবায়ন না হয় তার জন্য একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে-ফিরোজা বেগম চিনু এমপি

  যুব সমাজকে সম্পদে রূপান্তর করতে পারলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব-বৃষ কেতু চাকমা

  বরকলে বঙ্গবন্ধুর ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?