মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১৩ জুন, ২০১৮, ১০:২৬:৩৮

গভীর রাতে কর্ণফুলী পেপার মিলে ডাকাতির চেষ্টা ৩ ডাকাত আটক

গভীর রাতে কর্ণফুলী পেপার মিলে ডাকাতির চেষ্টা ৩ ডাকাত আটক

কাজী মোশাররফ হোসেন, কাপ্তাইঃ-কাপ্তাই উপজেলারর চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপরা মিলে গত ১২ জুন (মঙ্গলবার) দিবাগত গভীর রাতে (রাত আনুমানিক ১টা) একদল ডাকাত ডাকাতির চেষ্টা করে। ডাকাত দল নৌকায় চড়ে কর্ণফুলী নদী পথে লিচুবাগান ফেরিঘাট থেকে কেপিএম ক্রেন জেটি এলাকার ড্রেন দিয়ে পেপার মিলে প্রবেশ করে। এ সময় তাদের হাতে শাবল, কোদালসহ অন্যান্য দেশীয় অস্র ছিল। ডাকাতের উপস্থিতি টের পেয়ে কেপিএমে দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মীরা চারদিকে দিয়ে ডাকাতদের ঘিরে ফেলে। এসময় ৩ ডাকাত সদস্যকে হাতেনাতে আটক করা সম্ভব হলেও অন্য ডাকাতরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
কেপিএমের নিরাপত্তা কর্মকর্তা বাদশা আলম জানান, আটককৃত ডাকাতরা হলো আব্দুস সালাম পিতা আব্দুল হক, একই এলাকার মোঃ রিয়াজ পিতা মোঃ দুলাল এবং মোঃ ইমন পিতা আব্দুল মান্নান। আটককৃতরা সবাই রাঙ্গুনিয়াস্থ চন্দ্রঘোনা ফেরিঘাট এলাকার বাসিন্দা। আটককৃত ডাকাতদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী যারা পালিয়ে গেছে তারা হলো জাকির হোসেন পিতা অজ্ঞাত এবং মোঃ রুবেল আব্দুল মাঝি। তবে ডাকাত দলে আরো সদস্য থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন সবাই। খবর পেয়ে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন কেপিএমের এমডি প্রকৌশলী ড. এম এম এ কাদের, সিবিএ সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক এবং সাধারন সম্পাদক মাকসুদুর রহমান মুক্তার। এদিকে কেপিএমে ডাকাতির চেষ্টা কালে ডাকাত ধরা পড়ার খবর শুনে ভোর প্রায় ৪ টার সময় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ দিলদার হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন, ওসি সৈয়দ মোঃ নুর ও চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী।
জানা গেছে এই ডাকাত সদস্যরা ইতপূর্বে আরো ৮ থেকে ১০ বার কেপিএমে বড় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটায়। কিন্তু কখনো তাদের ধরা সম্ভব হয়নাই। গত ডিসেম্বর মাসে এই ডাকাত সদস্যরাই কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার তারিকুল আলমের বাসভবনেও চুরি করে এবং প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। ব্যাপক অভিযান চালিয়ে গত মার্চ মাসে ডাকাত সদস্যদের আটক করা হয়। কিন্তু গত ১০ দিনে আগে তারা জামিনে ছাড়া পেয়েই আবার চুরি ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়ে। চুরি ডাকাতি ছাড়াও এরা মাদক সেবন ও মাদক বেচাকেনার সাথে জড়িত থাতকে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। এই ডাকাত সদস্যরা যাতে সহজে জামিন না পায় এবং তাদের যাতে দৃষ্টান্ত মুলক সাজা হয় কেপিএমের শ্রমিক কর্মচারিরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে এই দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে রাষ্ট্রীয় কাগজ উৎপাদনকারী এই প্রতিষ্ঠানে ডাকাতির চেষ্টাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়েছে জেলা প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশীদ, ১৯ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, সেনাবাহিনীর মেজর সৈয়দ তানভীর সালেহ, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সাথে আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে। নানাবিধ জটিলতায় কেপিএম বর্তমানে চরম ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এই অবস্থায় কেপিএমে ভয়াবহ ধরনের ডাকাতির চেষ্টা কেউ ভালোভাবে নেননি। ভবিষ্যতে যাতে কেপিএমসহ অন্যান্য সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এরকম চুরি ডাকাতির ঘটনা না ঘটতে পারে সেজন্য সবাই যে যার অবস্থান থেকে সজাক দৃষ্টি রাখার পাশাপাশি ধৃত ডাকাতরা যাতে দৃষ্টান্ত মুলক সাজা পায় সেই ব্যাপারেও তারা ভূমিকা রাখবেন বলে কেপিএম কর্তৃপক্ষ আশা করেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  দুর্গম বরকল উপজেলার দুস্থ মহিলা ও কৃষকদের মাঝে সেলাই ও পাম্প মেশিন বিতরণ

  রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের মহিলা ও শিশু ওয়ার্ড সংস্কারের পর পুনরায় চালু

  রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে ৮ মাসে ৩১ খুন, ১৫ জনকে হত্যার চেষ্টা, নারী নেত্রীসহ ৪০ জন অপহৃত

  পাহাড়ের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করুন-বৃষ কেতু চাকমা

  পানিতে ডুবে গেছে রাঙ্গামাটির পর্যটন ঝুলন্ত সেতু

  রাঙ্গামাটি সোশাল ক্লাবে মোবাইল কোর্ট, ২৯ জুয়াড়ী আটক, মুচলেকা দিয়ে ছাড়, ক্লাব সিলগাল

  বনরূপায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের নগদ অর্থ সহায়তা

  রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল ২৫০শষ্যায় উন্নতি, নতুন ১০তলা ভবনের অনুমোদন

  বঙ্গবন্ধুর খুনীরা যাতে মাথাচারা দিয়ে উঠতে না পারে সেই দিকে সবাইকে সজাগ থাকার আহবান

  জাতীয় ফুটবল দলে পার্বত্য অঞ্চলের মহিলা ফুটবলাররা ভালো ভূমিকা রাখছে-নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা

  নতুন প্রজন্মকে উজ্জীবিত করতে রাঙ্গামাটি প্রতিটি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হবে-আকবর হোসেন চৌধুরী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

অনগ্রসর বিবেচনায় নারী, নৃগোষ্ঠীদের জন্য জন্য সরকারি চাকরিতে যে কোটা রয়েছে, তা তুলে দেওয়ার পক্ষে মত জানিয়ে কোটা পর্যালোচনা কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেছেন, অনগ্রসররা এখন অগ্রসর হয়ে গেছে। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?