মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

সোমবার, ১১ জুন, ২০১৮, ০৯:০৭:৩৬

কাপ্তাইয়ে ভারি বর্ষণে ঝুঁকিপূর্ণ বসতিদের নিরাপদ স্থানে সরে যাবার নির্দেশ

কাপ্তাইয়ে ভারি বর্ষণে ঝুঁকিপূর্ণ বসতিদের নিরাপদ স্থানে সরে যাবার নির্দেশ

কাজী মোশাররফ হোসেন, কাপ্তাইঃ-গত কয়েকদিন ধরে কাপ্তাইয়ে টানা ভারি বর্ষণ চলছে। এক মুহুর্তের জন্যও বৃষ্টি পড়া বন্ধ হচ্ছেনা। বৃষ্টির কারণে নিম্নাঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ভারি বর্ষণের ফলে বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধ্বস আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। বিশেষ করে বরইছড়ি, কর্ণফুলী কলেজ রোড, শীলছড়ি, লগগেইট, কাপ্তাই নতুন বাজার, ঢাকাইয়া কলোনীসহ বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধস দেখা গেছে। অনেক স্থানে সড়কে ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা গেছে। কাপ্তাই ঘাগড়া সড়কের ১৪টি স্থানে ভাঙ্গন দেখা যায়। এছাড়াও কাপ্তাই মহাসড়ক এবং কাপ্তাই রাঙ্গামাটি নতুন সড়কের বিভিন্ন স্থানেও ছোটবড় ভাঙ্গন ধরেছে বলে জানা গেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, কাপ্তাই ও রাঙ্গামাটিতে এপর্যন্ত ২৫৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টির মাত্রা আরো বাড়তে পারে বলেও আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কবার্তা দিয়েছে।
এদিকে অবিরাম বৃষ্টি আর পাহাড় ধসের ফলে ঝূঁকিপূর্ণ বসতি এলাকায় ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসন। তাই যে কোন ধরণের প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ বসতিদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাবার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ রুহুল আমিন বলেন, সোমবার (১১ জুন) কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা, চিৎমরম, রাইখালী, কাপ্তাই এবং ওয়াগ্গা ইউনিয়নে দিনভর মাইকিং করা হয়। এসব এলাকার যেসব স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি রয়েছে তাদের নিজ উদ্যোগে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাবার জন্য আহবান জানানো হয়। তবে ঝুঁকিপূর্ণ বসতিরা নিজ উদ্যোগে নিরাপদ স্থানে না সরলে তাদের বিরুদ্ধে জোর খাটানো হবে বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, প্রশাসন চেষ্টা করছে বৃষ্টিতে বা পাহাড় ধসে কাপ্তাইয়ে যাতে কোন প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে।
এক প্রশ্নের জবাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, কাপ্তাই উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি হিসেবে এপর্যন্ত প্রশাসন ৬৭৩ পরিবারের নাম নিবন্ধন করেছে। এই ৬৭৩ পরিবারের প্রায় দেড় হাজার সদস্য চরম ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ে বা পাহাড়ের ঢালে বসবাস করছে। এসব পরিবারের সদস্যরা পাহাড় কেটে, রাস্তার পাশের জমি কেটে আস্তে আস্তে অনেকটা প্রশাসনের দৃষ্টির আড়ালে চুপিসারে ঘরবাড়ি তৈরি করে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করছে বলে জানা গেছে। অনেকে বছরের পর বছল এরকম ঝুঁকির মধ্যেই বসবাস করছেন। কিন্তু তখনকার প্রশাসন কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ বসতির সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে এটি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েকটি স্থানে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে বলে জানা গেছে। এসব নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে যাবার জন্য সবাইকে আহবান জানানো হচ্ছে। তবে কেউ যদি আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে না চায় তাহলে তার পছন্দমত নিরাপদ স্থানে চলে যেতে পারে। কিন্তু কোন অবস্থাতেই ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে তাদের বসবাস করতে দেওয়ার পক্ষে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলেও সুত্রে জানা গেছে।

এই বিভাগের আরও খবর

  প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন তথা তাদের ক্ষমতায়নে সরকার বদ্ধ পরিকর-নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা

  যোগদানকৃত নতুন রিজিয়ন কমান্ডারের সাথে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সৌজন্য সাক্ষাৎকার

  ৩০ লক্ষ শহীদের শ্রদ্ধার্ঘ্যে রাঙ্গামাটিতে পুলিশের উদ্যোগে সবুজায়ন কর্মসূচী

  এতিমখানা ও মোনঘর শিশু সদনে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের নগদ অর্থ বিতরণ

  বরকলের আইন-শৃঙ্খলা যাতে বিঘ্ন না ঘটে তার জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে-সাজিয়া পারভীন

  বর্ণাঢ্য আয়োজনে কাপ্তাইয়ে স্কাউটসের ডে ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

  পৌরসভার নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানী দিতে সহযোগিতা করুন-আকবর হোসেন চৌধুরী

  বৃষ্টি নেই বাতাস নেই তবুও ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিং রাঙ্গামাটিবাসীর নাভিশ্বাস

  জাতির জনকের স্বপ্ন যাতে বাস্তবায়ন না হয় তার জন্য একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে-ফিরোজা বেগম চিনু এমপি

  যুব সমাজকে সম্পদে রূপান্তর করতে পারলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব-বৃষ কেতু চাকমা

  বরকলে বঙ্গবন্ধুর ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?