মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৬:৪৩:৪০

জুরাছড়ি আ‘লীগ নেতার হত্যাকান্ডের ১ বছরঃ ভাল নেই অরবিন্দুর চাকমার পরিবার

জুরাছড়ি আ‘লীগ নেতার হত্যাকান্ডের ১ বছরঃ ভাল নেই অরবিন্দুর চাকমার পরিবার

সুমন্ত চাকমা, জুরাছড়িঃ-জুরাছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অরবিন্দু চাকমার হত্যার আগামী ৫ ডিসেম্বর ১ বছর পূর্ন হলো। স্থানীয় আওয়ামীলীগের পদস্থ নেতাদের আশা ব্যঞ্জক প্রতিশ্রুতি দিলেও এক বছরেও পূর্নবাসিত হয়নি তার পরিবার। স্বামীর ঋনের বোঝায় দিশেহারা তার স্ত্রী জেনী চাকমা। এখন আর তেমন কেউ খোঁজ খবর রাখেনা তার।
জীবন রক্ষার তাগিদে জুরাছড়ি ইউনিয়নে মগবাজারে ধান ভাঙ্গা কলে কাজ করছেন অরবিন্দুর স্ত্রী। মাথায় উড়না পেছানো ও মুখে মাক্স। বুঝা যাচ্ছিলনা তিনিই অরবিন্দুর স্ত্রী জেনী চাকমা। র্দীঘক্ষণ অপেক্ষার পর কথা হয় তার সাথে।
অরবিন্দুর স্ত্রী জানান, স্বামী বেঁচে থাকতে কখনো অভাবের মূখ দেখতে হয়নি। ছিল এক সুখী পরিবার। ছেলেদের নিয়ে ছিল বহু স্বপ্ন। বড় ছেলে অর্জিন চাকমা হবে ইঞ্জিনিয়ার, ছোট ছেলে সুশীল বিকাশ চাকমা হবে ডাক্তার। সেই স্বপ্ন আজ দুবু দুবু বালুচরে হারিয়ে যাচ্ছে। বড় ছেলে ডিগ্রিতে ও ছোট ছেলে নবম শ্রেণীতে পড়া লেখা করছে। টাকার অভাবে তাদের পড়া লেখাও এখন বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম।
তিনি আরো জানান, তার স্বামী বেঁচে থাকতে স্থানীয় সমিতি ও বিভিন্ন সংস্থা থেকে কিছু কিছু ঋন নিয়ে ছিলেন। এখন এসব সমিতি ও ঋন দাতা সংস্থাগুলো তাকে ঋন পরিশোধে চাপ প্রয়োগ করছে। খেয়ে না খেয়ে সঞ্চয় করে স্বামীর ঋন কিছু পরিশোধ করতে পারলেও অধিকাংশ ঋন এখনো রয়ে গেছে। মানসিক ও অর্থনৈতিক ভাবে এখন আর মোটেই তিনি ভাল নেই।
তিনি ছল ছল চোখের জল ভাসিয়ে আক্ষেপ করে বলেন, আমার স্বামী (অরবিন্দু চাকমা) আওয়ামী লীগ দল করাই অকালে প্রান দিতে হয়েছে। প্রথম দিকে বহু নেতা-কর্মী আমাকে খোঁজখবর নিলেও এখন আর তেমন একটা কেউ খবর রাখেনা। তাদের কাছে সহযোগীতার জন্য গেলে আশা ব্যঞ্জক প্রতিশ্রুতি বুকে নিয়ে ফিরছি বারে বারে ঘরে।
তিনি কান্না জনিতকন্ঠে তার দুরূহ অবস্থা থেকে উত্তরণে আওয়ামীলীগের কেন্দ্র কমিটির উপদেষ্টা সদস্য ও রাঙ্গামাটি জেলার সভাপতি দীপংকর তালুকদার ও  প্রধানমন্ত্রীর সহযোগীতা কামনা করেছেন।
গেল বছর ৫ ডিসেম্বর আনুমানিক সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জুরাছড়ি ইউনিয়নের মগবাজার স্থলে একদল দুর্বৃত্ত গুলি করে হত্যা করে অরবিন্দু চাকমাকে। পরের দিন হত্যার জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগটন হরতাল পালন করে।
অরবিন্দু চাকমার পরিবার কিংবা দলের পক্ষ থেকে কোন মামলা করা হয়নি। পরে জুরাছড়ি থানা এসআই মোঃ মাঈন উদ্দিন বাদী হয়ে জুরাছড়ি উপজেলার পিসিজেএসএসের সভাপতি মায়া চান চাকমা, সাধারণ সম্পাদক সুমিত চাকমাসহ ৯ জনের নামে অভিযুক্ত করে ও অজ্ঞাত ১৫-২০ জন দেখিয়ে মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জুরাছড়ি থানার এসআই ভজন চন্দ্র দাস জানান, প্রথম দিকে মামলার সন্দেহভাজন কয়েক জন গ্রেপ্তার করা হলেও তারা বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। প্রকৃত আসামীদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা ও মামলার তদন্তের কাজ চলছে।

এই বিভাগের আরও খবর

  রাঙ্গামাটি ২৯৯নং আসনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ

  এবার কোন রকম ভোট ডাকাতির সুযোগ দেওয়া হবে না-সাজেকে দীপংকর তালুকদার

  পাহাড়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধে জোরালো পদক্ষেপ নেয়া হবে-মনি স্বপন দেওয়ান

  মানুষের অধিকার সুরক্ষায় কাজ করার অঙ্গীকারে কাপ্তাইয়ে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

  আসন্ন নির্বাচনে কেউ যদি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে-এ,কে,এম মামুনুর রশিদ

  রাঙ্গামাটিতে ৬ জন, খাগড়াছড়িতে ৫ জন ও বান্দরবানে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করবেন

  রাঙ্গামাটি কলেজ গেইট এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত, দুইটি রেষ্টুরেন্টকে জরিমানা

  রাঙ্গামাটিতে বেগম রোকেয়া দিবসে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ৫ জয়িতাকে সম্মাননা

  বিলাইছড়িতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি প্রতিরোধ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালিত

  লংগদুতে দূর্ণীতি বিরোধী দিবসের মানববন্ধন পালন

  পাহাড়ে শান্তি ও উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহবান

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিএনপির বিভিন্ন অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন বানচালের জন্য তারা এসব অজুহাত তুলছে। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?