বুধবার, ১৮ জুলাই ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

বুধবার, ১৬ মে, ২০১৮, ০৯:৪১:৩০

পাহাড়ে চলমান সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা আহবান

পাহাড়ে চলমান সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা আহবান

রাঙ্গামাটিঃ-পাহাড়ে চলমান সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা আহবান জানানো হয়েছে। বুধবার (১৬ মে) রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে হেডম্যান-কার্বারি সাথে এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে জন প্রতিনিধি ও হেডম্যান কার্বারীদের প্রতি এ আহবান জানান।
পার্বত্য শান্তিচুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে পাহাড়ের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারছেনা। প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের লিপ্ত রয়েছে। এইসব দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে জনপ্রতিনিধিসহ সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে উঠলে সমাজ থেকে এই সন্ত্রাস নির্মূল করা সম্ভব।
বুধবার (১৬ মে) রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে হেডম্যান-কার্বারি সাথে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় রাঙ্গামাটির সকল হেডম্যান-কার্বারী যোগ দেন।
রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ’র সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটির রিজিয়ন কমান্ডার গোলাম ফারুক। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পুলিশ সুপার মো. আলমগীর কবীর, সদর জোন কমান্ডার রেদুয়ানুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য অং সু প্রু চৌধুরী, পৌরসভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী, হেডম্যান-কার্বারি এসোসিয়েশন রাঙ্গামাটি জেলার সভাপতি চিং কিউ রোয়াজা, সাধারণ সম্পাদক কেরল চাকমা। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম শফি কামাল।
রাঙ্গামাটির রিজিয়ন কমান্ডার গোলাম ফারুক বলেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তি হয়েছে এই এলাকার শান্তি স্থাপনের জন্য। কিন্তু শান্তিচুক্তি করেও এলাকায় অশান্তি করা হচ্ছে। তা কখনো কাম্য নয়।
তিনি বলেন, অবৈধ অস্ত্র দিয়ে এখনো পাহাড়ে চাঁদাবাজি হচ্ছে, এসব অস্ত্র দিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে। যে শান্তিু চুক্তির ফলে পাহাড়ে শান্তির সুবাতাস থাকার কথা সেখানে আজো চাঁদাবাজি, গুলি করে মানুষ মেরে ফেলা হচ্ছে। তিনি বলেন, এভাবে সন্ত্রাসীদেরকে প্রশ্রয় দেয়া যায় না। এদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। তিনি বলেন, এ কাজ শুধু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একার নয়। এর জন্য সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা দরকার। এলাকার জনপ্রতিনিধিরা সন্ত্রাসের রিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে সোচ্চার হলে সন্ত্রাসীরা এলাকা ছেড়ে পালাবে। তিনি জনপ্রতিনিধিদের বলিষ্ট ভূমিকা রাখতে তাদের প্রতি আহবান জানান।
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ বলেন, সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পাহাড়ে সন্ত্রাস বন্ধের জন্য সরকার বদ্ধপরিকর জানিয়ে তিনি বলেন, সন্ত্রাস দমনে হেডম্যান-কার্বারিদের পরামর্শ গুরুত্বে সাথে বিবেচনা করা হবে।
রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার আলমগির কবির বলেন, আমরা হতাশ হবো না, এখানে যারা বসে আছেন তারা সাধারণ কেউ না। আমি হেডম্যান-কার্বারীদের সাধারণ ভাবি না। জনগনের প্রতিনিধি হিসেবে হেডম্যান-কার্বারীরা অনেক শক্তিশালী। পার্বত্য অঞ্চলের শান্তির জন্য হেডম্যান-কার্বারীদের ভূমিকা অনেক। পাহাড়ে যেসব সন্ত্রাসীরা আছে আমরা যদি তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারি তাহলে আমাদের শক্তির কাছে তারা কখনো পারবে না বলে মন্তব্য করেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  কাপ্তাইয়ে জাতীয় ফল প্রদর্শনী উদ্বোধন

  রাঙ্গামাটির ঘিলাছড়ি থেকে অস্ত্রসহ ২ সন্ত্রাসী আটক

  বিনা উদ্ভাবিত প্রযুক্তিসমুহের সম্প্রসারণ কৌশল পদ্ধতি বিষয়ে কাপ্তাইয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা

  যুবদল কেন্দ্রীয় সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রেফতারের প্রতিবাদে রাঙ্গামাটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

  রাঙ্গামাটি শহরের শাপলা হোটেলে অভিযানঃ ২ মাদক সেবীকে ১ মাসের কারাদন্ড

  রাঙ্গামাটির সুবলং ড্রিংকিং ওয়াটার কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে মোবাইল কোর্ট

  যেখানে সন্ত্রাসীদের কর্মকান্ড থাকবে, সেখানে সেনাবাহিনী থাকবে-লেঃ কর্ণেল আঃ আলীম

  দেশবরেণ্য চিত্রশিল্পীদের নিয়ে রাঙ্গামাটিতে সপ্তাহ ব্যাপী আর্ট ক্যাম্প শুরু

  রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে রথযাত্রা উৎসব

  পার্বত্য অঞ্চলকে অর্থনৈতিক জোন করতে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের পরিকল্পনা রয়েছে-সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী

  রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে অস্ত্রসহ আটক-২

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?