সোমবার, ২২ অক্টোবর ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

বুধবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৮, ০৮:৫৩:১৯

শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স কর্তৃক অবৈধভাবে পুনর্বাসনের প্রতিবাদে বাঙ্গালী সংগঠনের মানববন্ধন

শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স কর্তৃক অবৈধভাবে পুনর্বাসনের প্রতিবাদে বাঙ্গালী সংগঠনের মানববন্ধন

রাঙ্গামাটিঃ-প্রত্যাগত শরণার্থী ও আভ্যন্তরীণ উদ্ধাস্ত পুনর্বাসন সংক্রান্ত টাস্কফোর্স কর্তৃক ৮২ হাজার উপজাতীয় পরিবারকে “পুনর্বাসন ষড়যন্ত্র” বন্ধ করার দাবীতে ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশনের পাহাড়ের বাঙালী প্রতিনিধি বাদ দিয়ে বিতর্কিত কর্মকান্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত।
প্রত্যাগত শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স কর্তৃক অবৈধ ৮২ হাজার উপজাতি পরিবারকে পুনর্বাসনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ও গুচ্ছ গ্রামে বন্দী ৩২ হাজার বাঙালী পরিবারকে পুনর্বাসনের দাবীতে এবং মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) রাঙ্গামাটি সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিােরাধ নিষ্পত্তি কমিশনের বৈঠকে পাহাড়ের বাঙালী  প্রতিনিধি  ব্যতীত এক তরফা বৈঠক ও বিতর্কিত কর্মকান্ডের প্রতিবাদে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের র্কাযলয়ের সামনে বুধবার (১০ অক্টোবর) সকালে নির্যাতিত পার্বত্যবাসীর ব্যানারে, পার্বত্য অধিকার ফোরাম ও বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম বাঙালী  ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নির্যাতিত পার্বত্যবাসীর ব্যানারের ও সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক বেগম নূর জাহানের সভাপতিত্বে ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বৃহত্তর বাঙালী ছাত্র পরিষদের রাঙ্গামাটি জেলা শাখার কলেজ শাখার সদস্য সচিব ও জেলা শাখার নেতা আব্দুর রাজ্জাকের পরিচালনায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান মোঃ মাঈন উদ্দিন, সাধারণ সম্পদক মাসুম রানা, রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মো: জালোয়া, পার্বত্য যুব ফ্রন্ট রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি আব্দুল মান্নান, পার্বত্য শ্রমিক পরিষদের সভাপতি রাসেল ইসলাম সাগর, পার্বত্য বাঙালী ছাত্র ঐক্য পরিষদের সভাপতি সোহেল রিগেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বৃহত্তর বাঙালী ছাত্র পরিষদের রাঙ্গামাটি জেলা শখার নেতা মো: সাইফুল ইসলাম।
মানবন্ধনে বক্তরা বলেন, গত ২৫ সেপ্টেম্বর-১৮ইং তারিখে প্রত্যাগত শরণার্থী ও আভ্যন্তরীন উদ্ধাস্ত বিষয়ক টাস্কফোর্সের সভায় সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সরকারী খরচে ৮২হাজার উপজাতি উদ্ভাস্তু পরিবারকে পূনর্বাসনের যে তালিকা টাস্কফোর্স কর্তৃক অনুমোদন দেওয়া হয় তা বাতিল করে প্রকৃত আভ্যন্তরীন উদ্ভাস্তু গুচ্ছগ্রামে বন্দী ৩২ হাজার বাঙালী পরিবারকে পুনর্বসন করার দাবী জানান।
১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুসারে ২২০০০ উপজাতি পরিবারকে বসত ভিটা, চাষের জমি, নগত টাকা সহ উপযুক্ত ভাবে পুনর্বাসন করা হয়। যদিও সরকারী হিসেবে ভারতে শরণার্থী ছিলো ১২২২২ পরিবার। সর্বশেষ ২১টি উপজাতি পরিবারকে খাগড়াছড়ির জামতলেিত পুনর্বাসন করা হয়। কিন্তু শন্তুলারমার নেতৃত্বাধীন বর্তমান জেএসএসের হত্যা খুন নির্যাতনে উদ্ভাস্তু হয়ে গুচ্ছগ্রামে আশ্রয় নেওয়া ৩২ হাজার বাঙালী পরিবারকে এখন পর্যন্ত পুর্ণবানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ২২,০০০ উপজাতি পরিবারকে পুনর্বাসনের পর উপজাতীয় কোন উদ্ভাস্ত ছিলোনা। তাহলে চুক্তি বাস্তবায়ন কারী বর্তমান সরকারের টানা ২ মেয়াদ সহ গত র্দীঘ ১৬ বছরের মধ্যে এমন আজব ৮২ হাজার উদ্ভাস্তেুর খবর সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের কেউই জানতেন না। তাহলে হঠাৎ করে উপজাতি নেতৃবৃন্দ কোথা হতে নতুন করে এই ৮২ হাজার পরিবার প্রায় ৪ লক্ষ এর বেশী উদ্ভাস্ত পরিবার আবিস্কার করলেন ? তারা এতদিন কোথায় ছিলো? এখন তারা কোথায় আছেন। তালিকায় স্থান পাওয়া ২১ হাজার ৯০০ পরিবার সহ ৮২ হাজার পরিবারের সদস্যরা কারা তা বিস্তারিত প্রকাশ করার আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, আমরা মনে করছি পার্বত্য চট্টগ্রামকে উপজাতি সন্ত্রাসীদের কাঙ্খিত জুম্মল্যান্ড বানাতে গোপনে মায়ানমার ও ভারত থেকে উপজাতীয় পরিবারকে রাতের আধারে সীমানা পার করে আভ্যন্তরীন উদ্ভাস্তু সাজানো হচ্ছে। সরকারের সরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানাই যে, পার্বত্য চট্টগ্রামকে রক্ষায় মীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানো সহ ৮২ হাজার উপজাতি পুনর্বনের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হোক ও ৩২ হাজার গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা বাঙালেিদর পুরর্বাসন করা হোক।
গত ৯ অক্টোবর (মঙ্গলবার) রাঙ্গামাটিতে ভুমি কমিশনের সভায় পাহাড়ের বাঙালী  সংগঠনগুলোর কোন প্রতিনিধি না রাখায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। বক্তারা হুশিয়ারী দিয়ে বলেন, ভুমি কমিশন এভাবে একতরফা বিতর্কিত র্কাযক্রম চালিয়ে গেলে ও বাঙালীদের স্বার্থবিরোধী কোন কর্মকান্ড করলে কঠোর কর্মসূচীর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামকে অচল করে দেওয়া হবে ও ভূমি কমিশনের প্রতিটি কার্যক্রম প্রতিহত করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

  বরকলের ১৮টি বৌদ্ধ বিহারে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের আর্থিক সহায়তা প্রদান

  রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন-বিধান চন্দ্র বড়ুয়া

  রাঙ্গামাটির ভেদভেদীতে ভ্রাম্যমান আদালতঃ বনলতা বেকারীকে ৫ হাজার ও ১৫ দিনের কারাদন্ড

  রাজবন বিহারে ৪৫তম কঠিন চীবর দান উদযাপনে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের প্রস্তুতিমূলক সভা

  সরকার ক্ষমতায় থেকে আগামী নির্বাচনের নীল নকশা তৈরী করতে যাচ্ছে

  বিলাইছড়ির কুতুবদিয়ায় পানীয় জলের তীব্র সংকট

  কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা দীপেন দেওয়ানের তৃণমূল পর্যায়ে সভা সমাবেশ

  রাঙ্গামাটিতে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর, আটক-২

  এই দেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ-ফিরোজা বেগম চিনু এমপি

  তপোবন অরণ্য কুটিরে প্রবারণানুষ্ঠান উদযাপন

  কাপ্তাই হ্রদে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হল শারদীয় দুর্গোৎসব

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, গুজব সনাক্তকরণে যে সেল করা হয়েছে, তা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণ বা সোশ্যাল মিডিয়া পুলিশিং করবে না। আপনি কি এতে আশ্বস্ত?