সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮, ০৯:০৬:১৫

ছাত্রলীগের ডাকে রাঙ্গামাটিতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে পালিত

ছাত্রলীগের ডাকে রাঙ্গামাটিতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে পালিত

রাঙ্গামাটিঃ-ছাত্রলীগের ডাকে রাঙ্গামাটিতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শান্তিপূর্ণ ভাবে পালিত হয়েছে। দলীয় নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলা পরবর্তী বিক্ষোভে পুলিশী হামলার প্রতিবাদে সোমবার সকাল-সন্ধ্যা জেলা ছাত্রলীগ এ হরতালের ডাক দেয়।
মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) হরতাল চলাকালে সংবাদ সংগ্রহ কালে পূর্বদেশের প্রতিনিধি মোঃ কামাল উদ্দিন ও চ্যানেল ৯ এর প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম হামলা শিকার হন। তারা আহত অবস্থায় রাঙ্গামাটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই নিয়ে রাঙ্গামাটি হাসপাতালে তিন সাংবাদিক হামলার শিকার হন।
হরতাল চলাকালে রাঙ্গামাটি শহরের সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। দুর পাল্লা, অভ্যন্তরীণ রুটে এবং নৌ পথে কোন যানবাহন ও লঞ্চ ছেড়ে যায়নি। শহরের সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল বন্ধ। অফিস আদালত খোলা থাকলেও মানুষের সমাগন তেমন চোখে পড়েনি। তবে এস,এস,সি পরীক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার্থীদের পরিবহন হরতালের আওতা মুক্ত রাখা হয়।
এদিকে হরতালের সমর্থনে রাঙ্গামাটি শহরের তবলছড়ি, রিজার্ভ বাজার, পুরাতন বাস ষ্টেশন, বনরূপা, কোর্ট বিল্ডিং, ষ্টেডিয়াম কলেজ গেইট ও ভেদভেদীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পিকেটিং করে। সাধারণ যানবাহন চলাচলে পিকেটারাও কড়া অবস্থান নেয়। এমনকি ভেদভেদী ও কলেজ গেইট এলাকায় পিকেটারা সাংবাদিক বহনকারী গাড়ী থামিয়ে সাংবাদিকদের সাথে অসৈজন্যমূলক আচরণ করে। এছাড়া রাঙ্গামাটি বাইরে থেকে চট্টগ্রাম সরকারী মহিলা কলেজের তিনটি বাস বসন্ত উৎসবে রাঙ্গামাটিতে ঘুরতে এসে হরতালকারীদের কবলে পড়ে। অবশ্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা থাকার পর হরতালকারীরা তাদের রাঙ্গামাটি শহরে ঢুকতে দেয়া হয়। ফলে হরতাল চলাকালেও বাইরে থেকে আসা পর্যটকরা রাঙ্গামাটির পর্যটন স্পটগুলোতে যেতে সক্ষম হয়। তবে হরতাল চলাকালে শহরে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল।
অন্যদিকে বিকেলে হরতাল শেষ হওয়ার আগ মুর্হুতে জেলা শ্রমিকলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাকর্মীরা বনরূপা বিএম শপিং কমপ্লেক্সের সামনে সমাবেশ করে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, শ্রমিকলীগের সভাপতি শামসুল আলম, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মোঃ শাওয়াল উদ্দিন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল জব্বার সুজন, সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কান্তি চাকমাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টা মধ্যে রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম জাহাঙ্গীর আলম, কতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সত্যজিৎ বড়–য়ার প্রত্যাহার দাবী করেন। তাদের দাবী মেনে নেয়া না হলে তারা আরো কঠোর কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবে বলে হুশিয়ারী দেন।
অন্যদিকে, ছাত্রলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ ও হরতালের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনজন সাংবাদিককে শারিরীক লাঞ্জনা ও অপর কয়েকজন সাংবাদিককে দূর ব্যবহারের শিকার হতে হয়েছেন। যা ইতিপূর্বে রাঙ্গামাটিতে কোন সময়ে হরতাল ও অবরোধের সময় এমন ঘটনা ঘটতে দেখা যায়নি।
উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটিতে ছাত্রলীগ সুপায়ন চাকমা সন্ত্রাসী হামলায় আহত হলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ রাঙ্গামাটি শহরে রাস্তায় ব্যারিকেট দিয়ে বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভকারীদের উপর পুলিশের লাঠি চার্জ, রাবার বুলেট ও টিয়ার সেল নিক্ষেপের ঘটনার ১৫ জন আহত হয় এর প্রতিবাদে এ হরতাল ডাকে ছাত্রলীগ।

এই বিভাগের আরও খবর

  চুক্তির নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের সেভাবে কাজ করে যেতে হবে-বৃষ কেতু চাকমা

  বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি’র স্বারকলিপি প্রদান

  শহীদ মিনার নেই জুরাছড়ি ৬৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে

  রাঙ্গামাটিতে বিএনপির গণস্বাক্ষর কর্মসূচী পালিত

  চাকমা রাণীর উপর হামলার প্রতিবাদে রাঙ্গামাটিতে নাগরিক সমাজের নিন্দা, সংবাদ সন্মেলনে ৫ দফা দাবি

  ক্ষতিগ্রস্থদের ধৈর্য্য ও মনোবল সুদৃঢ় করে সামনের দিনগুলোতে এগিয়ে যেতে হবে-দীপংকর তালুকদার

  রাঙ্গামাটিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন

  রাঙ্গামাটিতে পুলিশ-ছাত্রলীগ মুখোমুখিঃ ৪ মামলায় ৬শতাধিক অজ্ঞাতনামা আসামী

  রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাজী মোহাম্মদ শাহ আলমসহ বিএনপি’র ১৩ নেতাকর্মী জামিনে মুক্ত

  আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সাংবাদিকের উপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাসহ সমাবেশ করে ক্ষমা চাইতে হবে ছাত্রলীগকে; না হলে আন্দোলন

  বিশ্ব বিতার দিবসে রাঙ্গামাটিতে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘খালেদা জিয়ার রায়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হবে না বরং বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংকট ঘনীভূত হবে।’ আপনি কি তাই মনে করেন?