বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০১৮, ০২:১০:৪২

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা’র অপসারণের দাবী

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা’র অপসারণের দাবী

রাঙ্গামাটিঃ-দূর্নীতি ও অযোগ্যতার অভিযোগ এনে জানিয়েছে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ।
বুধবার (১০ জানুয়ারী) সকালে রাঙ্গামাটির স্থানীয় একটি রেস্তোরায় এক সংবাদ সন্মেলনে সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম মুন্না এ দাবী জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব আব্দুল আল মামুন, সদস্য কাজী মোহাম্মদ জালোয়ার ও জাহাঙ্গীর কামাল উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সন্মেলনে অভিযোগ করা হয়, বিশ্ব বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের কোন নিয়ম নীতি না মেনে বর্তমান ভিসি তার স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করছেন যে কারণে গত তিন বছরে এ বিশ্ব বিদ্যালয় ক্রমেই অচল হয়ে পড়ছে।
তিনি বলেন, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে প্রথম ও একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয় এ অঞ্চলকে আলোকিত করবে এটাই প্রত্যাশা পার্বত্যবাসী তথা দেশবাসীর। এটি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের এক বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু শুরু থেকে স্বজনপ্রীতির নিয়োগের নীল নকশা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে শক্তিশালী ও গতিশীল না করে বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোকে দুর্বল করছে। যে কারণে এ অঞ্চলের জনগোষ্ঠির মধ্যে এক চাপা ক্ষোভের সঞ্চার হতে দেখা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাই আবেদন, অতি সত্ত্বর কর্তপক্ষের নীল নকশার হাত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে রক্ষা করে, সরকার কর্তৃক প্রণীত বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০১ এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে এ অঞ্চলের সম্প্রীতি ও উন্নয়নের আর্শীবাদে পরিণত করুন।
এই ভিসির মেয়াদ আগামী ১৫ জানুয়ারী তারিখ শেষ হবে। দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি নিয়োগ পাওয়ার জন্য আবারো তোড়জোর শুরু করেছেন। তিনি যদি দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পান তবে এই বিশ্ববিদ্যালয় একচেটিয়াভাবে সাম্প্রদায়িকরণ করবে তাতে সন্দেহ নেই। তাই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমাদের বিনীত আবেদন অসাম্প্রদায়িক ও শান্তির পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বার্থে আগামী ১৫ জানুয়ারী/১৮ এই ভিসি ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তাকে যেন কোনভাবেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে রাখা না হয়। ভিসিকের প্রতিও আমরা সম্মানে চলে যাওয়ার অনুরোধ করছি। কিন্তু তারপরও যদি ১৫ জানুয়ারীর পর তাকে আবারো পূনঃনিয়োগ দেয়া হয়  তবে ১৬ জানুয়ারী’১৮ থেকে রাঙ্গামাটি জেলায় হরতালসহ কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচী প্রদান করতে বাধ্য হবো। ব্যর্থ, অযোগ্য, সাম্প্রদায়িক ও আঞ্চলিক পক্ষপাতদুষ্ট এই ভিসির অপসারন করে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়টিকে সঠিক পথে রাখবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
তাই তিনি ভিসি ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমার অপসারণ করে একজন দক্ষ ভিসি নিয়োগ দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।
এই ভিসিকে আবারো নিয়োগ দেয়া হলে তার অপসারনে আমাদের ধারাবাহিক কর্মসূচীসমূহ নিম্নরূপ: ১০ জানুয়ারী প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি, ১৬ জানুয়ারী হতে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচী, ২৬ জানুয়ারী মানববন্ধন, ১৬ জানুয়ারী হতে ২৬ জানুয়ারী সুধী জনদের সাথে মতবিনিময়, ১ ফেব্রুয়ারী হতে রাংগামাটিতে হরতালসহ কঠোর কর্মসূচী।

এই বিভাগের আরও খবর

  কাপ্তাইয়ের রাইখালীতে জেএসএসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

  সরকার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প হাতে নিয়েছে

  বর্তমান সরকার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ভাষা ও বর্ণমালা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে-দীপংকর তালুকদার

  পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্ত প্রহরায় বর্ডার রোড নির্মাণে কাজ শুরু করেছে বিজিবি-মোহাম্মদ পাভেল আকরাম

  মানুষ তাঁর কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকে,তাই সৎ কর্ম মানুষকে প্রকৃত মানুষ হতে সহায়তা করে-দীপংকর তালুকদার

  সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির নামে বিভ্রান্তিতকর সংবাদ পরিবেশন করায় সংবাদ সম্মেলন

  কাপ্তাইয়ে আকাশ সংস্কৃতির দৌরাত্ব বন্ধ হয়ে গেছে ৮টি সিনেমা হল

  রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পূনঃনিয়োগ না দেয়ার দাবিতে গণস্বাক্ষর

  আবারে পেছালো কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলার নারাজীর আবেদন শুনানী

  সরকারি কর্মকর্তারা কোন রকম দুর্নীতি করলে ছাড় দেয়া হবে না-দুদক কমিশনার

  রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমার অপসারণ দাবীতে মানববন্ধন

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

পুলিশের আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক বলেছেন, ‘দেশকে জঙ্গি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে হলে পুলিশের পাশাপাশি জনগণকে কাজ করতে হবে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন?