মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
SHARE

রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৭, ০৪:৩১:৫৩

ভারতে বাংলাদেশি কিশোরীকে গণধর্ষণ

ভারতে বাংলাদেশি কিশোরীকে গণধর্ষণ

ঢাকা: এক বাংলাদেশি কিশোরকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল ভারতের আহমেদাবাদ ও জুনাগড়ের মাংরোল শহরে। ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরীর অভিযোগ গত সপ্তাহেই দুই বার গণধর্ষণ করা হয়।

শনিবারই থানায় গণধর্ষণের অভিযোগ করে ওই কিশোরী। তার অভিযোগের ভিত্তিতে মাংরোল পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

সূত্রে খবর গত বৃহস্পতিবার মাংরোলের একটি বার্স টার্মিনালে ওই কিশোরীকে একা কাঁদতে দেখে স্থানীয়রা এগিয়ে আসে। এরপর তাকে জিজ্ঞসাবাদ করা হলেও ভাষাগত সমস্যার কারণে স্থানীয়রা কিছুই বুঝতে না পারায় ওই কিশোরীকে স্থানীয় পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর ইন্টারপ্রেটারের সহায়তায় জানা যায় ওই কিশোরীকে কাজের লোভ দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে নিয়ে আসা হয়। পরে আহমেদাবাদ হয়ে মাংরোলের এসে পৌঁছায় ওই কিশোরী।

গত এক সপ্তাহে দুই বার তাকে গণধর্ষণের শিকার হয় বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করে ওই কিশোরী। একবার আহমেদাবাদে সাত জন পুরুষ মিলে তাকে গণধর্ষণ করে, দ্বিতীয়বার মাংরোলে ১৪ জন মিলে তাকে গণধর্ষণ করে। সে আরও জানায় বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁর বাসিন্দা সাই নামে এক ব্যক্তির কাছে তাকে বিক্রি করে দেয় তারই এক আত্মীয়। এরপরই হাত ঘুরে সে আহমেদাবাদে এসে পৌঁছায়। বর্তমানে ওই বাংলাদেশি কিশোরীকে রাখা হয়েছে একটি নারী হোমে।

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

এই বিভাগের আরও খবর

  প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি: বিমানের ১০ কর্মীর জামিন

  ‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান ঘোষণা প্রশ্নে রুল শুনানি ১৮ জানুয়ারি

  বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি প্রকাশে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়

  পেট্রোবাংলা-নাইকো চুক্তির রায় স্থগিতে শুনানি ১১ জানুয়ারি

  ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাঃ ষড়যন্ত্রমূলক সভা হয় ১১ স্থানে

  আদালতে দেয়া বেগম খালেদা জিয়ার পুর্নাঙ্গ সমাপনী জবানবন্দী

  জয় বাংলাকে কেন জাতীয় শ্লোগান ঘোষণা নয়-হাইকোর্ট

  ৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পাবে তারেক মাসুদের পরিবার

  তারেক মাসুদের মৃত্যু: ক্ষতিপূরণ মামলার রায় ঘোষণা রবিবার পর্যন্ত মুলতবি

  তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বিলুপ্ত হচ্ছে-হাসানুল হক ইনু

  ‘হাওয়া ভবন ও পিন্টুর সরকারি বাসভবনে গ্রেনেড হামলার ষড়যন্ত্র হয়’

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

পুলিশের আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক বলেছেন, ‘দেশকে জঙ্গি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে হলে পুলিশের পাশাপাশি জনগণকে কাজ করতে হবে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন?