বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ২৩ জুন, ২০১৯, ০১:০৮:৩৫

মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নিয়ে হাইকোর্টের রায় বহাল আপিল বিভাগে

মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নিয়ে হাইকোর্টের রায় বহাল আপিল বিভাগে

ডেস্ক রিপোর্টঃ-১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স ন্যুনতম ১২ বছর ছয় মাস নির্ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। রবিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যদিকে রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ওমর সাদাত ও এ বি এম আলতাফ হোসেন।
এর আগে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। বুধবার আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ননী হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ না দিয়ে শুনানির জন্য ২৩ জুন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানোর আদেশ দেন। এ আদেশ অনুসারে আজ রবিবার পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে তা শুনানির জন্য উঠে।
গত ১৯ মে ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স ন্যূনতম ১২ বছর ছয় মাস নির্ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। আদালত বলেন, ‘শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর কোথাও মুক্তিযোদ্ধাদের বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।’ বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। পরে এই রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, ‘পরিপত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার ধারাবাহিকতায় অনেক মুক্তিযোদ্ধার ভাতা আটকে গিয়েছিল। কিন্তু আদালত আজ তাদের (১৫ জন রিটকারীর) সেই বকেয়া ভাতা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন। হাইকোর্টে দেয়া এই রায়টি গুরুত্বপূর্ণ। আদালত বলেন- মুক্তিযোদ্ধাদের সংজ্ঞা পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই, এটি একেবারেই অপরিবর্তনীয়।
তিনি বলেন, আদালত বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে সংজ্ঞা দেওয়ার কিছু নেই। ঐতিহাসিক সাক্ষীর ভিত্তিতে কে মুক্তিযোদ্ধা আর কে মুক্তিযোদ্ধা না তা নির্ধারণ হবে। মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযোদ্ধাই। এখানে তর্কের কোনো অবকাশ নেই।
২০১৮ সালের বিভিন্ন সময় একাধিক রিটের শুনানি নিয়ে আদালত ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স ন্যূনতম ১২ বছর ছয় মাস নির্ধারণ করে সংশোধিত পরিপত্র কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে রুল জারি করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ওই মন্ত্রণালয়ের সচিব, যুগ্ম সচিব; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ সচিব, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের (জামুকা) মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ রুলের জবাবদিতে বলা হয়।
২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স ১৩ বছরের স্থলে ১২ বছর ছয় মাস নির্ধারণ করা হয়। পরে এই পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে ১৫ জন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট করেন।
২০১৬ সালে প্রথমে গেজেট প্রকাশ করে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধার ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১৩ বছর। এরপর গত ১৭ জানুয়ারি একটা পরিপত্রের মাধ্যমে সে গেজেট সংশোধন করে বলা হয় ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১২ বছর ৬ মাস।

এই বিভাগের আরও খবর

  রিফাত হত্যা: পলাতক ৯ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

  এজাহার বদলে দিলেন ওসি, বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

  তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

  এ মাসেই নুসরাত হত্যা মামলার নিষ্পত্তিঃ বিচার বিলম্বের চেষ্টা, অভিযোগ বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের

  সাঁওতাল হত্যা মামলার চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি পিটিশন, শুনানি ৪ নভেম্বর

  তাহেরীর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

  জামিনে মুক্তি, অ্যাম্বুলেন্সযোগে বাসায় গেলেন মিন্নি

  মিন্নির জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

  ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে তাহেরীর বিরুদ্ধে মামলা

  দুদকের মামলায় লতিফ সিদ্দিকীর জামিন নামঞ্জুর

  আদালত কক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি প্রদর্শনে নির্দেশ হাইকোর্টের

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?