বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ০৫ আগস্ট, ২০১৮, ০৮:৪১:৩৪

ফেসবুকে গুজবঃ নওশাবার ৪ দিনের রিমান্ড

ফেসবুকে গুজবঃ নওশাবার ৪ দিনের রিমান্ড

ডেস্ক রিপোর্টঃ-রাজধানীর উত্তরা-পশ্চিম থানর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় অভিনেত্রী-মডেল কাজী নওশাবা আহমেদকে চারদিন রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। রবিবার (৫ আগষ্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল হক আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই বিকাশ কুমার পাল আসামিকে আদালতে হাজির করে সাতদিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন করেন। এসময় আসামির আইনজীবী এ এইচ ইমরুল কাওসার রিমান্ড আবেদন বাতিল এবং জামিনের আবেদন করেন।
শুনানিতে আদালতে আইনজীবী বলেন, রুদ্র নামের এক ছেলে টেলিফোন করে অনুরোধ করে। পরে নওশাবা ফেইসবুকে লাইভ করে। যখন বুঝতে পেরেছে তখন ওই ঘটনায় নওশাবা ভুল স্বীকার করে ফেইসবুকেই দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কোন উসকানির উদ্দেশ্য তার ছিল না। এ কারণে তার বিচার হতে পারে। সে ক্ষেত্রে রিমান্ডের প্রয়োজন হয় না।
এ বক্তব্যের বিরোধিতা করে আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কমকতা (জিআরও) শওকত আকবর বলেন, অজ্ঞাত আসামি রুদ্রসহ এ ঘটনার সঙ্গে আরও যারা জড়িত তাদের নাম-ঠিকানা শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য আসামি নওশাবাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। কার নির্দেশে সে এই পোস্ট দিয়েছিল তা জানা এবং তার মোবাইল ফোন উদ্ধারের জন্য রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শনিবার দুপুরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের ধানমন্ডির কার্যালয়ের কর্মীদের সংঘর্ষ বাঁধার পর জিগাতলা এলাকা রণক্ষেত্রে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর 'গুজব' ছড়িয়ে পড়লে অভিনেত্রী নওশাবা বিকাল ৪টার দিকে ফেইসবুক লাইভে জিগাতলায় হামলায় দুই ছাত্রের মৃত্যু এবং একজনের চোখ তুলে ফেলার খবর জানান। এ ঘটনায় শনিবার রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে নওশাবাকে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নওশাবা জানান, ফেইসবুক লাইভের সময় তিনি ঘটনাস্থলে নয়, উত্তরায় একটা শুটিং স্পটে ছিলেন। কিন্তু এমনভাবে লাইভ করছিলেন যেন তার সামনেই ঘটনা ঘটছে। অন্য একজনের অনুরোধে নওশাবা একাজ করেছেন বলে র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জানিয়েছিলেন।

  0

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?