বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ০৩ জুন, ২০১৮, ০২:৩৩:১১

যুদ্ধাপরাধের আরো দুই মামলা রায়ের অপেক্ষায়

যুদ্ধাপরাধের আরো দুই মামলা রায়ের অপেক্ষায়

ডেস্ক রিপোর্টঃ-মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধে আরো দুই মামলা রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল মামলায় উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষামান (সিএভি) রেখে আদেশ দেয়।
এর মধ্যে একটি মামলায় গত ৩০ মে পটুয়াখালীর ৫ আসামির বিষয়ে যুক্তিতর্ক শেষে যেকোনো দিন রায় (সিএভি) ঘোষণা করবে বলে আদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এটি হবে যুদ্ধাপরাধের মামলায় ৩৪ তম রায়। ২০১৭ সালের ৮ মার্চ এ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।
আসামিদের সর্বোচ্চ সাজার আর্জি পেশ করে শুনানি করে প্রসিকিউশন। ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল এই ৫জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। পরোয়ানা জারির পর ৫ জনকেই গ্রেফতার করা হয়।
আসামিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালীন হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ ৬ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও যুদ্ধাপরাধের মামলায় ৩৩ তম রায় ঘোষণাও অপেক্ষায় রয়েছে।
৩৩ তম মামলায় মৌলভীবাজারের রাজানগর উপজেলার সাবেক মাদ্রাসা শিক্ষক আকমল আলী তালুকদারসহ চার জনের বিরুদ্ধে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে গত ২৭ মার্চ যেকোনো দিন রায় ঘোষণার (সিএভি) জন্য রাখা হয়েছে। এ মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানির সময় আসামিদের মধ্যে আকমল আলী তালুকদার (৭৩) হাজির ছিলেন।
বাকি তিন আসামি মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার আব্দুন নূর তালুকদার ওরফে লাল মিয়া, আনিছ মিয়া ও আব্দুল মোছাব্বির মিয়া পলাতক।
প্রসিকিউটর সায়েদুল হক সুমন শিগগিরই এ মামলার রায় ঘোষণা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
এ পর্যন্ত ৬৩ মামলায় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত টিম তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিল করেছে। এর মধ্যে ৩৩ মামলার বিচার শেষ হয়েছে। ৩২ টির রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ২ টি মামলা রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে বেশকটি মামলায় ট্রাইব্যুনালে দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আনা আপিল সুপ্রিমকোর্টে নিস্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি হবে বলে জানান এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। বাসস

  0

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?