সোমবার, ২৮ মে ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ০৯ মে, ২০১৮, ০৯:০৬:২৮

খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে আদেশ ১৫ মে

খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে আদেশ ১৫ মে

ডেস্ক রিপোর্টঃ-জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ১৫ মে দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বুধবার (৯ মে) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ৪ সদস্যের আপিল বেঞ্চ আদেশের জন্য এদিন ধার্য করেন।
বুধবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ৪ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে দ্বিতীয় দিনের মতো শুনানি শুরু হয়। এদিন প্রথমে খালেদার পক্ষে অসমাপ্ত শুনানি শুরু করেন তার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এবং দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।
এর আগে, প্রথম দিন মঙ্গলবার সকালে দুদকের পক্ষে প্রথম শুনানি করেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। পরে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও শুনানি করেন। এরপর খালেদার পক্ষে এজে মোহাম্মদ আলী শুনানি শুরু করলেও অসমাপ্ত থেকে যায়। সেখান থেকেই সকালে শুনানি শুরু করেন তিনি।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার ৫ বছর কারাদণ্ড হয় এবং তার পুত্র তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের পর থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।
রায়ের বিরুদ্ধে পরে আপিল করে জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ওই আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট তাকে চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এই জামিন স্থগিত চেয়ে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আবেদন করে। শুনানি নিয়ে ১৪ মার্চ আপিল বিভাগ ওই জামিন স্থগিত করে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে এই সময়ের মধ্যে নিয়মিত লিভ টু আপিল করতে বলেন।
অন্যদিকে, স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আবেদন করলে তা চেম্বার বিচারপতির আদালতে ওঠে। আদালত আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। পরে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে।

এই বিভাগের আরও খবর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?