শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৮, ০৭:৫৭:১২

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ওয়াহিদুল হক কারাগারে

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ওয়াহিদুল হক কারাগারে

ডেস্ক রিপোর্টঃ-যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক মুহাম্মদ ওয়াহিদুল হককে (৬৯) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার বিচারপতি আমির হোসেনের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ১০ মে মামলার তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য রাখা হয়েছে। এর আগে নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ওয়াহিদুল হককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে গুলশান থানা পুলিশ। এরপর তাকে রাখা হয় ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায়।
ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরুর আগেই তাকে কাঠগড়ায় নেয়া হয়। ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরুর পর প্রসিকিউটর ড. তুরিন আফরোজ বলেন, আসামির বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করে এখানে হাজির করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানাচ্ছি।
এ পর্যায়ে ট্রাইব্যুনাল আসামির কাছে তার নাম ও পরিচয় জানতে চান। নিজের পরিচয় দেন ওয়াহিদুল হক। কোন আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো করা হয়নি। দু’একদিনের মধ্যে আইনজীবী নিয়োগ করা হবে। এরপরই ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমান ও আসামির স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।
ওয়াহিদুল হক মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন। ১৯৭৪ সালের  ডিসেম্বরে দেশে ফিরে দুই বছর পর তিনি পুলিশে যোগ দেন। ৯০’র দশকে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থায় দায়িত্ব পালন করেন। এরপর পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হন। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৮ মার্চ রংপুর ক্যান্টনমেন্টে পাঁচ থেকে ছয়শ নিরস্ত্র বাঙালি ও সাঁওতালের ওপর মেশিনগানের গুলি চালিয়ে হত্যা ছাড়াও মানবতাবিরোধী নানা অপরাধের সঙ্গে আসামি ওয়াহিদুল হকের জড়িত থাকার তথ্য রয়েছে। ২০১৬ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তালিকাভুক্ত করা হয়। সে অভিযোগের উপর ভিত্তি করে তদন্ত শুরু হয়।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ১৯৬৬ সালের ১৬ অক্টোবর মুহাম্মদ ওয়াহিদুল হক পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ১১ ক্যাভালরি রেজিমেন্টে কমিশন পান। এরপর ২৯ ক্যাভালরি রেজিমেন্টে বদলি করা হয় তাকে। ১৯৭০ সালের মার্চে ২৯ ক্যাভালরি রেজিমেন্ট রংপুর সেনা নিবাসে স্থানান্তরিত হলে ওয়াহিদুল হকও সেখানে চলে আসেন। ১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ পর্যন্ত ওই রেজিমেন্টের অ্যাডজুটেন্ট ছিলেন তিনি। ওই বছরই তিনি বদলি হয়ে আবার পাকিস্তানে (পশ্চিম পাকিস্তান) চলে যান। সেখানে তিনি ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত অবস্থান করেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

অনগ্রসর বিবেচনায় নারী, নৃগোষ্ঠীদের জন্য জন্য সরকারি চাকরিতে যে কোটা রয়েছে, তা তুলে দেওয়ার পক্ষে মত জানিয়ে কোটা পর্যালোচনা কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেছেন, অনগ্রসররা এখন অগ্রসর হয়ে গেছে। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?