মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৮, ০৮:১০:৩১

যুদ্ধাপরাধে ৬৩ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন, বিচার শেষ ৩৩ মামলায়

যুদ্ধাপরাধে ৬৩ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন, বিচার শেষ ৩৩ মামলায়

ডেস্ক রিপোর্টঃ-মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ৬৩ মামলায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এর মধ্যে ৩৩ মামলার বিচার শেষ হয়েছে। বিচার শেষ হওয়া ৩৩ মামলার মধ্যে ৩১ মামলার রায় প্রদান করা হয়েছে। দুইটি মামলার রায় ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে।
গত ২১ মার্চ উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার রিয়াজ উদ্দিন ফকিরের বিরুদ্ধে যে কোনো দিন রায় (সিএভি) ঘোষণার জন্য রাখা হয়েছে। এটি হবে ট্রাইব্যুনালের ৩২তম রায়। অপরদিকে মৌলভীবাজারের রাজানগর উপজেলার সাবেক মাদ্রাসা শিক্ষক আকমল আলী তালুকদারসহ চার জনের বিরুদ্ধে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে গত ২৭ মার্চ মামলাটি যেকোনো দিন রায় ঘোষণার (সিএভি) জন্য রাখা হয়েছে। এটি হবে ট্রাইব্যুনালের ৩৩তম রায়। এ মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানির সময় আসামিদের মধ্যে আকমল আলী তালুকদার (৭৩) হাজির ছিলেন। বাকি তিন আসামি মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার আব্দুন নূর তালুকদার ওরফে লাল মিয়া, আনিছ মিয়া ও আব্দুল মোছাব্বির মিয়া পলাতক।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল পৃথক মামলার রায় ঘোষণা করবে। প্রসিকিউটর সায়েদুল হক সুমন জানান, শিগগিরই এ দুই মামলার রায় ঘোষণা হবে।
গত ১৬ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যশোরের বাঘারপাড়ার মো. আমজাদ হোসেন মোল্লাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের চারটি অভিযোগে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এটি তদন্ত সংস্থার ৬৩তম প্রতিবেদন।
সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন।
এদিকে রায় হওয়া ৩১ মামলার মধ্যে আপিলে সাতটি মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়েছে। এছাড়া আরো ৩ মামলায় ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদন্ডের বিরুদ্ধে আনা আপিল শুনানির জন্য কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিন মামলার আসামিরা হচ্ছেন- এ টি এম আজহারুল ইসলাম, সৈয়দ মো. কায়সার ও মাওলানা আবদুস সুবহান।
আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে মৃত্যুদন্ড দিয়ে রায় দেয় ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে আজহারকে মৃত্যুদন্ড দিয়ে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করেছিল ট্রাইব্যুনাল। ২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর রাজাকার কমান্ডার ও শান্তি কমিটির সদস্য সৈয়দ মো. কায়সারকে মৃত্যুদন্ড এবং ২০১৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পাবনা জেলায় শান্তি কমিটির নেতা সুবহানকে মৃত্যুদন্ড দিয়ে রায় দেয় ট্রাইব্যুনাল।
আইন অনুযায়ি সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে দন্ডিত এই তিন আসামীই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করে। এ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আনা আপিল ও আপিল রায়ের রিভিউতে সাতটি মামলা নিস্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি রায়ের পর জামায়াতের প্রাক্তন আমীর মতিউর রহমান নিজামী ও সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, প্রাক্তন দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লা ও মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, জামায়াতের প্রাক্তন নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলী এবং বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। আপিল ও আপিল রায়ের রিভিউতেও জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আমৃত্যু কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। এর আগে ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদন্ড দিয়ে রায় দিয়েছিল। আরো বেশকটি মামলা আপিলে নিস্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব মামলার শুনানি ও নিস্পত্তি হবে বলে জানান এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এই বিভাগের আরও খবর

  কুমিল্লায় কাভার্ডভ্যান পোড়ানোর মামলাঃ খালেদা জিয়ার মামলার পরবর্তী শুনানি ৩০ আগস্ট

  ছাত্র আন্দোলনঃ জামিন পেলেন ১৬ শিক্ষার্থী

  যুদ্ধাপরাধে হবিগঞ্জের দুই জনের রায় যে কোনো দিন

  রাইফার মৃত্যুঃ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নয়-হাইকোর্ট

  ঢাকার মানহানির এক মামলায় খালেদার ৬ মাসের জামিন

  মানহানির মামলায় খালেদার ৬ মাসের জামিন

  রবিবার শুনানি ও আদেশের জন্য খালেদার ৪ মামলা সুপ্রিম কোর্টে

  অভিনেত্রী নওশাবা ফের ২ দিনের রিমান্ডে

  রিমান্ড শেষে কারাগারে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ ছাত্র

  খালেদা জিয়ার জামিন ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়লো

  কুমিল্লার এক মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

অনগ্রসর বিবেচনায় নারী, নৃগোষ্ঠীদের জন্য জন্য সরকারি চাকরিতে যে কোটা রয়েছে, তা তুলে দেওয়ার পক্ষে মত জানিয়ে কোটা পর্যালোচনা কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেছেন, অনগ্রসররা এখন অগ্রসর হয়ে গেছে। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?