সোমবার, ২২ অক্টোবর ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

শুক্রবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৮, ০৬:৩০:২০

রায় পর্যালোচনা করে তারেকের দণ্ড বিষয়ে আপিল-এটর্নি জেনারেল

রায় পর্যালোচনা করে তারেকের দণ্ড বিষয়ে আপিল-এটর্নি জেনারেল

ডেস্ক রিপোর্টঃ-এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় পর্যালোচনা করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের দণ্ড বৃদ্ধির জন্য আপিল করা হবে। এটর্নি জেনারেল তার কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
মাহবুবে আলম বলেন, এ মামলায় তারেক রহমানকে যদি নাটের গুরু বলা হয়ে থাকে, তবে সেটা রায় পর্যালোচনা করে দেখব। রায় পড়ে যদি দেখি তারও মৃতুদণ্ড হওয়া উচিৎ ছিল, তবে তার দণ্ড বাড়াতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আপিল করব। এর সবটাই নির্ভর করবে রায়টি পড়ার পর।
মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে অনেক দেশেই দণ্ডিতকে পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম বা রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়া হয় উল্লেখ করে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইন অপরাধীকে আশ্রয় দেয়া সমর্থন করে না। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক রহমানের তো যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। তাই তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কষ্ট হবে না।
মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে এলে দ্রুত শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেয়া হবে জানিয়ে এটর্নি জেনারেল বলেন, রায়ে যাদের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে তাদের আদালত থেকে বিনা খরচে রায়ের কপি দেয়া হয়। আর তারা যদি আপিল ফাইল করে, তবে সেটাও ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে আসবে। সেক্ষেত্রে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ যত দ্রুত সম্ভব শুনানির জন্য পদক্ষেপ নেব। তবে এটাতে পেপারবুক তৈরি করার বিষয় রয়েছে, সেগুলো আদালতের বিষয়। মামলার আপিল শুনানিতে আমাদের পদক্ষেপগুলো আমরা নেব।
এটর্নি জেনারেল বলেন, এই মামলায় একজন পাকিস্তানি নাগরিকেরও সাজা হয়েছে। এখানে আমরা অনুমান করছি, বাংলাদেশের ক্ষতি করার জন্য, বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করার জন্য পাকিস্তান এখনো নিবৃত্ত হয়নি। পাকিস্তান এরই মধ্যে সন্ত্রাসবাদে জড়িয়ে পড়েছে। আমরা সেক্ষেত্রে জেএমবিসহ জঙ্গিদের দমন করতে সফল হয়েছি। সাজাপ্রাপ্ত ওই পাকিস্তানি নাগরিককে নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। দেশকে অস্থিতিশীল করতে পাকিস্তানের ইন্দন থাকতে পারে।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট সংগঠিত ভয়াবহ, বর্বরোচিত ও নৃশংস গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় দীর্ঘ ১৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বুধবার রায় ঘোষণা করেছেন বিচারিক আদালত। রায়ে তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড, তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্য ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। বাসস

এই বিভাগের আরও খবর

  ঋণ জালিয়াতির মামলায় চট্টগ্রামের এসএ গ্রুপের মালিক কারাগারে

  হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল

  খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে চ্যারিটেবল মামলা চলবে

  ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে প্রথম মামলা সিআইডির

  রায় পর্যালোচনা করে তারেকের দণ্ড বিষয়ে আপিল-এটর্নি জেনারেল

  বাবর-পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন

  বিএনপির বিরুদ্ধে ‌‘গায়েবি মামলা’ ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে পুলিশের-হাইকোর্ট

  মায়ার ১৩ বছরের সাজা বাতিল

  রিভিউ খারিজঃ খালাফ হত্যাঃ মামুনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

  খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউতে ভর্তির নির্দেশ

  কুমিল্লায় ৮ যাত্রী হত্যা মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন নামঞ্জুর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, গুজব সনাক্তকরণে যে সেল করা হয়েছে, তা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণ বা সোশ্যাল মিডিয়া পুলিশিং করবে না। আপনি কি এতে আশ্বস্ত?