বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

মঙ্গলবার, ০৯ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৮:২২:১৮

ভ্রাম্যমাণ আদালত বিষয়ে আপিল শুনানি ১৬ জানুয়ারি

ভ্রাম্যমাণ আদালত বিষয়ে আপিল শুনানি ১৬ জানুয়ারি

ডেস্ক রিপোর্টঃ-ভ্রাম্যমাণ আদালত সংক্রান্ত হাইকোর্ট রায় বিষয়ে আনা আপিলের শুনানির দিন পিছিয়ে ১৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো.আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত বিষয়ে আনা মামলার পক্ষের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম দেশের বাইরে থাকায় সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানির দিন আজ পেছানো হয়। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি এটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ (মোবাইল কোর্ট) আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত ২০০৯ সালের আইনের ১৪ টি ধারা ও উপধারা অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে গত ১১ মে রায় দেয় হাইকোর্ট। এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে এ আদেশ স্থগিত করে আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্ট আদালত বিষয়টি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে প্রেরণ করে আদেশ দেয়। একই সঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগের রায় প্রকাশ হলে রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত আপিল করারও নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়াও হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা আদালতের আদেশ স্থগিত রয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ (মোবাইল কোর্ট) আদালত পরিচালনা অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় গত ৭ জুন প্রকাশ করা হয়েছে। রায় প্রদানকারী বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশিষ রঞ্জন দাসের স্বাক্ষরের পর এ রায় প্রকাশ করা হয়। ৬৪ পৃষ্ঠায় দেয়া এ রায় সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ (মোবাইল কোর্ট) আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত ২০০৯ সালের আইনের ১৪ টি ধারা ও উপধারা অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে গত ১১ মে রায় দেয় হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশিষ রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়। ভ্রাম্যমাণ (মোবাইল কোর্ট) আদালতে সাজাপ্রাপ্ত পৃথক তিন ব্যক্তির দায়ের করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে এ রায় দেয়া হয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে চালু হওয়া ‘না’ ভোট একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধনের উদ্যোগের মধ্যে পুনঃপ্রবর্তনের প্রস্তাব করেছে নাগরিক সংগঠন সুজন। আপনি কি তা সমর্থন করেন?