বুধবার, ১৪ নভেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ০২ জানুয়ারী, ২০১৮, ০২:৫২:০৯

খালেদা জিয়াসহ ৫৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

খালেদা জিয়াসহ ৫৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ডেস্ক রিপোর্টঃ-কুমিল্লার আদালতে খালেদা জিয়াসহ বিএনপি-জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় ৫৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুর এলাকায় যাত্রীবাহী নৈশকোচে পেট্রোল বোমা হামলায় ৮ যাত্রী নিহত হওয়ার মামলায় এ আদেশ দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ৫ নম্বর আমলী আদালতের বিচারক বেগম জয়নব বেগম ওই গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন। গত বছরের ১৬ নভেম্বর জেলা ডিবি'র ইন্সপেক্টর ফিরোজ হোসেন ওই মামলার অধিকতর তদন্ত শেষে বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী, মনিরুল হক চৌধুরী, জামায়াত নেতা ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরসহ ৭৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মঙ্গলবার শুনানি শেষে আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে ওই ৫৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।
বিবাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজমুস সা'দাত জানান, মঙ্গলবার আদালতে শুনানিকালে জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট শাহজাহানসহ বিএনপি-জামায়াতের স্থানীয় ২০ নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। খালেদা জিয়াসহ কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতারা আদালতে উপস্থিত না থাকায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
উল্লেখ্য, বিএনপি-জামায়াতসহ ২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতাল-অবরোধ চলাকালে ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ভোর রাতে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি নৈশ কোচ চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজার সংলগ্ন জগমোহনপুর নামক স্থানে পৌঁছুলে দুর্বৃত্তরা বাসটি লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে। এতে আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলে ৭জন ও হাসপাতালে নেয়ার পর ১জনসহ মোট ৮ যাত্রী মারা যান।
ওই ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার বাদী হয়ে পরদিন ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি ও বিস্ফোরক আইনে একটিসহ থানায় পৃথক ২টি মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতের নির্দেশে ৮ যাত্রী হত্যা মামলাটি কুমিল্লা ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়। গত বছরের ১৬ নভেম্বর আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর সমালোচনার জবাবে কামাল হোসেন বলেছেন, দণ্ডিত তারেক রহমান দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেও দলের সঙ্গে জোট গড়ার মধ্য দিয়ে তার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক স্থাপন হয়নি। আপনি কি তার যুক্তিতে সন্তুষ্ট?