মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৭, ০৮:০৭:০৮

খালেদার গাড়িবহরের পেছনে নাশকতার মামলায় ৭ বিএনপি নেতাকর্মীর জামিন

খালেদার গাড়িবহরের পেছনে নাশকতার মামলায় ৭ বিএনপি নেতাকর্মীর জামিন

ডেস্ক রিপোর্টঃ-কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করে খালেদা জিয়া ঢাকা ফেরার পথে ফেনীর মহিপালে তার গাড়িবহরের পেছনে উল্টো দিকের রাস্তায় দুটি বাসে নাশকতার মামলায় ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবসহ স্থানীয় সাত নেতাকর্মীকে আগাম জামিন দিয়েছে হাই কোর্ট।
বিচারপতি মো. মিফতা উদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চে রোববার আসামিরা হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত আট সপ্তাহের আগাম জামিন দেয়।
আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও সানজিত সিদ্দিকী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী বশির আহমেদ।
আইনজীবী সানজিত বলেন, গত ৩১ অক্টোবর কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফেরার পথে ফেনীর মহিপালে বিএনপি চেয়ারপারসনের গাড়িবহরের পেছনে দুটি বাসে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় পরদিন অর্থাৎ ১ নভেম্বর ফেনী মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে নাশকতার মামলা করে পুলিশ। মামলায় জামিনপ্রাপ্ত সাত নেতাকর্মীসহ ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত পরিচয় আরও ৩৫ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়।
জামিনপ্রাপ্তরা হলেন- ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এম এ খালেক, সদর উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা জসীম উদ্দিন, স্থানীয় ছাত্রদল কর্মী দুলাল, মামুন, ইমন, নাদিম ও জিকু।
খালেদা জিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাওয়ার পথে গত ২৮ অক্টোবর মহিপালের কয়েক কিলোমিটার আগে গাড়িবহরে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর করে সন্ত্রাসীরা।
উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করে ফেরার পথেও ৩১ অক্টোবর ফেনীতে গোলযোগের মধ্যে পড়ে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর।
ওই দিন বিকালে বহরটি ফেনীর মহিপাল অতিক্রমের সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের গাড়িসহ ৩০-৩৫টি গাড়ি পেরিয়ে যাওয়ার পরপরই দুটি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। আগুন জ্বলতে দেখা যায় সড়কের উল্টো দিকে দুটি বাসে।
এর পরপরই সেখানে ছোটাছুটি ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিএনপি নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিলও করেন।

এই বিভাগের আরও খবর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, গুজব সনাক্তকরণে যে সেল করা হয়েছে, তা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণ বা সোশ্যাল মিডিয়া পুলিশিং করবে না। আপনি কি এতে আশ্বস্ত?